শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে বিএনপি সরকারের কল্যাণে আবারও ১৪ ঘণ্টার লোডশেডিং

খামারে মুরগি মরছে, ব্যবসা থমকে যাচ্ছে, মানুষ রাত জেগে কাটাচ্ছে। ক্ষমতা মানে প্রতিশ্রুতি না, দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা।
“আমাদের এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে, বাকি ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং। খামারের শত শত মুরগি মারা যাচ্ছে।”—এটি কোনো বিরোধী দলের বক্তব্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের আর্তনাদ।

গাজীপুরের শ্রীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পোল্ট্রি খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে, দুগ্ধ খামার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফ্রিজের খাবার নষ্ট হচ্ছে, শিশুদের পড়াশোনা ও মানুষের স্বাভাবিক ঘুম পর্যন্ত ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন—চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম পাওয়ায় নিয়মিত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে উন্নতি করেছে। গত এক দশকে বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্রিড ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণে করা হয়েছিল। সেই অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করেই অবৈধ ইউনুস সরকারও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

যদি চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ, উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বিএনপির। জনগণের প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, তারেক রহমানের ফাঁকা রাজনৈতিক বক্তব্য নয়।

আজ বাস্তবতা হলো—
-কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত।
-খামারি সর্বস্ব হারাচ্ছেন।
-ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত।
-সাধারণ মানুষ অসহনীয় গরমে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার সবচেয়ে মৌলিক দায়িত্বগুলোর একটি হলো বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিএনপি সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার মূল্য দিচ্ছে দেশের কোটি কোটি মানুষ।

যে দেশে একসময় বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নকে উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছিল আওয়ামী লীগ সরকার, আজ আবার সেই দেশেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে বিএনপি সরকারের কল্যাণে।২০০১-২০০৬ বিএনপি – জামায়ত জোট সরকারের সময়ের বিদ্যুৎ সংকটের কথা মানুষ ভুলে যায়নি। তখন লোডশেডিং ছিল মানুষের দৈনন্দিন দুর্ভোগের প্রতীক। শিল্প থেমেছে, বিনিয়োগ আটকে গেছে, কৃষি ও জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সময়ের সমালোচনার বড় অংশই ছিল পরিকল্পনার ঘাটতি, উৎপাদন সংকট ও ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা নিয়ে।

বিদ্যুৎ শুধু আলো না, অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প আর মানুষের স্বাভাবিক জীবনের ভিত্তি। কিন্তু বাংলাদেশ কে আবারো পিছিয়ে দিতে বিএনপি সরকার বিদ্যুৎ সংকটকে সামনে আনছে । বিদ্যুৎ সংকট কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা না, এটা বিএনপি শাসনের অক্ষমতা।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন কেন আবার অন্ধকারে ফিরতে হলো? মানুষ বিদ্যুতের বিল দেয় সেবা পাওয়ার জন্য, অন্ধকারে বসে বিএনপি সরকারের ব্যাখ্যা শোনার জন্য না।

খামারে মুরগি মরছে, ব্যবসা থমকে যাচ্ছে, মানুষ রাত জেগে কাটাচ্ছে। ক্ষমতা মানে প্রতিশ্রুতি না, দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা।
“আমাদের এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে, বাকি ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং। খামারের শত শত মুরগি মারা যাচ্ছে।”—এটি কোনো বিরোধী দলের বক্তব্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের আর্তনাদ।

গাজীপুরের শ্রীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পোল্ট্রি খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে, দুগ্ধ খামার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ফ্রিজের খাবার নষ্ট হচ্ছে, শিশুদের পড়াশোনা ও মানুষের স্বাভাবিক ঘুম পর্যন্ত ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় বিদ্যুৎ কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন—চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম পাওয়ায় নিয়মিত লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়নের দেশে উন্নতি করেছে। গত এক দশকে বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্রিড ও বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণে করা হয়েছিল। সেই অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করেই অবৈধ ইউনুস সরকারও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

যদি চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সংগ্রহ, উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বিএনপির। জনগণের প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, তারেক রহমানের ফাঁকা রাজনৈতিক বক্তব্য নয়।

আজ বাস্তবতা হলো—
-কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত।
-খামারি সর্বস্ব হারাচ্ছেন।
-ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত।
-সাধারণ মানুষ অসহনীয় গরমে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার সবচেয়ে মৌলিক দায়িত্বগুলোর একটি হলো বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। বিএনপি সরকারের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার মূল্য দিচ্ছে দেশের কোটি কোটি মানুষ।

যে দেশে একসময় বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নকে উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেছিল আওয়ামী লীগ সরকার, আজ আবার সেই দেশেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে বিএনপি সরকারের কল্যাণে।২০০১-২০০৬ বিএনপি – জামায়ত জোট সরকারের সময়ের বিদ্যুৎ সংকটের কথা মানুষ ভুলে যায়নি। তখন লোডশেডিং ছিল মানুষের দৈনন্দিন দুর্ভোগের প্রতীক। শিল্প থেমেছে, বিনিয়োগ আটকে গেছে, কৃষি ও জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সময়ের সমালোচনার বড় অংশই ছিল পরিকল্পনার ঘাটতি, উৎপাদন সংকট ও ব্যবস্থাপনা ব্যর্থতা নিয়ে।

বিদ্যুৎ শুধু আলো না, অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প আর মানুষের স্বাভাবিক জীবনের ভিত্তি। কিন্তু বাংলাদেশ কে আবারো পিছিয়ে দিতে বিএনপি সরকার বিদ্যুৎ সংকটকে সামনে আনছে । বিদ্যুৎ সংকট কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা না, এটা বিএনপি শাসনের অক্ষমতা।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন কেন আবার অন্ধকারে ফিরতে হলো? মানুষ বিদ্যুতের বিল দেয় সেবা পাওয়ার জন্য, অন্ধকারে বসে বিএনপি সরকারের ব্যাখ্যা শোনার জন্য না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ