সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেয়া হলো রাজধানী ঢাকা!

রাজধানীর মানুষ এখন ঘরে ঘরে যে প্রশ্নটা করছে, সেটা একটাই, এই সরকার আসলে আছে কোথায়? গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ আসে যায়, সড়কে বের হলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা। অথচ ক্ষমতার শীর্ষে বসা মানুষেরা ব্যস্ত নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারায়। জনগণের কষ্ট নিয়ে তাদের কারও কোনো মাথাব্যথা নেই।

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, একটা টার্মিনালে সমস্যা হলেই সারা দেশে গ্যাস সংকট। এর মানে দাঁড়ায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বলে আসলে কিছু নেই। দিনের পর দিন এই একই অজুহাত। অথচ বিকল্প ব্যবস্থা করার মতো দূরদর্শিতা কারও ছিল না। ২০২৬ সালে এসে মানুষ লাকড়ির চুলায় রান্না করবে, এটা কোনো সভ্য দেশের গল্প হতে পারে?

গ্যাস নেই তাই সিএনজি পাম্পে ভোর চারটা থেকে লাইন। ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ১৭৯ টাকার গ্যাস। এরপর আবার লাইনে। একজন ড্রাইভারের পুরো দিনটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে গ্যাসের পেছনে ঘুরে ঘুরে। রোজগার নেই, গাড়ির কিস্তি জমে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুরাহা নেই, শুধু অপেক্ষা করতে বলা হয়।

বিদ্যুতের অবস্থাও শোচনীয়। গ্রীষ্মের রাত, বাচ্চার পড়ার টেবিল থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ঘর, সব জায়গায় লোডশেডিং। ডিপিডিসি আর ডেসকো মিলিয়ে গড়ে চারশো মেগাওয়াট ঘাটতি। পিজিসিবি রাত বাড়লে লোডশেডিং আরও বাড়বে বলছে। অথচ এই সরকার ক্ষমতা দখলের আগে সব সমস্যার সমাধান হবে, এমন মিথ্যাচারের ফুলিঝুড়ি কম ছড়ায়নি। সেই চাপাবাজি এখন লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

সড়কের অবস্থাও বলার মতো নয়। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা, তার উপর রাজনৈতিক, ইসলামিক ওয়াজ অনুষ্ঠানের নামে রাস্তা বন্ধ। যাত্রাবাড়ী, দয়াগঞ্জ, কুড়িল বিশ্বরোডে রাস্তার উপর স্টেজ বেঁধে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ট্রাফিক পুলিশ বলছে, তারা রিপোর্ট দেবে। রিপোর্ট দিয়ে কি গ্যাস আসবে? বিদ্যুৎ আসবে? যানজট কমবে?

২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও দেশ চালিয়েছিল বিএনপি জামাত জোট। তখনকার চিত্র ছিল হাওয়া ভবন, লুটপাট, জ্বালানি সংকট আর জনদুর্ভোগ। ২০২৬ সালে আবার সেই একই চেহারা দেখছে মানুষ। অভিযোগ করার জায়গাটাও বন্ধ। কারণ দায়িত্ব নেওয়ার মতো কেউ কোথাও নেই।

জনগণ কর দেয়, বিল দেয়। তার বিনিময়ে মৌলিক সেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু এখন মৌলিক সেবা তো দূরের কথা, রান্না করার গ্যাস, ঘরে বিদ্যুৎ, রাস্তায় চলাচল, সবকিছুতেই জনগণকে জিম্মি করা হচ্ছে। আর সরকারের নীরবতা যেন সবকিছুকে আরও অসহনীয় করে তুলছে।

শান্তিনগরের নাসরিন আক্তার এখন ইলেকট্রিক চুলা কিনেও লাভ পাচ্ছেন না, কারণ বিদ্যুৎও নেই। বাড্ডার আরিফা আক্তার লাকড়ি কিনে রান্না করছেন। বনশ্রীর মিঠি চৌধুরী হোটেলের খাবারে দিন কাটাচ্ছেন। এদের কারও কথা কি ক্ষমতার চূড়ায় বসা মানুষগুলোর কানে পৌঁছায়? পৌঁছালেও কি তারা শোনেন? নাকি ক্ষমতার ভাগ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন?

ঢাকার বাইরেও একই চিত্র। গ্রামে দিনে কয়েক দফা বিদ্যুৎ যায়। ছোট কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পথে। কৃষক সেচ পাচ্ছে না। এরপরও বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কার নিয়ন্ত্রণে? জনগণ তো দেখছে ঠিক উল্টো চিত্র।

রাজধানীর মানুষ এখন ঘরে ঘরে যে প্রশ্নটা করছে, সেটা একটাই, এই সরকার আসলে আছে কোথায়? গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ আসে যায়, সড়কে বের হলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা। অথচ ক্ষমতার শীর্ষে বসা মানুষেরা ব্যস্ত নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারায়। জনগণের কষ্ট নিয়ে তাদের কারও কোনো মাথাব্যথা নেই।

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি, একটা টার্মিনালে সমস্যা হলেই সারা দেশে গ্যাস সংকট। এর মানে দাঁড়ায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বলে আসলে কিছু নেই। দিনের পর দিন এই একই অজুহাত। অথচ বিকল্প ব্যবস্থা করার মতো দূরদর্শিতা কারও ছিল না। ২০২৬ সালে এসে মানুষ লাকড়ির চুলায় রান্না করবে, এটা কোনো সভ্য দেশের গল্প হতে পারে?

গ্যাস নেই তাই সিএনজি পাম্পে ভোর চারটা থেকে লাইন। ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ১৭৯ টাকার গ্যাস। এরপর আবার লাইনে। একজন ড্রাইভারের পুরো দিনটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে গ্যাসের পেছনে ঘুরে ঘুরে। রোজগার নেই, গাড়ির কিস্তি জমে আছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সুরাহা নেই, শুধু অপেক্ষা করতে বলা হয়।

বিদ্যুতের অবস্থাও শোচনীয়। গ্রীষ্মের রাত, বাচ্চার পড়ার টেবিল থেকে শুরু করে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ঘর, সব জায়গায় লোডশেডিং। ডিপিডিসি আর ডেসকো মিলিয়ে গড়ে চারশো মেগাওয়াট ঘাটতি। পিজিসিবি রাত বাড়লে লোডশেডিং আরও বাড়বে বলছে। অথচ এই সরকার ক্ষমতা দখলের আগে সব সমস্যার সমাধান হবে, এমন মিথ্যাচারের ফুলিঝুড়ি কম ছড়ায়নি। সেই চাপাবাজি এখন লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।

সড়কের অবস্থাও বলার মতো নয়। বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতা, তার উপর রাজনৈতিক, ইসলামিক ওয়াজ অনুষ্ঠানের নামে রাস্তা বন্ধ। যাত্রাবাড়ী, দয়াগঞ্জ, কুড়িল বিশ্বরোডে রাস্তার উপর স্টেজ বেঁধে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ট্রাফিক পুলিশ বলছে, তারা রিপোর্ট দেবে। রিপোর্ট দিয়ে কি গ্যাস আসবে? বিদ্যুৎ আসবে? যানজট কমবে?

২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও দেশ চালিয়েছিল বিএনপি জামাত জোট। তখনকার চিত্র ছিল হাওয়া ভবন, লুটপাট, জ্বালানি সংকট আর জনদুর্ভোগ। ২০২৬ সালে আবার সেই একই চেহারা দেখছে মানুষ। অভিযোগ করার জায়গাটাও বন্ধ। কারণ দায়িত্ব নেওয়ার মতো কেউ কোথাও নেই।

জনগণ কর দেয়, বিল দেয়। তার বিনিময়ে মৌলিক সেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। কিন্তু এখন মৌলিক সেবা তো দূরের কথা, রান্না করার গ্যাস, ঘরে বিদ্যুৎ, রাস্তায় চলাচল, সবকিছুতেই জনগণকে জিম্মি করা হচ্ছে। আর সরকারের নীরবতা যেন সবকিছুকে আরও অসহনীয় করে তুলছে।

শান্তিনগরের নাসরিন আক্তার এখন ইলেকট্রিক চুলা কিনেও লাভ পাচ্ছেন না, কারণ বিদ্যুৎও নেই। বাড্ডার আরিফা আক্তার লাকড়ি কিনে রান্না করছেন। বনশ্রীর মিঠি চৌধুরী হোটেলের খাবারে দিন কাটাচ্ছেন। এদের কারও কথা কি ক্ষমতার চূড়ায় বসা মানুষগুলোর কানে পৌঁছায়? পৌঁছালেও কি তারা শোনেন? নাকি ক্ষমতার ভাগ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন?

ঢাকার বাইরেও একই চিত্র। গ্রামে দিনে কয়েক দফা বিদ্যুৎ যায়। ছোট কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পথে। কৃষক সেচ পাচ্ছে না। এরপরও বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কার নিয়ন্ত্রণে? জনগণ তো দেখছে ঠিক উল্টো চিত্র।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ