অর্থনীতি আইসিইউতে, ওদিকে চেয়ারে চেয়ারে বিএনপি-জামাতের দলীয় লোকজনে ভর্তি!

৬ মাসে ৯৫টা কারখানা বন্ধ। ৬২ হাজার মানুষ বেকার। অর্থনীতির ৩১ সূচকের ১৯টাই অবনতির দিকে। এই হিসাবটা সিপিডির, কিন্তু চিত্রটা পুরো দেশের। বিএনপি-জামাত সরকারের প্রথম ছয় মাসের রিপোর্ট কার্ড বলছে, তারা ক্ষমতায় এসে অর্থনীতিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

রাজস্ব আদায়ে শূন্য। ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে বিপজ্জনক হারে। সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ উধাও। শিল্প উৎপাদন তলানিতে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে সিপিডির কথাটাই পরিষ্কার, বড় ঘাটতির কারণে কাজ এগোবে না। মানে উন্নয়ন নামক শব্দটা আপাতত বন্ধ।

সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তার কথা অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবার রাজনৈতিক নিয়োগ শুরু হয়েছে। আমলাতন্ত্রকে দলীয়করণের পুরনো খেলা।

দেশ দেখেছে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এই একই জোটের শাসন। তখনো রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংক লুটপাট, কারখানা বন্ধ, শ্রমিক ছাঁটাই। খালেদা জিয়ার আমলের সেই দুঃসময়ের রিপিট টেলিকাস্ট এখন চলছে ২০২৬ সালে তার ছেলে তারেক রহমানের সময়ে। তখন অন্তত খবর পৌঁছাতে সময় লাগত। এখন সবাই দেখছে, তবু কোনো প্রতিবাদ নেই।

এখনো সময় আছে। মুখ খুলুন, চোখ-কানও সজাগ রাখুন। মুখ বন্ধ থাকলে পরের রিপোর্টে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে আসবে।

৬ মাসে ৯৫টা কারখানা বন্ধ। ৬২ হাজার মানুষ বেকার। অর্থনীতির ৩১ সূচকের ১৯টাই অবনতির দিকে। এই হিসাবটা সিপিডির, কিন্তু চিত্রটা পুরো দেশের। বিএনপি-জামাত সরকারের প্রথম ছয় মাসের রিপোর্ট কার্ড বলছে, তারা ক্ষমতায় এসে অর্থনীতিকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

রাজস্ব আদায়ে শূন্য। ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে বিপজ্জনক হারে। সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ উধাও। শিল্প উৎপাদন তলানিতে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে সিপিডির কথাটাই পরিষ্কার, বড় ঘাটতির কারণে কাজ এগোবে না। মানে উন্নয়ন নামক শব্দটা আপাতত বন্ধ।

সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তার কথা অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে আবার রাজনৈতিক নিয়োগ শুরু হয়েছে। আমলাতন্ত্রকে দলীয়করণের পুরনো খেলা।

দেশ দেখেছে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এই একই জোটের শাসন। তখনো রাজস্ব ফাঁকি, ব্যাংক লুটপাট, কারখানা বন্ধ, শ্রমিক ছাঁটাই। খালেদা জিয়ার আমলের সেই দুঃসময়ের রিপিট টেলিকাস্ট এখন চলছে ২০২৬ সালে তার ছেলে তারেক রহমানের সময়ে। তখন অন্তত খবর পৌঁছাতে সময় লাগত। এখন সবাই দেখছে, তবু কোনো প্রতিবাদ নেই।

এখনো সময় আছে। মুখ খুলুন, চোখ-কানও সজাগ রাখুন। মুখ বন্ধ থাকলে পরের রিপোর্টে সংখ্যাটা দ্বিগুণ হয়ে আসবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ