চাঁদপুরে ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের পরিবার নিখোঁজ এবং রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর নির্মম হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এসবই দেশে আবার বিএনপি-জামায়াতের সেই পুরোনো উগ্রবাদী রাজত্ব ফিরে আসার রক্ত হিম করা সঙ্কেত!
রংপুরের প্রবীণ শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড এবং সম্প্রতি চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসের চার সদস্যের পরিবারের রহস্যজনক অন্তর্ধান—প্রতিটি ঘটনাই এক বিএনপি জামায়তের বিষাক্ত রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে আঙুল তোলে। ইতিহাস সাক্ষী, বিএনপি-জামায়াত যখনই ক্ষমতার কাছাকাছি আসে বা ক্ষমতায় বসে, তখনই দেশজুড়ে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, জঙ্গি ও জেএমবির মতো সংগঠন গুলো বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
চাঁদপুরে পিন্টু দাসের পরিবার নিখোঁজ হওয়ার নেপথ্যে থাকা হুমকি—এসবই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভিটেমাটি ছাড়া করার এবং দেশত্যাগে বাধ্য করার নীলক নকশার অংশ। বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সবসময়ই শূন্যের কোঠায় নেমে যায়।
বাংলাদেশের মাটি থেকে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত উগ্রবাদ, মৌলবাদী সহিংসতা ও এদের পেছনের মাস্টারমাইন্ডদের সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে। বিচার বিভাগ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে উগ্রবাদী হামলাকে আর ‘নাটক’ বানিয়ে পার পাওয়া যাবে না। অবিলম্বে পিন্টু দাসের পরিবারকে উদ্ধার করতে হবে এবং শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা প্রকৃত জঙ্গি ও সন্ত্রাসী চক্রকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

