ক্ষমতার নেশায় অন্ধ বিএনপি-জামাত ফের প্রমাণ করল ১৭ বছরের উন্নয়ন থেকে কিছুই শেখেনি

দুই দশক আগের সেই কালো অধ্যায়ের হুবহু পুনরাবৃত্তি ঘটছে ২০২৬ সালের আগস্টে এসে। গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বসে থাকা বিএনপি ও জামাতে ইসলামের নেতারা ব্যস্ত নিজেদের লুটপাটের হিসাব মেলাতে।

পিজিসিবির সংখ্যাগুলো পড়লে বোঝা যায় সংকট কতটা গভীর। ১৯ আগস্ট রাত ৯টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৬৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং। পরের দিন বিকেল ৩টায় আবারও ১ হাজার ৭৭৪ মেগাওয়াট। মানে ঘাটতি কমার নামই করছে না। অথচ এই ঘাটতির পেছনে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেই। আছে স্রেফ অদূরদর্শিতা আর সিদ্ধান্তহীনতা।

সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো গ্যাস নিয়ে সরকারের অবস্থান। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, সরবরাহ মাত্র ২ হাজার ১৯৬ মিলিয়ন। প্রায় ৪৫ শতাংশ ঘাটতি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর দৈনিক দরকার ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট, পাচ্ছে মাত্র ৮৯২। এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ে আছে কার্গো সংকটের অজুহাতে। প্রশ্ন আসে, সম্প্রতি করা এলএনজি আমদানির চুক্তি কীভাবে করা হয়েছে? ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কোনো পরিকল্পনাই কি ছিল না? নাকি মাঝপথে কমিশন খাওয়া শেষ করতে করতেই সময় পার হয়ে গেছে?

এখন ঘরে ঘরে যে দৃশ্য, তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। শান্তিনগরের এক নারী জানাচ্ছেন, সারাদিন কয়েক দফা বিদ্যুৎ যাওয়ায় বাচ্চা আর বয়স্ক মানুষ নিয়ে কাটানো দায়। মধুবাগের এক বাসিন্দা বলছেন, রাতে গরমে ঘুম নেই, সকালে অফিসের তাড়া। পল্টনের আরেকজন সরাসরি বলছেন, গ্যাস নেই তাই রাইস কুকারে ভাত বসিয়েছেন, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ চলে গেছে। পানির পাম্প চালাতে গেলেও একই অবস্থা। এটাই এখন নিত্যদিনের বাংলাদেশ।

অথচ এই বিএনপি-জামাত জোটই তো ক্ষমতায় আসার আগে বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ে রাজনৈতিক পুঁজি করার চেষ্টা করেছিল। আজ তারা নিজেরাই সেই সংকটের স্থপতি। ২০০১-০৬ মেয়াদে দেশজুড়ে যে লোডশেডিং আর গ্যাস সংকট দেখে মানুষ ত্রাহি ত্রাহি করেছিল, তার চেয়ে এখনকার অবস্থা কোনো অংশে ভালো নয়। বরং কারো কারো মতে আরও নাজুক। কারণ তখন অন্তত দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কেউ চিনতেন, এখন তো তারাও অস্পষ্ট।

প্রশ্নটা হলো, এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে? ক্ষমতায় বসে থাকা কোনো দলই নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে না। কিন্তু মানুষ তো টের পাচ্ছে। গরমে ঘামছে, অন্ধকারে বসে থাকছে, ভাত রান্না করতে পারছে না। কতদিন এই নীরব সহ্য চলবে?

দুই দশক আগের সেই কালো অধ্যায়ের হুবহু পুনরাবৃত্তি ঘটছে ২০২৬ সালের আগস্টে এসে। গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই, অথচ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে বসে থাকা বিএনপি ও জামাতে ইসলামের নেতারা ব্যস্ত নিজেদের লুটপাটের হিসাব মেলাতে।

পিজিসিবির সংখ্যাগুলো পড়লে বোঝা যায় সংকট কতটা গভীর। ১৯ আগস্ট রাত ৯টায় সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৬৬ মেগাওয়াট লোডশেডিং। পরের দিন বিকেল ৩টায় আবারও ১ হাজার ৭৭৪ মেগাওয়াট। মানে ঘাটতি কমার নামই করছে না। অথচ এই ঘাটতির পেছনে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেই। আছে স্রেফ অদূরদর্শিতা আর সিদ্ধান্তহীনতা।

সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো গ্যাস নিয়ে সরকারের অবস্থান। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, সরবরাহ মাত্র ২ হাজার ১৯৬ মিলিয়ন। প্রায় ৪৫ শতাংশ ঘাটতি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর দৈনিক দরকার ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট, পাচ্ছে মাত্র ৮৯২। এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ে আছে কার্গো সংকটের অজুহাতে। প্রশ্ন আসে, সম্প্রতি করা এলএনজি আমদানির চুক্তি কীভাবে করা হয়েছে? ভবিষ্যৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কোনো পরিকল্পনাই কি ছিল না? নাকি মাঝপথে কমিশন খাওয়া শেষ করতে করতেই সময় পার হয়ে গেছে?

এখন ঘরে ঘরে যে দৃশ্য, তা ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়। শান্তিনগরের এক নারী জানাচ্ছেন, সারাদিন কয়েক দফা বিদ্যুৎ যাওয়ায় বাচ্চা আর বয়স্ক মানুষ নিয়ে কাটানো দায়। মধুবাগের এক বাসিন্দা বলছেন, রাতে গরমে ঘুম নেই, সকালে অফিসের তাড়া। পল্টনের আরেকজন সরাসরি বলছেন, গ্যাস নেই তাই রাইস কুকারে ভাত বসিয়েছেন, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ চলে গেছে। পানির পাম্প চালাতে গেলেও একই অবস্থা। এটাই এখন নিত্যদিনের বাংলাদেশ।

অথচ এই বিএনপি-জামাত জোটই তো ক্ষমতায় আসার আগে বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ে রাজনৈতিক পুঁজি করার চেষ্টা করেছিল। আজ তারা নিজেরাই সেই সংকটের স্থপতি। ২০০১-০৬ মেয়াদে দেশজুড়ে যে লোডশেডিং আর গ্যাস সংকট দেখে মানুষ ত্রাহি ত্রাহি করেছিল, তার চেয়ে এখনকার অবস্থা কোনো অংশে ভালো নয়। বরং কারো কারো মতে আরও নাজুক। কারণ তখন অন্তত দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কেউ চিনতেন, এখন তো তারাও অস্পষ্ট।

প্রশ্নটা হলো, এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে? ক্ষমতায় বসে থাকা কোনো দলই নিজেদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে না। কিন্তু মানুষ তো টের পাচ্ছে। গরমে ঘামছে, অন্ধকারে বসে থাকছে, ভাত রান্না করতে পারছে না। কতদিন এই নীরব সহ্য চলবে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ