দুই দিনে তিনটি মরদেহ। এক তুরাগ নদীতেই। অন্তত দুজনের রাজনৈতিক পরিচয় স্পষ্ট। সুমনের বাবা-মা ছেলের সব ছবি মুছে দিয়েছেন, মোবাইল ভেঙে ফেলেছেন, সাংবাদিকের প্রশ্নে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। পুলিশ বলছে, “অনেক তথ্যই ভিত্তিহীন।”
এই নীরবতা কি আগে দেখেননি?
২০০১ থেকে ২০০৬। বিএনপি-জামাতের সেই পাঁচ বছরে রাজনৈতিক সহিংসতা, গুম আর রহস্যজনক মৃত্যু ছিল রুটিন। প্রতিটা ঘটনার পর একই কায়দা, “তদন্ত হবে।” তদন্ত হতো, বিচার হতো না কোনোদিন। ভুক্তভোগীর পরিবার কথা বলতে পারত না, কারণ ক্ষমতার ছায়ায় থাকা মানুষদের ভয় পেত।
সেই একই বিএনপি, সেই একই জামাত, এখন আবার ক্ষমতায়। আর তুরাগে ভাসছে লাশ।
যে সরকারের শাসনে শোকার্ত পরিবারও কথা বলার সাহস পায় না, সেই সরকারের হাতে এই মৃত্যুর তদন্ত রাখা মানে হলো শিয়ালের কাছে মুরগি পাহারা দিতে দেওয়া। ইতিহাস যে নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে, তার এর চেয়ে ভালো প্রমাণ আর কী লাগে?

