দরপত্র ছাড়াই ১৪ কার্গো এলএনজি, ফিরল ২০০১-০৬ এর কুখ্যাত সিন্ডিকেট

দরপত্র ছাড়া ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার ঘোষণা দিয়েই আবারও চেনা মুখোশ খুলে ফেলল বিএনপি জামাত জোট। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের অধ্যায় ফিরে আসছে একই চেহারায়, একই পদ্ধতিতে, একই লুটপাটের নীলনকশা নিয়ে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন আর জনস্বার্থের নামে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় সাতটি কোম্পানি থেকে দুই কার্গো করে মোট ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত কোনো সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, এটা অন্ধকারে ঢালাও দুর্নীতির ছাড়পত্র।

প্রশ্ন উঠতেই পারে, দরপত্র ছাড়া আন্তর্জাতিক কেনাকাটার প্রয়োজনটা আসলে কার। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি জামাত শাসনামলে এমন সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়াই ছিল দুর্নীতির সোনার হরিণ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস, কয়লা, টেলিকম থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র সরঞ্জাম কেনা পর্যন্ত সর্বত্র ছিল দরপত্রহীন চুক্তির মহোৎসব। সেই সময়ের নামকরা সব কেলেঙ্কারির জন্ম হয়েছিল এই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আড়ালেই। এখন ২০২৬ সালে আবারও একই ছবি, একই চিত্রনাট্য, একই খেলোয়াড়।

চলমান জ্বালানি সংকটের কথা বলে জনগণের কষ্টের সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। অথচ জ্বালানি খাতে দুর্নীতি আর অদক্ষতার কারণেই দেশ বারবার সংকটে পড়ছে। সাতটি কোম্পানি থেকে দুই কার্গো করে কেনার ঘোষণা মানে প্রতিযোগিতা নয়, মানে পূর্বনির্ধারিত ভাগবাটোয়ারা। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামার মধ্যে দরপত্রহীন কেনাকাটা মানে মধ্যস্বত্বভোগীদের জন্য চাঁদরাত। ঠিক যেমনটা হয়েছিল খালেদা জিয়ার শাসনামলে, যখন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনপত্র থেকে শুরু করে তেল গ্যাস কেনা পর্যন্ত প্রতিটি খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল দলীয় সুবিধাভোগীদের।

সেই সময়ের বিএনপি জামাত জোট দেশকে পরিণত করেছিল দুর্নীতির মহাকারণ্যে। তখন রাতের অন্ধকারে মন্ত্রীদের বাসভবনে বসে ঠিক হতো কোন কোম্পানি পাবে হাজার কোটি টাকার চুক্তি। জাতীয় সংসদ ছিল ক্ষমতার প্রদর্শনী মঞ্চ, আর প্রকৃত সিদ্ধান্ত হতো বন্ধ দরজার আড়ালে। এবারো সেই পদ্ধতিরই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। দরপত্র ছাড়া কেনার সিদ্ধান্ত মানেই জবাবদিহিহীনতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা। জনগণের করের টাকা কোথায় যাচ্ছে তার কোনো হিসাব থাকবে না, থাকবে শুধু দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার আর পরিবারতন্ত্রের লাভের হিসাব।

বিএনপি জামাত জোট মনে করছে জনগণ ভুলে গেছে। কিন্তু মানুষ মনে রেখেছে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের প্রতিটি লুটপাটের গল্প। মনে রেখেছে কয়লা, কনটেইনার, বিদ্যুৎ আর জ্বালানি খাতের প্রতিটি কালো অধ্যায়। মনে রেখেছে কীভাবে দুর্নীতির টাকা পাচার হয়ে গেছে বিদেশে, কীভাবে দেশের সম্পদ বন্ধক রেখে নামানো হয়েছে ব্যর্থ প্রকল্প। সেই স্মৃতি এখনো টাটকা। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি। আর তার ওপর নতুন করে দরপত্র ছাড়া কেনাকাটার ঘোষণা মানে পুরনো ক্ষতে লবণ মাখানো।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আর প্রতিযোগিতাই একমাত্র পথ। দরপত্র প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে সরাসরি ক্রয় মানে দাম বাড়িয়ে দেওয়ার অবাধ সুযোগ। সাতটি কোম্পানি থেকে একসাথে কেনার অর্থ হলো সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা, মানে কমিশন সংস্কৃতির বিস্তার। এভাবে চলতে থাকলে জ্বালানি খাতে যে বিপর্যয় নেমে আসবে তার দায়ভার নিতে হবে এই জোটকেই।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের অন্ধকার দিন ফিরিয়ে আনতে চাওয়া হচ্ছে কি না সেই প্রশ্ন এখন আর কারো মনে থাকার কথা নয়। উত্তরটা প্রকাশ্য দিবালোকের মতোই স্পষ্ট। দরপত্রহীন কেনাকাটা, দলীয় লোকজনের হাতে চুক্তি, বিদেশি কোম্পানিকে বাড়তি সুবিধা, দেশি প্রতিষ্ঠানকে বঞ্চিত করার এই ছক সেই পুরনো অপশাসনেরই ধারাবাহিকতা।

দরপত্র ছাড়া ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার ঘোষণা দিয়েই আবারও চেনা মুখোশ খুলে ফেলল বিএনপি জামাত জোট। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের অধ্যায় ফিরে আসছে একই চেহারায়, একই পদ্ধতিতে, একই লুটপাটের নীলনকশা নিয়ে। রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন আর জনস্বার্থের নামে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় সাতটি কোম্পানি থেকে দুই কার্গো করে মোট ১৪ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত কোনো সাধারণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, এটা অন্ধকারে ঢালাও দুর্নীতির ছাড়পত্র।

প্রশ্ন উঠতেই পারে, দরপত্র ছাড়া আন্তর্জাতিক কেনাকাটার প্রয়োজনটা আসলে কার। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি জামাত শাসনামলে এমন সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়াই ছিল দুর্নীতির সোনার হরিণ। বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গ্যাস, কয়লা, টেলিকম থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র সরঞ্জাম কেনা পর্যন্ত সর্বত্র ছিল দরপত্রহীন চুক্তির মহোৎসব। সেই সময়ের নামকরা সব কেলেঙ্কারির জন্ম হয়েছিল এই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আড়ালেই। এখন ২০২৬ সালে আবারও একই ছবি, একই চিত্রনাট্য, একই খেলোয়াড়।

চলমান জ্বালানি সংকটের কথা বলে জনগণের কষ্টের সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। অথচ জ্বালানি খাতে দুর্নীতি আর অদক্ষতার কারণেই দেশ বারবার সংকটে পড়ছে। সাতটি কোম্পানি থেকে দুই কার্গো করে কেনার ঘোষণা মানে প্রতিযোগিতা নয়, মানে পূর্বনির্ধারিত ভাগবাটোয়ারা। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ওঠানামার মধ্যে দরপত্রহীন কেনাকাটা মানে মধ্যস্বত্বভোগীদের জন্য চাঁদরাত। ঠিক যেমনটা হয়েছিল খালেদা জিয়ার শাসনামলে, যখন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেশিনপত্র থেকে শুরু করে তেল গ্যাস কেনা পর্যন্ত প্রতিটি খাতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল দলীয় সুবিধাভোগীদের।

সেই সময়ের বিএনপি জামাত জোট দেশকে পরিণত করেছিল দুর্নীতির মহাকারণ্যে। তখন রাতের অন্ধকারে মন্ত্রীদের বাসভবনে বসে ঠিক হতো কোন কোম্পানি পাবে হাজার কোটি টাকার চুক্তি। জাতীয় সংসদ ছিল ক্ষমতার প্রদর্শনী মঞ্চ, আর প্রকৃত সিদ্ধান্ত হতো বন্ধ দরজার আড়ালে। এবারো সেই পদ্ধতিরই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। দরপত্র ছাড়া কেনার সিদ্ধান্ত মানেই জবাবদিহিহীনতার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা। জনগণের করের টাকা কোথায় যাচ্ছে তার কোনো হিসাব থাকবে না, থাকবে শুধু দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার আর পরিবারতন্ত্রের লাভের হিসাব।

বিএনপি জামাত জোট মনে করছে জনগণ ভুলে গেছে। কিন্তু মানুষ মনে রেখেছে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের প্রতিটি লুটপাটের গল্প। মনে রেখেছে কয়লা, কনটেইনার, বিদ্যুৎ আর জ্বালানি খাতের প্রতিটি কালো অধ্যায়। মনে রেখেছে কীভাবে দুর্নীতির টাকা পাচার হয়ে গেছে বিদেশে, কীভাবে দেশের সম্পদ বন্ধক রেখে নামানো হয়েছে ব্যর্থ প্রকল্প। সেই স্মৃতি এখনো টাটকা। সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি। আর তার ওপর নতুন করে দরপত্র ছাড়া কেনাকাটার ঘোষণা মানে পুরনো ক্ষতে লবণ মাখানো।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আর প্রতিযোগিতাই একমাত্র পথ। দরপত্র প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে সরাসরি ক্রয় মানে দাম বাড়িয়ে দেওয়ার অবাধ সুযোগ। সাতটি কোম্পানি থেকে একসাথে কেনার অর্থ হলো সবাইকে খুশি রাখার চেষ্টা, মানে কমিশন সংস্কৃতির বিস্তার। এভাবে চলতে থাকলে জ্বালানি খাতে যে বিপর্যয় নেমে আসবে তার দায়ভার নিতে হবে এই জোটকেই।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের অন্ধকার দিন ফিরিয়ে আনতে চাওয়া হচ্ছে কি না সেই প্রশ্ন এখন আর কারো মনে থাকার কথা নয়। উত্তরটা প্রকাশ্য দিবালোকের মতোই স্পষ্ট। দরপত্রহীন কেনাকাটা, দলীয় লোকজনের হাতে চুক্তি, বিদেশি কোম্পানিকে বাড়তি সুবিধা, দেশি প্রতিষ্ঠানকে বঞ্চিত করার এই ছক সেই পুরনো অপশাসনেরই ধারাবাহিকতা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ