তারেক রহমানের বাংলাদেশে কৃষকেরা কেনো কাটাচ্ছেন ফেরার জীবন?

কুড়িগ্রামের এক কৃষক আমন ধানের জমির জন্য চেয়েছিলেন সার, বদলে পেলেন আট দিনের হাজতবাস। গোনাইয়ের কুটি গ্রামে দোকানে দোকানে ঘুরেও সার না পেয়ে, স্বজনপ্রীতির অভিযোগে যখন কৃষকেরা রাস্তায় নামলেন, রাষ্ট্র তার জবাব দিল ১১ জনের নাম আর ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি বানিয়ে। সংখ্যাটা খেয়াল করেছেন? এত মানুষকে আসামি করা কোনো নির্দিষ্ট অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা না, এটা একটা গোটা ইউনিয়নকে দাবিয়ে রাখারই কৌশল।

আল আমিন মোল্লা আর সুরুজ মিয়া, দুজনেই আট দিন জেল খেটেছেন শুধু সারের দাবিতে গলা তোলার জন্য। আল আমিনের স্ত্রী রওশন আরা বেগমকে স্বামীকে ছাড়িয়ে আনতে গুনতে হয়েছে প্রায় বিশ হাজার টাকা, যে টাকা একটা কৃষক পরিবারের কাছে এক মৌসুমের ফসলের সমান। শিউলি বেগমের স্বামী সুলতান মোল্লা মামলা হওয়ার পর থেকে বাড়ি ফেরেননি, দেড় বিঘা আমন আর এক বিঘা বেগুনের খেত পড়ে আছে অযত্নে। কলিম উদ্দিনের ভাই আবদুস সালাম রাতে ঘুমান বিভিন্ন আত্মীয়দের বাড়িতে, কারণ পুলিশ রোজ রাতেই অভিযানে নামছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটা তুলেছেন খোদ স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী মোল্লা। সার নিয়ে বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ, কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করা, এমন ঘটনা দেশের আরও অনেক জায়গায় ঘটেছে। মামলা হয়নি কোথাও। শুধু বঙ্গসোনাহাটেই হলো। তাহলে আইন কি এখানে সমান চোখে কাজ করছে, নাকি নির্দিষ্ট একটা এলাকা বা মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে, সেই প্রশ্নের জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে।

তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতা দখল করেছে তথাকথিত ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার গলাবাজি করে। সাত মাসের মাথায় কুড়িগ্রামের কৃষক পরিবারগুলো যে বাস্তবতায় আছে, তা ২০০১-০৬ সালের বিএনপি জমানার সেই চেনা চিত্রেরই পুনরাবৃত্তি, যেখানে গরিব মানুষের প্রতিবাদকে দমন করা হতো মামলা আর হয়রানির অস্ত্রে। একটা রাষ্ট্র যখন সারের ভিক্ষা চাইতে যাওয়া কৃষককে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করায়, তখন সেই রাষ্ট্রের গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

কুড়িগ্রামের এক কৃষক আমন ধানের জমির জন্য চেয়েছিলেন সার, বদলে পেলেন আট দিনের হাজতবাস। গোনাইয়ের কুটি গ্রামে দোকানে দোকানে ঘুরেও সার না পেয়ে, স্বজনপ্রীতির অভিযোগে যখন কৃষকেরা রাস্তায় নামলেন, রাষ্ট্র তার জবাব দিল ১১ জনের নাম আর ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি বানিয়ে। সংখ্যাটা খেয়াল করেছেন? এত মানুষকে আসামি করা কোনো নির্দিষ্ট অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা না, এটা একটা গোটা ইউনিয়নকে দাবিয়ে রাখারই কৌশল।

আল আমিন মোল্লা আর সুরুজ মিয়া, দুজনেই আট দিন জেল খেটেছেন শুধু সারের দাবিতে গলা তোলার জন্য। আল আমিনের স্ত্রী রওশন আরা বেগমকে স্বামীকে ছাড়িয়ে আনতে গুনতে হয়েছে প্রায় বিশ হাজার টাকা, যে টাকা একটা কৃষক পরিবারের কাছে এক মৌসুমের ফসলের সমান। শিউলি বেগমের স্বামী সুলতান মোল্লা মামলা হওয়ার পর থেকে বাড়ি ফেরেননি, দেড় বিঘা আমন আর এক বিঘা বেগুনের খেত পড়ে আছে অযত্নে। কলিম উদ্দিনের ভাই আবদুস সালাম রাতে ঘুমান বিভিন্ন আত্মীয়দের বাড়িতে, কারণ পুলিশ রোজ রাতেই অভিযানে নামছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটা তুলেছেন খোদ স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান আলী মোল্লা। সার নিয়ে বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ, কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করা, এমন ঘটনা দেশের আরও অনেক জায়গায় ঘটেছে। মামলা হয়নি কোথাও। শুধু বঙ্গসোনাহাটেই হলো। তাহলে আইন কি এখানে সমান চোখে কাজ করছে, নাকি নির্দিষ্ট একটা এলাকা বা মানুষদের টার্গেট করা হচ্ছে, সেই প্রশ্নের জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে।

তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতা দখল করেছে তথাকথিত ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার গলাবাজি করে। সাত মাসের মাথায় কুড়িগ্রামের কৃষক পরিবারগুলো যে বাস্তবতায় আছে, তা ২০০১-০৬ সালের বিএনপি জমানার সেই চেনা চিত্রেরই পুনরাবৃত্তি, যেখানে গরিব মানুষের প্রতিবাদকে দমন করা হতো মামলা আর হয়রানির অস্ত্রে। একটা রাষ্ট্র যখন সারের ভিক্ষা চাইতে যাওয়া কৃষককে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করায়, তখন সেই রাষ্ট্রের গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ