সংখ্যালঘুদের উচ্ছেদ করতে উগ্রবাদীদের ঢাকায় মাইকিং, নির্বিকার অথর্ব বিএনপি সরকার

জুলাই ষড়যন্ত্র শুধু একটি সরকার পতনের ষড়যন্ত্র নয়, এটি বাংলাদেশের মত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে জাতিগত বিভাজনের একটি নতুন বন্দোবস্ত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাধ্যমে যেমন দেশে মৌলবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে, তেমনি নিজেদের মধ্যপন্থী দাবি করা গণতন্ত্রের হত্যাকারীরাও উগ্রবাদীদের সাথে মিলে ধর্মের নামে আজ বিচ্ছেদের চক্রান্তে শামিল।

জুলাই চক্রান্তের সুবিধাভোগীদের দ্বিচারিতা স্পষ্ট। এরা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আধিপত্যবাদের ন্যারেটিভ ছড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরে সংখ্যালঘুদের উপর সংঘটিত নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞকে নিরবে সমর্থন দেয়৷ “সবার আগে বাংলাদেশ” বলে এরা সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ বাঙালী সংস্কৃতিকে হত্যা করতে চায়৷

৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ বলে বাংলাদেশ থেকে সংখ্যালঘুরা কি আজ অবৈধ? হিন্দু সম্প্রদায়ের একের পর এক মানুষ খুন করে খুনিদের আড়াল করে কি আদায় করতে চায় উগ্রবাদীদের দোসর বর্তমান বিএনপি সরকার? খুনিদের দায়মুক্তি দিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে কেন তারা হত্যাযোগ্য করে তুলছে উগ্রবাদীদের চোখে?

সম্প্রতি রংপুরে সংখ্যালঘু এক পরিবারের ৪ জন হত্যার পর সংখ্যালঘু নিরপরাধ দুই যুবককে ফাঁসিয়ে পুলিশের নাটক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচ বন্ধে কথিত তৌহিদীর জনতার সাথে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহাবস্থান, সারাদেশে জেএমবির উত্থান এবং ঢাকায় মাইকিং করে হিন্দুদের উচ্ছেদ করতে চাওয়া, সবগুলো ঘটনাই কি বিচ্ছিন্ন? একেবারেই তা নয়, এসবের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, বিএনপি সরকারের নিরব সম্মতি ও প্রশ্রয় এবং বিএনপির সহযোগী দেশ বিরোধীদের বাংলাদেশ ধ্বংসের পায়তারা৷

ওরা ধর্মের নামে বাংলাদেশের শান্তিই শুধু বিনষ্ট করছে না বরং বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি অনিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে দেশের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করতে চায়। যারা আজ এই উগ্রবাদকে বাহবা দিচ্ছেন, নিরদ্বিধায় সাম্প্রদায়িকতার বিষপান করতে চাইছেন; এভাবেই যদি চলতে থাকে তাদের জন্যে অদূর ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। মনে রাখবেন, বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে অশান্তি পোহাতে হবে আপনার এবং আপনার পরিবারকেই। নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?

জুলাই ষড়যন্ত্র শুধু একটি সরকার পতনের ষড়যন্ত্র নয়, এটি বাংলাদেশের মত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে জাতিগত বিভাজনের একটি নতুন বন্দোবস্ত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মাধ্যমে যেমন দেশে মৌলবাদ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে, তেমনি নিজেদের মধ্যপন্থী দাবি করা গণতন্ত্রের হত্যাকারীরাও উগ্রবাদীদের সাথে মিলে ধর্মের নামে আজ বিচ্ছেদের চক্রান্তে শামিল।

জুলাই চক্রান্তের সুবিধাভোগীদের দ্বিচারিতা স্পষ্ট। এরা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আধিপত্যবাদের ন্যারেটিভ ছড়িয়ে দেশের অভ্যন্তরে সংখ্যালঘুদের উপর সংঘটিত নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞকে নিরবে সমর্থন দেয়৷ “সবার আগে বাংলাদেশ” বলে এরা সম্প্রীতি ও সৌহার্দপূর্ণ বাঙালী সংস্কৃতিকে হত্যা করতে চায়৷

৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ বলে বাংলাদেশ থেকে সংখ্যালঘুরা কি আজ অবৈধ? হিন্দু সম্প্রদায়ের একের পর এক মানুষ খুন করে খুনিদের আড়াল করে কি আদায় করতে চায় উগ্রবাদীদের দোসর বর্তমান বিএনপি সরকার? খুনিদের দায়মুক্তি দিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে কেন তারা হত্যাযোগ্য করে তুলছে উগ্রবাদীদের চোখে?

সম্প্রতি রংপুরে সংখ্যালঘু এক পরিবারের ৪ জন হত্যার পর সংখ্যালঘু নিরপরাধ দুই যুবককে ফাঁসিয়ে পুলিশের নাটক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচ বন্ধে কথিত তৌহিদীর জনতার সাথে খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহাবস্থান, সারাদেশে জেএমবির উত্থান এবং ঢাকায় মাইকিং করে হিন্দুদের উচ্ছেদ করতে চাওয়া, সবগুলো ঘটনাই কি বিচ্ছিন্ন? একেবারেই তা নয়, এসবের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, বিএনপি সরকারের নিরব সম্মতি ও প্রশ্রয় এবং বিএনপির সহযোগী দেশ বিরোধীদের বাংলাদেশ ধ্বংসের পায়তারা৷

ওরা ধর্মের নামে বাংলাদেশের শান্তিই শুধু বিনষ্ট করছে না বরং বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি অনিরাপদ রাষ্ট্র হিসেবে দেশের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করতে চায়। যারা আজ এই উগ্রবাদকে বাহবা দিচ্ছেন, নিরদ্বিধায় সাম্প্রদায়িকতার বিষপান করতে চাইছেন; এভাবেই যদি চলতে থাকে তাদের জন্যে অদূর ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিণতি অপেক্ষা করছে। মনে রাখবেন, বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে অশান্তি পোহাতে হবে আপনার এবং আপনার পরিবারকেই। নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ