বিএনপি-জামাতের আতিথ্যে বাংলাদেশে আল-কায়দা বিকাশ, প্রমাণ দিলো খোদ জাতিসংঘ এবার!

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, আল কায়দার ভারত উপমহাদেশ শাখা একিউআইএস বাংলাদেশে গোপন নেটওয়ার্ক গড়তে চাইছে। দিল্লির লালকেল্লা হামলার পেছনে যাদের হাত শনাক্ত হয়েছে, সেই সংগঠনই এখন বাংলাদেশকে টার্গেট করছে। অথচ ঢাকায় ক্ষমতায় বসে আছে সেই বিএনপি জামাত জোট, যাদের অতীত রেকর্ডই জঙ্গি প্রশ্রয়ের।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল। বিএনপি জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছর। সারাদেশে বোমা হামলা, জঙ্গিদের বিচার তো দূরের কথা, মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছিল জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় অভিযুক্তদের। শীর্ষ জঙ্গি নেতারা পেয়েছিলেন রাজনৈতিক ইন্দন। সে সময়েই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে আসে জঙ্গিদের নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে। সেই বিএনপি জামাত আবারও ক্ষমতায়। আর জাতিসংঘের তরফ থেকে এখন আবারও সেই একই ঘণ্টা বাজানো হলো।

রিপোর্টে শুধু একিউআইএস নয়, রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। আইএস খোরসান রাইসিন তৈরির নির্দেশিকা ছড়াচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ভারতের মাটিতে আইএস সেল ধরা পড়েছে যারা ডাক্তার দিয়ে বায়োটক্সিন বানানোর ছক কষছিল। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মাটি যেন কারো পরীক্ষাগার না হয়ে যায়, সেই দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে সরকারের প্রধান শরিকের নেতারা অতীতে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের সাথে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত ছিলেন বলে আদালত পর্যন্ত বলেছে, তারা কি আদৌ এই হুমকি সামলানোর নৈতিক অবস্থানে আছে।

জাতিসংঘের রিপোর্টে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী হুমকি বেড়েছে। পাকিস্তান আফগানিস্তান সীমান্তে টানা হামলা চলছে। এই আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেই বাংলাদেশের মতো দেশকে ব্যবহার করতে চাইছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। লালকেল্লা হামলার পর ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে তলানিতে, সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চায় একিউআইএস।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বক্তব্য পরিষ্কার, স্লিপার সেলগুলো চুপচাপ থাকে। অপেক্ষা করে দুর্বল সরকার আর সুবিধাজনক সময়ের। ২০২৬ সালের এই আগস্টে দাঁড়িয়ে সেটাই তো দেখা যাচ্ছে। একদিকে জাতিসংঘের রিপোর্ট, অন্যদিকে দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো প্রতিক্রিয়া নেই। যে সরকারের অতীতেই জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, তাদের কাছ থেকে কঠোর অবস্থান আশা করাটাই বাতুলতা।

আন্তর্জাতিক বিশ্ব দেখছে, রিপোর্ট লিখছে, আর হয়তো অপেক্ষা করছে ঢাকার কোনো দায়িত্বশীল মানুষ যেন মুখ খোলেন। কিন্তু ২০০১-০৬ এর ছায়া যেখানে, সেখানে এই নীরবতাই তো স্বাভাবিক।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, আল কায়দার ভারত উপমহাদেশ শাখা একিউআইএস বাংলাদেশে গোপন নেটওয়ার্ক গড়তে চাইছে। দিল্লির লালকেল্লা হামলার পেছনে যাদের হাত শনাক্ত হয়েছে, সেই সংগঠনই এখন বাংলাদেশকে টার্গেট করছে। অথচ ঢাকায় ক্ষমতায় বসে আছে সেই বিএনপি জামাত জোট, যাদের অতীত রেকর্ডই জঙ্গি প্রশ্রয়ের।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল। বিএনপি জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছর। সারাদেশে বোমা হামলা, জঙ্গিদের বিচার তো দূরের কথা, মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছিল জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় অভিযুক্তদের। শীর্ষ জঙ্গি নেতারা পেয়েছিলেন রাজনৈতিক ইন্দন। সে সময়েই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে আসে জঙ্গিদের নিরাপদ স্বর্গ হিসেবে। সেই বিএনপি জামাত আবারও ক্ষমতায়। আর জাতিসংঘের তরফ থেকে এখন আবারও সেই একই ঘণ্টা বাজানো হলো।

রিপোর্টে শুধু একিউআইএস নয়, রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথাও উঠে এসেছে। আইএস খোরসান রাইসিন তৈরির নির্দেশিকা ছড়াচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। ভারতের মাটিতে আইএস সেল ধরা পড়েছে যারা ডাক্তার দিয়ে বায়োটক্সিন বানানোর ছক কষছিল। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মাটি যেন কারো পরীক্ষাগার না হয়ে যায়, সেই দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে সরকারের প্রধান শরিকের নেতারা অতীতে জামায়াতের ছাত্র সংগঠনের সাথে জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত ছিলেন বলে আদালত পর্যন্ত বলেছে, তারা কি আদৌ এই হুমকি সামলানোর নৈতিক অবস্থানে আছে।

জাতিসংঘের রিপোর্টে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী হুমকি বেড়েছে। পাকিস্তান আফগানিস্তান সীমান্তে টানা হামলা চলছে। এই আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যেই বাংলাদেশের মতো দেশকে ব্যবহার করতে চাইছে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো। লালকেল্লা হামলার পর ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে তলানিতে, সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চায় একিউআইএস।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের বক্তব্য পরিষ্কার, স্লিপার সেলগুলো চুপচাপ থাকে। অপেক্ষা করে দুর্বল সরকার আর সুবিধাজনক সময়ের। ২০২৬ সালের এই আগস্টে দাঁড়িয়ে সেটাই তো দেখা যাচ্ছে। একদিকে জাতিসংঘের রিপোর্ট, অন্যদিকে দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে কোনো জোরালো প্রতিক্রিয়া নেই। যে সরকারের অতীতেই জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, তাদের কাছ থেকে কঠোর অবস্থান আশা করাটাই বাতুলতা।

আন্তর্জাতিক বিশ্ব দেখছে, রিপোর্ট লিখছে, আর হয়তো অপেক্ষা করছে ঢাকার কোনো দায়িত্বশীল মানুষ যেন মুখ খোলেন। কিন্তু ২০০১-০৬ এর ছায়া যেখানে, সেখানে এই নীরবতাই তো স্বাভাবিক।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ