চান্দিনার বরকইটে পূজা সেরে ঘরে বসা এক নারীকে পিটিয়ে মারল দুর্বৃত্তরা। ৫৮ বছর বয়সী বীনা রানী রায়ের মাথায় বারবার আঘাত করা হয়। চিৎকার শুনে মানুষ আসার আগেই পালায় হামলাকারীরা। হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সন্ধ্যায় ঘরে ঢুকে একজন নারীকে নির্মমভাবে পিটিয়ে মারার সাহস কারা পেল? সংখ্যালঘু বলেই কি এমন নির্ভয়ে খুন করা গেল?
ঘটনার ধরন বলছে, এটা পরিকল্পিত হামলা। সাধারণ চুরি বা ছিনতাই হলে এভাবে মাথা থেঁতলে মারার দরকার ছিল না। ২০২৬ সালে এসে বারবার একই চিত্র। সংখ্যালঘু বাড়িতে ঢুকে হামলা, মন্দিরে ভাঙচুর, নারী নির্যাতন। অথচ দায়িত্বে থাকা এই অবৈধ দখলদার সরকার নীরব। সংখ্যালঘু সুরক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। বরং প্রতিটি ঘটনার পর একই সংলাপ, তদন্ত চলছে, কারণ জানা যায়নি।
একটি পরিবার আজ ধ্বংস। সন্ধ্যার পূজা সেরে টিভি দেখছিলেন মা। কিছুক্ষণ পরই তাঁর মাথা থেঁতলে দেওয়া হলো। এই নৃশংসতা দেখে মনে হচ্ছে, এদেশে সংখ্যালঘু হওয়াই বড় অপরাধ। নিরাপত্তা চাওয়াও যেন বিলাসিতা।

