আমদানি করা ১০ বিলিয়ন ডলারের তেল গেলো কার পেটে?

এক বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে বাংলাদেশ। আগের বছরের চেয়ে ১০৭ শতাংশ বেশি। অথচ এই টাকা কার পকেটে গেল, জনগণকে কেউ বলছে না। বিএনপি আর জামাত আবারও দেখালো আমদানি ব্যবসায় তারাই সেরা, জনগণের সেবায় নয়।

২০০১-০৬ মেয়াদে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সব খাতেই দুর্নীতির মহোৎসব দেখেছিল জাতি। ২০২৬ সালে এসে সেই একই চরিত্র আবার হাজির। ৭৫ বিলিয়ন ডলারের মোট আমদানির ১৪ শতাংশের বেশি চলে গেল জ্বালানি তেলে। অথচ ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে ১১৫ টাকার ডিজেল, ১৪৫ টাকার অকটেন।

বিপিসির হিসাবে চাহিদা ৭৪ লাখ টন, আমদানি হয়েছে তার চেয়ে বেশি। তারপরও দাম বাড়ছে, সংকট বাড়ছে। যে টাকায় স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেটা ভেসে গেল তেলের স্রোতে। প্রশ্ন একটাই, এই ১০ বিলিয়ন ডলারের কতটা গেল জনগণের কাজে, আর কতটা গেল মাঝখানের সুবিধাভোগীদের পকেটে?

এক বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে বাংলাদেশ। আগের বছরের চেয়ে ১০৭ শতাংশ বেশি। অথচ এই টাকা কার পকেটে গেল, জনগণকে কেউ বলছে না। বিএনপি আর জামাত আবারও দেখালো আমদানি ব্যবসায় তারাই সেরা, জনগণের সেবায় নয়।

২০০১-০৬ মেয়াদে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ সব খাতেই দুর্নীতির মহোৎসব দেখেছিল জাতি। ২০২৬ সালে এসে সেই একই চরিত্র আবার হাজির। ৭৫ বিলিয়ন ডলারের মোট আমদানির ১৪ শতাংশের বেশি চলে গেল জ্বালানি তেলে। অথচ ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে ১১৫ টাকার ডিজেল, ১৪৫ টাকার অকটেন।

বিপিসির হিসাবে চাহিদা ৭৪ লাখ টন, আমদানি হয়েছে তার চেয়ে বেশি। তারপরও দাম বাড়ছে, সংকট বাড়ছে। যে টাকায় স্কুল, হাসপাতাল, রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেটা ভেসে গেল তেলের স্রোতে। প্রশ্ন একটাই, এই ১০ বিলিয়ন ডলারের কতটা গেল জনগণের কাজে, আর কতটা গেল মাঝখানের সুবিধাভোগীদের পকেটে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ