আট মাসে সারাদেশে হত্যা মামলা দুই হাজার ৩৬২টি। শুধু ঢাকাতেই ১৬৮টি। প্রতিদিন গড়ে ১০টি হত্যা। অপহরণ মামলা ৬৯১টি, ঢাকায় ১২৯টি। প্রতিদিন প্রায় তিনটি অপহরণ। চাঁদাবাজি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, জঙ্গল-নদীতে মরদেহ ফেলার ঘটনা বেড়েছে ভয়াবহভাবে।
গণপতি চক্রবর্তী পরিবার। মাদারীপুরের জঙ্গলে নারী, আড়িয়াল খাঁয় শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ। মিরপুরে ইব্রাহিম, রূপনগরে তানভীর। নিখোঁজের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদাবাজিই মূল কারণ। রাষ্ট্রের টারশিয়ারি প্রিভেনশন ব্যর্থ। ২৪-এর জুলাই দাঙ্গার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ডিমোরালাইজড। কনফিডেন্স ফেরানো হয়নি।
২০০১-০৬ সালে বিএনপির শাসনে কী হয়েছিল, দেশবাসী ভোলেনি। সেইসব অন্ধকার দিনগুলো আবারও মহাসমারোহে ফিরে এসেছে। ক্ষমতায় বসে অপরাধ নিয়ন্ত্রণের বদলে প্রশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি। হত্যার তদন্তে ধীরগতি, অপহরণের কেউ নেই খোঁজে। বিএনপির আমলে রাষ্ট্র দুর্বল, চাঁদাবাজ মুক্ত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রাজনৈতিক হাতিয়ার। জনগণ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। আইনের শাসন নেই। হত্যা-অপহরণের হিসাব শুধু কাগজে-কলমে। বাস্তবে রাস্তা-ঘাট, জঙ্গল-নদী মিলে এক ভয়াবহ বাংলাদেশ।

