শ্রমিকের পেটে লাথি মারতে দৃশ্যপটে আবারও হাজির বিএনপি-জামাত গং!

শুধু গাজীপুর না, সারা দেশের কলকারখানা যেন আজ রীতিমতো অভিশপ্ত। লিথী গ্রুপের পাঁচটি ইউনিট বন্ধ হয়ে আড়াই হাজার শ্রমিক রাস্তায়। অথচ এই বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার সময় বলেছিল, তারা ব্যবসাবান্ধব, তারা শিল্প বাঁচাবে। কিন্তু ক্ষমতা মাই আসার কয়েক মাস পেরোতেই চিত্রটা ভয়ংকর রকমের চেনা লাগছে। যেন ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের ভূত আবারও তাড়া করছে আমাদের।

গাজীপুরের লিথী গ্রুপের মালিক বলছেন, ব্যাংক থেকে ঋণ সহায়তা নেই, গ্যাস সংযোগ বন্ধ, ক্রয়াদেশ কম। প্রশ্ন উঠছে, বিএনপির অর্থমন্ত্রী আর জামাতের শিল্প উপদেষ্টা কী করছেন? একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে লাখো শ্রমিক যখন পথের ভিখারি হচ্ছেন, তখন এই জোট সরকার কেবল ঢাকঢোল পিটিয়ে ইসলামিক ব্যাংকিং আর রাষ্ট্রধর্ম টিকিয়ে রাখার রাজনীতি করছে। বিএনপি-জামাতের এই শাসন ব্যবসার জন্য বিষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুলের চোখে ঘুম নেই, শুধু ভারত বিদ্বেষ আর খালেদা জিয়ার মুক্তির অজুহাত ছাড়া কিছু বলার নেই। অন্যদিকে জামাতের আমির বলছেন, ‘সংকট সাময়িক’। কোন আকাশ থেকে দেখছেন এই সাময়িক সংকট? কারখানা বন্ধ, শ্রমিকের পেটে আগুন, সেটা কি সাময়িক?

শ্রমিকদের মুখে একটাই কথা, ‘বাঁচতে চাই, কাজ চাই।’ গাজীপুরের বাঘের বাজার এখন মানবেতর জীবনের প্রতিচ্ছবি। যে দল ২০০১ সালে লুটপাট আর সন্ত্রাসের জন্ম দিয়েছিল, সেই একই দল আজ ২০২৬ সালে এসে আবারও শ্রমিকের ঘাড়ে অত্যাচারের ছুরি চালাচ্ছে। এটাই জামাত-বিএনপির নীলনকশা। এদের শাসনে মালিক নিরাপদ না, শ্রমিক নিরাপদ না। এরা গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে পারবে না, বরং দেশকে অকার্যকর করে তুলবে। আমরা কোনো দিন ভুলব না ২০০১-এর অন্ধকার রাত, আর এই ২০২৬ আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে বিএনপি-জামাত বদলায়নি, বদলাবে না।

শুধু গাজীপুর না, সারা দেশের কলকারখানা যেন আজ রীতিমতো অভিশপ্ত। লিথী গ্রুপের পাঁচটি ইউনিট বন্ধ হয়ে আড়াই হাজার শ্রমিক রাস্তায়। অথচ এই বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার সময় বলেছিল, তারা ব্যবসাবান্ধব, তারা শিল্প বাঁচাবে। কিন্তু ক্ষমতা মাই আসার কয়েক মাস পেরোতেই চিত্রটা ভয়ংকর রকমের চেনা লাগছে। যেন ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের ভূত আবারও তাড়া করছে আমাদের।

গাজীপুরের লিথী গ্রুপের মালিক বলছেন, ব্যাংক থেকে ঋণ সহায়তা নেই, গ্যাস সংযোগ বন্ধ, ক্রয়াদেশ কম। প্রশ্ন উঠছে, বিএনপির অর্থমন্ত্রী আর জামাতের শিল্প উপদেষ্টা কী করছেন? একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে লাখো শ্রমিক যখন পথের ভিখারি হচ্ছেন, তখন এই জোট সরকার কেবল ঢাকঢোল পিটিয়ে ইসলামিক ব্যাংকিং আর রাষ্ট্রধর্ম টিকিয়ে রাখার রাজনীতি করছে। বিএনপি-জামাতের এই শাসন ব্যবসার জন্য বিষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মির্জা ফখরুলের চোখে ঘুম নেই, শুধু ভারত বিদ্বেষ আর খালেদা জিয়ার মুক্তির অজুহাত ছাড়া কিছু বলার নেই। অন্যদিকে জামাতের আমির বলছেন, ‘সংকট সাময়িক’। কোন আকাশ থেকে দেখছেন এই সাময়িক সংকট? কারখানা বন্ধ, শ্রমিকের পেটে আগুন, সেটা কি সাময়িক?

শ্রমিকদের মুখে একটাই কথা, ‘বাঁচতে চাই, কাজ চাই।’ গাজীপুরের বাঘের বাজার এখন মানবেতর জীবনের প্রতিচ্ছবি। যে দল ২০০১ সালে লুটপাট আর সন্ত্রাসের জন্ম দিয়েছিল, সেই একই দল আজ ২০২৬ সালে এসে আবারও শ্রমিকের ঘাড়ে অত্যাচারের ছুরি চালাচ্ছে। এটাই জামাত-বিএনপির নীলনকশা। এদের শাসনে মালিক নিরাপদ না, শ্রমিক নিরাপদ না। এরা গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে পারবে না, বরং দেশকে অকার্যকর করে তুলবে। আমরা কোনো দিন ভুলব না ২০০১-এর অন্ধকার রাত, আর এই ২০২৬ আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে যে বিএনপি-জামাত বদলায়নি, বদলাবে না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ