গুণীজন ডোবানোর উৎসব: বিএনপি-জামাতের সাংস্কৃতিক দুর্নীতি প্রশ্নহীন কেন?

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, জুন মাসটা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এখন ‘অর্থ উসুলের মৌসুমে’ পরিণত হয়েছে। জাতির গুণীজনদের স্মরণের নামে চলছে প্রকাশ্য প্রহসন। যে বাংলা একাডেমি একদিনে চার চারজন মনীষীকে নিয়ে স্মরণসভা করে, তাদের উদ্দেশ্য স্মরণ না অর্থ বরাদ্দের শেষ রসটুকু নিংড়ে নেওয়া?

চলতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে এই হিড়িক থামছেই না। ৪২টি সেমিনারের অধিকাংশই গাদাগাদি করে জুন মাসে। যেন পয়সা ফুরানোর তাড়া। একই দিনে চারটি অনুষ্ঠান করে কোন গবেষক বা শিক্ষার্থীকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলো? উত্তর সোজা, দেওয়া হয়নি। এটা বাজেট পোড়ানো, স্মরণ না।

সবচেয়ে বীভৎস দৃশ্যটা দেখা গেছে শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টে। পাঁচটি অনুষ্ঠানের প্রতিটিতে মূল প্রাবন্ধিক একই ব্যক্তি, আয়োজকও তিনি। সংগীত থেকে ভাষা আন্দোলন, নৃত্য থেকে মধ্যযুগীয় কৃষক বাদশার বিদ্রোহী কন্যা খনা সব বিষয়ে একা গবেষণা করে ফেললেন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এটা গবেষণা না, এটা সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্বের চরম নমুনা।

নজরুল ইনস্টিটিউটের চিত্রও এক. অতিথি, আলোচক, সভাপতি সবাই প্রতিষ্ঠানের ভেতরের লোক. যেন নিজেরাই আয়োজন, নিজেরাই অতিথি, নিজেরাই তালি দিচ্ছেন। ইব্রাহীম খাঁর পরিবারকে পর্যন্ত জানানো হয়নি যে তার নামে কোনো আয়োজন হচ্ছে। এটা স্মরণসভা না শ্মশানকালীর পূজা?

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দায় তাদের না। অথচ এই একই কর্মকর্তারা ঘুরেফিরে প্রতিটি অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকায় নাম লেখাচ্ছেন। মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব বলেই ফেললেন, প্রতিনিধি হিসেবে তারা যান। প্রশ্ন হলো, জনগণের করের টাকায় কেন এই প্রতিনিধিত্বের নামে ভোজ খাওয়া হবে?

গত ২০০১-০৬ মেয়াদেও বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে সংস্কৃতি অঙ্গনকে গোয়ালঘরে পরিণত করেছিল। বুদ্ধিজীবীদের ওপর হামলা, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ আর অর্থ আত্মসাতের যে কালো অধ্যায় আমরা দেখেছি, ২০২৬ সালে আবার তার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। কোনো নীতিমালা নেই, জবাবদিহিতা নেই, আছে শুধু ক্ষমতার দাপট আর চাটুকারিতার প্রতিযোগিতা।

আয়োজনের নামে এই লুটপাট এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। যে মন্ত্রী বলছেন “জানতাম না”, তার এই অজ্ঞতা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অপমানজনক। জনগণের টাকায় কেনাকাটা করে প্রশাসনের লোকজন নিজেরাই গবেষক ও অতিথি সেজে বসে থাকবেন, এটা কোনো নিয়ম না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ না, এটা ২০০১-০৬ সালের অন্ধকারের ফিরে আসার আরেক নাম।

বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, জুন মাসটা সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এখন ‘অর্থ উসুলের মৌসুমে’ পরিণত হয়েছে। জাতির গুণীজনদের স্মরণের নামে চলছে প্রকাশ্য প্রহসন। যে বাংলা একাডেমি একদিনে চার চারজন মনীষীকে নিয়ে স্মরণসভা করে, তাদের উদ্দেশ্য স্মরণ না অর্থ বরাদ্দের শেষ রসটুকু নিংড়ে নেওয়া?

চলতি অর্থবছরের শেষ দিকে এসে এই হিড়িক থামছেই না। ৪২টি সেমিনারের অধিকাংশই গাদাগাদি করে জুন মাসে। যেন পয়সা ফুরানোর তাড়া। একই দিনে চারটি অনুষ্ঠান করে কোন গবেষক বা শিক্ষার্থীকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হলো? উত্তর সোজা, দেওয়া হয়নি। এটা বাজেট পোড়ানো, স্মরণ না।

সবচেয়ে বীভৎস দৃশ্যটা দেখা গেছে শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টে। পাঁচটি অনুষ্ঠানের প্রতিটিতে মূল প্রাবন্ধিক একই ব্যক্তি, আয়োজকও তিনি। সংগীত থেকে ভাষা আন্দোলন, নৃত্য থেকে মধ্যযুগীয় কৃষক বাদশার বিদ্রোহী কন্যা খনা সব বিষয়ে একা গবেষণা করে ফেললেন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এটা গবেষণা না, এটা সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্বের চরম নমুনা।

নজরুল ইনস্টিটিউটের চিত্রও এক. অতিথি, আলোচক, সভাপতি সবাই প্রতিষ্ঠানের ভেতরের লোক. যেন নিজেরাই আয়োজন, নিজেরাই অতিথি, নিজেরাই তালি দিচ্ছেন। ইব্রাহীম খাঁর পরিবারকে পর্যন্ত জানানো হয়নি যে তার নামে কোনো আয়োজন হচ্ছে। এটা স্মরণসভা না শ্মশানকালীর পূজা?

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, দায় তাদের না। অথচ এই একই কর্মকর্তারা ঘুরেফিরে প্রতিটি অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকায় নাম লেখাচ্ছেন। মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব বলেই ফেললেন, প্রতিনিধি হিসেবে তারা যান। প্রশ্ন হলো, জনগণের করের টাকায় কেন এই প্রতিনিধিত্বের নামে ভোজ খাওয়া হবে?

গত ২০০১-০৬ মেয়াদেও বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে সংস্কৃতি অঙ্গনকে গোয়ালঘরে পরিণত করেছিল। বুদ্ধিজীবীদের ওপর হামলা, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ আর অর্থ আত্মসাতের যে কালো অধ্যায় আমরা দেখেছি, ২০২৬ সালে আবার তার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। কোনো নীতিমালা নেই, জবাবদিহিতা নেই, আছে শুধু ক্ষমতার দাপট আর চাটুকারিতার প্রতিযোগিতা।

আয়োজনের নামে এই লুটপাট এখনই বন্ধ হওয়া উচিত। যে মন্ত্রী বলছেন “জানতাম না”, তার এই অজ্ঞতা দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অপমানজনক। জনগণের টাকায় কেনাকাটা করে প্রশাসনের লোকজন নিজেরাই গবেষক ও অতিথি সেজে বসে থাকবেন, এটা কোনো নিয়ম না। এটা ২০২৬ সালের বাংলাদেশ না, এটা ২০০১-০৬ সালের অন্ধকারের ফিরে আসার আরেক নাম।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ