“পুরো দেশ যেখানে ধর্ষণের শিকার, সেখানে একজনের খবর কে রাখবে!”—বিএনপি আমলের আসল চেহারা এটাই! ক্ষমতার অন্ধ দাপটে এরা দেশের বিচার ব্যবস্থা আর আইনশৃঙ্খলাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।
নেত্রকোনায় স্থানীয় বিএনপি নেতার পৈশাচিকতায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবুঝ স্কুলছাত্রীর কান্নাই বলে দেয়—এই লুণ্ঠনকারী সরকারের ছায়াতলে দেশের নারী ও শিশুরা আজ জন্তু-জানোয়ারের শিকারের মতো অনিরাপদ!
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক অবুঝ শিশুকে বছরের পর বছর ভিডিও ধারণের হুমকি দিয়ে নরকীয় যন্ত্রণা দেওয়া আর গণধর্ষণের মাধ্যমে অন্তঃসত্ত্বা করে ফেলার ঘটনা কেবল এক পৈশাচিক অপরাধ নয়—এটি বিএনপি সরকারের সর্বগ্রাসী অপশাসন ও ক্ষমতার বিকৃত ব্যবহারের নজিরবিহীন উদাহরণ। বিএনপির রাজনীতির মূল চালিকাশক্তিই যে পরিণত হয়েছে অপরাধ ও পৈশাচিকতায়, তা এই ঘটনা দিয়ে আরেকবার প্রমাণিত হলো।
নজিরবিহীন অপরাধের সব প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এখনো মূল বিএনপি নেতা রফিকুলকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। সরকারের লেজুড়বৃত্তিতে ব্যস্ত পুলিশ প্রশাসন আজ অপরাধীদের অভয়ারণ্য বানিয়ে দিয়েছে। ধামাচাপা দিতে না পেরে বিএনপি লোকদেখানো অব্যাহতির নাটক সাজিয়েছে। কিন্তু তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়েই যে রাষ্ট্রজুড়ে এই ধর্ষক ও সন্ত্রাসীদের জন্ম হচ্ছে, সেই দায় তারা কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
বিএনপি ক্ষমতার মসনদে বসা মানেই ধর্ষক, উগ্রবাদী আর লুটেরা চক্রের পৌষ মাস। দেশের কন্যাসন্তান থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নারী আজ নিজ ঘরেও অনিরাপদ, কারণ শাসকগোষ্ঠী নিজেই ধর্ষকদের মূল পৃষ্ঠপোষক!

