দেড় হাজার টাকার আয় নেমেছে ছয়শতে, বিএনপি-জামাতের শাসনে নিঃশেষ খেটে খাওয়া মানুষেরা

চালক আবু তৈয়ব ভোর চারটায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন। পাঁচ ঘণ্টা পরেও গ্যাস নেই। রাত কেটেছে গাড়ির সিটে। সকালের নাশতার খরচটুকু আজ উঠবে কি না, আল্লাহই জানেন। তাঁর কথায়, “মালিকের জমা দিতে হবে, সংসারও চালাতে হবে।” এই হাহাকার শুধু আবু তৈয়বের নয়, গোটা চট্টগ্রামের লাখো পরিবহন শ্রমিকের প্রাণের আর্তনাদ।

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অপশাসনে তলানিতে ঠেকেছে দেশের জ্বালানি খাত। যে কেজিডিসিএলের দৈনিক চাহিদা ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের, সেখানে সরবরাহ নেমেছে মাত্র ১৯ কোটিতে। ১৬ কোটি ঘনফুটের বিশাল ঘাটতি যেন এক আজব রসিকতা। বিদ্যুৎ, শিল্প, আবাসিক সব খাতেই চরম সংকট, আর সবচেয়ে বড় থাবা পড়েছে পথের কষ্টার্জিত রুটিরুজির ওপরে।

মিনিবাসচালক নাহিদ সোমবার সারা দিনের আয় নিয়ে বাসায় ফিরেছেন মাত্র ৬০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক দিনে আয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকার ওপরে। আজ তার আয় আরও কমার শঙ্কায় বুক কাঁপছে। ফিলিং স্টেশনের লাইনে কেউ চার ঘণ্টা, কেউ পাঁচ ঘণ্টা, কেউ ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে শেষমেশ গ্যাসই পাচ্ছেন না। যানবাহনের চালকেরা দিনের অর্ধেকটা সময়ই নষ্ট করছেন গ্যাসের মিছিলে। যে রাস্তায় নামার কথা ছিল যাত্রী নিয়ে, সে রাস্তায় নামার সুযোগটুকুও জোটে না।

আগে ২০ থেকে ৩০ মিনিটেই গ্যাস নিয়ে রাস্তায় নামা যেত। এখন পাঁচ-ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও নিশ্চিত নয় গ্যাস মিলবে কি না। দুই ঘণ্টা চালানোর পরই আবার ট্যাংক ফাঁকা, আবার সেই ফিলিং স্টেশনের চক্রব্যূহে বন্দি জীবন। চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহের নামগন্ধও নেই।

এই চরম দুর্যোগের জন্য দায়ী সরাসরি ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামাত জোট। কেজিডিসিএলের কর্মকর্তারা অপ্রকাশিত রাখছেন নিজেদের নাম, লুকিয়ে বলছেন “সরবরাহ সংকটের কথা”। পেট্রোবাংলার বরাদ্দ কমিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত করে তোলা হয়েছে। ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামাত জ্বালানি খাতকে যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল, ২০২৬ সালে এসে সেই একই নীলনকশা আবার বাস্তবায়িত হচ্ছে চোখের সামনে।

সিএনজিচালকদের দৈনন্দিন আয় একেবারে তলানিতে। বাড়িভাড়া, সংসার খরচ, গাড়ির জমা কোনোভাবেই উঠছে না। ধারদেনা করে দিন গুজরান, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ে মরিয়া। যাত্রীসাধারণকেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা, সহ্য করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার জ্বালা। বিএনপি-জামাতের শাসনে সিএনজিচালকের গাড়ির চাকা যেমন থমকে গেছে, তেমনি থমকে গেছে পুরো দেশেরই প্রাণস্পন্দন।

চালক আবু তৈয়ব ভোর চারটায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন। পাঁচ ঘণ্টা পরেও গ্যাস নেই। রাত কেটেছে গাড়ির সিটে। সকালের নাশতার খরচটুকু আজ উঠবে কি না, আল্লাহই জানেন। তাঁর কথায়, “মালিকের জমা দিতে হবে, সংসারও চালাতে হবে।” এই হাহাকার শুধু আবু তৈয়বের নয়, গোটা চট্টগ্রামের লাখো পরিবহন শ্রমিকের প্রাণের আর্তনাদ।

বিএনপি-জামাত জোট সরকারের অপশাসনে তলানিতে ঠেকেছে দেশের জ্বালানি খাত। যে কেজিডিসিএলের দৈনিক চাহিদা ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের, সেখানে সরবরাহ নেমেছে মাত্র ১৯ কোটিতে। ১৬ কোটি ঘনফুটের বিশাল ঘাটতি যেন এক আজব রসিকতা। বিদ্যুৎ, শিল্প, আবাসিক সব খাতেই চরম সংকট, আর সবচেয়ে বড় থাবা পড়েছে পথের কষ্টার্জিত রুটিরুজির ওপরে।

মিনিবাসচালক নাহিদ সোমবার সারা দিনের আয় নিয়ে বাসায় ফিরেছেন মাত্র ৬০০ টাকা। অথচ স্বাভাবিক দিনে আয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকার ওপরে। আজ তার আয় আরও কমার শঙ্কায় বুক কাঁপছে। ফিলিং স্টেশনের লাইনে কেউ চার ঘণ্টা, কেউ পাঁচ ঘণ্টা, কেউ ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে শেষমেশ গ্যাসই পাচ্ছেন না। যানবাহনের চালকেরা দিনের অর্ধেকটা সময়ই নষ্ট করছেন গ্যাসের মিছিলে। যে রাস্তায় নামার কথা ছিল যাত্রী নিয়ে, সে রাস্তায় নামার সুযোগটুকুও জোটে না।

আগে ২০ থেকে ৩০ মিনিটেই গ্যাস নিয়ে রাস্তায় নামা যেত। এখন পাঁচ-ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও নিশ্চিত নয় গ্যাস মিলবে কি না। দুই ঘণ্টা চালানোর পরই আবার ট্যাংক ফাঁকা, আবার সেই ফিলিং স্টেশনের চক্রব্যূহে বন্দি জীবন। চাহিদামতো গ্যাস সরবরাহের নামগন্ধও নেই।

এই চরম দুর্যোগের জন্য দায়ী সরাসরি ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামাত জোট। কেজিডিসিএলের কর্মকর্তারা অপ্রকাশিত রাখছেন নিজেদের নাম, লুকিয়ে বলছেন “সরবরাহ সংকটের কথা”। পেট্রোবাংলার বরাদ্দ কমিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত করে তোলা হয়েছে। ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামাত জ্বালানি খাতকে যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল, ২০২৬ সালে এসে সেই একই নীলনকশা আবার বাস্তবায়িত হচ্ছে চোখের সামনে।

সিএনজিচালকদের দৈনন্দিন আয় একেবারে তলানিতে। বাড়িভাড়া, সংসার খরচ, গাড়ির জমা কোনোভাবেই উঠছে না। ধারদেনা করে দিন গুজরান, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ে মরিয়া। যাত্রীসাধারণকেও গুণতে হচ্ছে বাড়তি টাকা, সহ্য করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার জ্বালা। বিএনপি-জামাতের শাসনে সিএনজিচালকের গাড়ির চাকা যেমন থমকে গেছে, তেমনি থমকে গেছে পুরো দেশেরই প্রাণস্পন্দন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ