বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজের রিপোর্টই বলছে, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা। আগের বছর দিতে হয়েছিল ৩০ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা কোথা থেকে আসছে? কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাপাখানা থেকে। যা একবার গেছে, কাগজ ছেপে সেটা পোষানো হচ্ছে।
টাকা গেছে কোথায়? প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতারা ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে হাজার কোটি ঋণ নিয়েছে, বিদেশে সম্পদ বানিয়েছে, ভল্ট খালি রেখে গেছে। ব্যাংকিং খাতের মূলধন এখন ঋণাত্মক ২.৬৪ শতাংশে। ইসলামী ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ এক বছরেই বেড়েছে ৫৬ শতাংশের বেশি।
এই সংকটের মাঝেই বিএনপি-জামাতের সরকার ক্ষমতায়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে যা দেখেছিলাম, এবারও সেই একই চিত্র। লুটেরাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেই। পাচার হওয়া টাকা ফেরানোর কোনো উদ্যোগ নেই। দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনের কোনো পরিকল্পনা নেই। শুধু আছে ছাপানো টাকা দিয়ে সংকট ঢাকার চেষ্টা।
কোটি মানুষের জীবনের সঞ্চয় ব্যাংকে গচ্ছিত। সেই টাকা এখন আর নিরাপদ নয়। আর যাদের কাজ এটা ঠেকানো, তারা নিষ্ক্রিয় বসে আছে। ইতিহাস নিজেই বলছে, এই দুই দল ক্ষমতায় এলে দাম দেয় সাধারণ মানুষ।

