বগুড়ায় মন্ত্রীর গাড়ির চাকায় জীবন গেল নারীর, কিন্তু ক্ষমতার দম্ভে চাপা পড়ল বিচার

বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী এবং জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল বারীর গাড়িবহরে পিষ্ট হয়ে প্রবীণ নারী ফিরোজা বেগম (৬২) মর্মান্তিক মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মন্ত্রী কোনো দুঃখ বা অনুশোচনা প্রকাশ না করেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও উন্মোচিত হলো ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপির সেই পুরোনো নিপীড়ন ও দায় এড়ানোর কূৎসিত ঐতিহ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পথচারী ফিরোজা বেগমকে পিসে দেওয়ার পর স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কিন্তু নিহত নারীর পরিবারের পাশে না দাঁড়িয়ে, সামান্যতম অনুশোচনা প্রকাশ না করেই মন্ত্রী তার বিকল্প গাড়িতে করে দ্রুত গন্তব্যে চলে যান। ক্ষমতার এমন চরম অপব্যবহার ও আইনের তোয়াক্কা না করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ বগুড়াবাসী। সাধারণ জনগণের করের টাকায় কেনা যে ভিআইপি বহর তাদের নিরাপত্তার কথা ছিল, তা-ই এখন তাদের মৃত্যুর বাহক হয়ে উঠেছে।

২০২৬ সালে দীর্ঘ দেড় দশক পর পুনরায় ক্ষমতায় এসে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সংস্কার ও সুশাসনের যে বুলি আওড়িয়েছিল, তা একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীদের স্বজনদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, প্রশাসনিক কাজে প্রভাব খাটানো, স্বজনপ্রীতি ও টেন্ডারবাজির ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠে আসছে। রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জনের অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই জবাবদিহিতার চরম অভাব এবং ভিআইপি সংস্কৃতির এই বেপরোয়া প্রদর্শন প্রমাণ করছে যে, দলটি তাদের অতীতের দুশাসন থেকে কোনো শিক্ষাই নেয়নি।

একটি স্বাধীন দেশে সাধারণ নাগরিকের জীবনের মূল্য কি এতই নগণ্য? যেখানে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মুখে ‘জনকল্যাণ ও সামাজিক সাম্যের’ কথা বলেন, সেখানে বাস্তবে একজন অসহায় প্রবীণ নারী রাষ্ট্রীয় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হলেও রাষ্ট্রীয় কোনো শোক বা জবাবদিহিতা দেখা যায় না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকাও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ক্ষমতার দাপটে এই মামলার সঠিক বিচার প্রক্রিয়াকেও ফাইলবন্দি করে ঢাকা ফেলার চেষ্টা চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—২০০১-২০০৬ সালের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর চরম বাস্তবতা কি আবারও দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছে? বগুড়ার এই রক্তাক্ত সড়ক দুর্ঘটনা ও তৎপরবর্তী নীরবতা কেবল একজন নারীর জীবন কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থার চরম অবক্ষয়কেই নগ্নভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী এবং জয়পুরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল বারীর গাড়িবহরে পিষ্ট হয়ে প্রবীণ নারী ফিরোজা বেগম (৬২) মর্মান্তিক মৃত্যুবরণ করেছেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর সকালে মোকামতলা-জয়পুরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মন্ত্রী কোনো দুঃখ বা অনুশোচনা প্রকাশ না করেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে দ্রুত দুর্ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও উন্মোচিত হলো ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপির সেই পুরোনো নিপীড়ন ও দায় এড়ানোর কূৎসিত ঐতিহ্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পথচারী ফিরোজা বেগমকে পিসে দেওয়ার পর স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কিন্তু নিহত নারীর পরিবারের পাশে না দাঁড়িয়ে, সামান্যতম অনুশোচনা প্রকাশ না করেই মন্ত্রী তার বিকল্প গাড়িতে করে দ্রুত গন্তব্যে চলে যান। ক্ষমতার এমন চরম অপব্যবহার ও আইনের তোয়াক্কা না করার ঘটনায় ক্ষুব্ধ বগুড়াবাসী। সাধারণ জনগণের করের টাকায় কেনা যে ভিআইপি বহর তাদের নিরাপত্তার কথা ছিল, তা-ই এখন তাদের মৃত্যুর বাহক হয়ে উঠেছে।

২০২৬ সালে দীর্ঘ দেড় দশক পর পুনরায় ক্ষমতায় এসে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সংস্কার ও সুশাসনের যে বুলি আওড়িয়েছিল, তা একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে মিথ্যা প্রমাণিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীদের স্বজনদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, প্রশাসনিক কাজে প্রভাব খাটানো, স্বজনপ্রীতি ও টেন্ডারবাজির ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠে আসছে। রাষ্ট্রক্ষমতা অর্জনের অল্প কয়েক মাসের মধ্যেই জবাবদিহিতার চরম অভাব এবং ভিআইপি সংস্কৃতির এই বেপরোয়া প্রদর্শন প্রমাণ করছে যে, দলটি তাদের অতীতের দুশাসন থেকে কোনো শিক্ষাই নেয়নি।

একটি স্বাধীন দেশে সাধারণ নাগরিকের জীবনের মূল্য কি এতই নগণ্য? যেখানে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা মুখে ‘জনকল্যাণ ও সামাজিক সাম্যের’ কথা বলেন, সেখানে বাস্তবে একজন অসহায় প্রবীণ নারী রাষ্ট্রীয় গাড়ির চাকায় পিষ্ট হলেও রাষ্ট্রীয় কোনো শোক বা জবাবদিহিতা দেখা যায় না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকাও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ক্ষমতার দাপটে এই মামলার সঠিক বিচার প্রক্রিয়াকেও ফাইলবন্দি করে ঢাকা ফেলার চেষ্টা চলছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—২০০১-২০০৬ সালের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলোর চরম বাস্তবতা কি আবারও দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করতে যাচ্ছে? বগুড়ার এই রক্তাক্ত সড়ক দুর্ঘটনা ও তৎপরবর্তী নীরবতা কেবল একজন নারীর জীবন কেড়ে নেয়নি, বরং দেশের বর্তমান আইন ও বিচার ব্যবস্থার চরম অবক্ষয়কেই নগ্নভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ