বিবেকও শূন্য তথাকথিত সরকারের আমলে গ্যাসের চাপ শূন্য না হয়ে উপায় আছে!

রাজধানীজুড়ে সিএনজি স্টেশনগুলো এখন লাশকাটা ঘরের মতো নীরব। কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও চাপ শূন্য। অথচ এই চিত্র দেখার দায়িত্ব যাদের, তারা ব্যস্ত নিজেদের ক্ষমতার ভাগ বাটোয়ারায়। পনেরো বছর ধরে ঢাকার রাস্তায় গাড়ি চালানো চালকও বলছেন, এমন বিপর্যয় আগে দেখেননি।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল, সেই দুঃস্বপ্নের সময়টাই যেন আবার ফিরে এসেছে। তখনো গ্যাস ছিল ভাগ্যের ব্যাপার, বিদ্যুৎ ছিল বিলাসিতা, আর জনগণের কষ্ট ছিল নেতাদের কাছে হিসাবের বাইরে। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও সেই একই চিত্র। পার্থক্য শুধু একটাই, এখন দায়িত্বে বসে আছেন বিএনপি আর তাদের কাঁধে চেপে বসা জামাত।

চালক আইবর হোসেন দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পান মাত্র একশো টাকার গ্যাস। সেই গ্যাসে চলে ত্রিশ কিলোমিটার। এরপর আবার লাইন, আবার অপেক্ষা। তার মুখে একটাই প্রশ্ন, গাড়ির মালিককে জমা দেব, নাকি সংসার চালাব? অথচ এই সংকটের শুরু থেকেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যেন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বসে আছেন।

চালক হানিফের কথায় ক্ষোভের আগুন ঝরে পড়ে। তিনি বলেন, যে পাম্পে চাপ আছে সেখানে লাইনও আকাশছোঁয়া। যে পাম্পে লাইন কম সেখানে গ্যাসই নেই। এর মধ্যে প্রতিদিন গাড়ির জমা ১২০০ টাকা, তার ওপর সংসারের খরচ। অথচ এই চালকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সরকারের নীতিহীনতা।

স্টেশন ম্যানেজার রাকিবুল ইসলাম বলছেন, সকাল দশটা থেকেই প্রেসার শূন্য। তিতাসকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। প্রশ্ন হলো, তিতাসের পেছনে কারা বসে আছে? যাদের দায়িত্ব ছিল সরবরাহ নিশ্চিত করার, তারা কি ব্যস্ত দলীয় বৈঠকে, নাকি টেন্ডারবাজির হিসাব মেলাতে?

যাত্রীরাও এখন জিম্মি। মিরপুর দশ থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ভাড়া ১৬০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৩২০ টাকায় পৌঁছেছে। নাজমা বেগমের মতো অফিসগামী নারীদের পকেট থেকে রোজ দ্বিগুণ টাকা বের হচ্ছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে এক বাক্যও নেই, কোনো জবাবদিহি নেই।

স্মরণকালের দেশের সবচেয়ে নিকৃষ্ট এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, বিএনপি-জামাতের শাসনে জনগণের দুঃখ শুধু ফিরে আসেনি, নতুন মাত্রা পেয়েছে। চালক আসাদ মিয়ার কথায় সেই আর্তি স্পষ্ট, “এসব সমাধান করা সরকারের দায়িত্ব। তারা কী করছে?”

সত্যিই তো, তারা কী করছে?

রাজধানীজুড়ে সিএনজি স্টেশনগুলো এখন লাশকাটা ঘরের মতো নীরব। কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও চাপ শূন্য। অথচ এই চিত্র দেখার দায়িত্ব যাদের, তারা ব্যস্ত নিজেদের ক্ষমতার ভাগ বাটোয়ারায়। পনেরো বছর ধরে ঢাকার রাস্তায় গাড়ি চালানো চালকও বলছেন, এমন বিপর্যয় আগে দেখেননি।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল, সেই দুঃস্বপ্নের সময়টাই যেন আবার ফিরে এসেছে। তখনো গ্যাস ছিল ভাগ্যের ব্যাপার, বিদ্যুৎ ছিল বিলাসিতা, আর জনগণের কষ্ট ছিল নেতাদের কাছে হিসাবের বাইরে। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়েও সেই একই চিত্র। পার্থক্য শুধু একটাই, এখন দায়িত্বে বসে আছেন বিএনপি আর তাদের কাঁধে চেপে বসা জামাত।

চালক আইবর হোসেন দুই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে পান মাত্র একশো টাকার গ্যাস। সেই গ্যাসে চলে ত্রিশ কিলোমিটার। এরপর আবার লাইন, আবার অপেক্ষা। তার মুখে একটাই প্রশ্ন, গাড়ির মালিককে জমা দেব, নাকি সংসার চালাব? অথচ এই সংকটের শুরু থেকেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যেন ঘুমের ওষুধ খেয়ে বসে আছেন।

চালক হানিফের কথায় ক্ষোভের আগুন ঝরে পড়ে। তিনি বলেন, যে পাম্পে চাপ আছে সেখানে লাইনও আকাশছোঁয়া। যে পাম্পে লাইন কম সেখানে গ্যাসই নেই। এর মধ্যে প্রতিদিন গাড়ির জমা ১২০০ টাকা, তার ওপর সংসারের খরচ। অথচ এই চালকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সরকারের নীতিহীনতা।

স্টেশন ম্যানেজার রাকিবুল ইসলাম বলছেন, সকাল দশটা থেকেই প্রেসার শূন্য। তিতাসকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। প্রশ্ন হলো, তিতাসের পেছনে কারা বসে আছে? যাদের দায়িত্ব ছিল সরবরাহ নিশ্চিত করার, তারা কি ব্যস্ত দলীয় বৈঠকে, নাকি টেন্ডারবাজির হিসাব মেলাতে?

যাত্রীরাও এখন জিম্মি। মিরপুর দশ থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ভাড়া ১৬০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৩২০ টাকায় পৌঁছেছে। নাজমা বেগমের মতো অফিসগামী নারীদের পকেট থেকে রোজ দ্বিগুণ টাকা বের হচ্ছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে এক বাক্যও নেই, কোনো জবাবদিহি নেই।

স্মরণকালের দেশের সবচেয়ে নিকৃষ্ট এই পরিস্থিতি প্রমাণ করে, বিএনপি-জামাতের শাসনে জনগণের দুঃখ শুধু ফিরে আসেনি, নতুন মাত্রা পেয়েছে। চালক আসাদ মিয়ার কথায় সেই আর্তি স্পষ্ট, “এসব সমাধান করা সরকারের দায়িত্ব। তারা কী করছে?”

সত্যিই তো, তারা কী করছে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ