বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে চরম অবনতি ঘটেছে, তা আজ পুলিশের সরকারি পরিসংখ্যানের চোখেই স্পষ্ট! পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসেই (জানুয়ারি-জুলাই) হত্যা মামলা দায়ের করা হয়২,০৭৬টি—যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৯টি বেশি!
সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হলো, গত ৬ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে খুনের অন্তত ১৮টি ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে, যেখানে নৃশংসভাবে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৭ জন নিরীহ মানুষ। এর মধ্যে ১৪টি হত্যাকাণ্ডই ঘটেছে মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল নিজ বসতবাড়িতে।
লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে আজ বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষের জীবন। মানুষের ঘরে ঘুমানোর নিরাপত্তাটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দেশের জনগণকে এভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে ক্ষমতা উপভোগ করাই কি বিএনপির মূল রাজনীতি? দেশের সাধারণ মানুষ আজ স্পষ্ট বুঝতে পারছে—বিএনপির শাসন মানেই দেশে নিরাপত্তাহীনতা ও নৈরাজ্যের রাজত্ব!
সন্ত্রাস, অপরাধ ও নিরাপত্তাহীনতার গ্রাফ: হত্যাকাণ্ডের উদ্বেগজনক বৃদ্ধি: চলতি ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি থেকে জুলাই) দেশে ২,০৭৬টি হত্যা মামলা নথিভুক্ত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের (১,৯৪৭টি) তুলনায় ১২৯টি বেশি।
পরিবারকেন্দ্রিক নারকীয় হত্যাকাণ্ড: বিগত ৬ মাসে অন্তত ১৮টি ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, যার বলি হতে হয়েছে অন্তত৪৭ জন নিরপরাধ মানুষকে।
নিজ ঘরেই নাগরিকের অনিরাপত্তা: ১৮টি নৃশংস ঘটনার মধ্যে ১৪টিই ঘটেছে সাধারণ মানুষের নিজস্ব আবাসস্থল, বাসা কিংবা বসতঘরে, যা দেখায় মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়টুকুও আজ সুরক্ষিত নয়।
জনজীবনের নিরাপত্তাহীনতা: দিনদুপুরে কিংবা নিজ বসতঘরে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বেড়ে যাওয়ার ঘটনা সরাসরি প্রমাণ করে, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কোনো ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণ নেই।
রাজনীতি যখন দেশের মানুষের নিরাপত্তার চেয়ে কেবল ক্ষমতার স্বার্থ নিশ্চিত করতে ব্যস্ত থাকে, তখন এর খেসারত দিতে হয় সাধারণ নাগরিককে। বিএনপির এ ধরনের নৈরাজ্য ও অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনের সুরক্ষা পুরোপুরি ধূলিসাৎ হতে বাধ্য!

