রূপসী রাইস থেকে সদরঘাট থানা, শাহে আলমের ক্ষমতার বৃত্ত যত গভীরে যাচ্ছে

বগুড়ার এক ব্যবসায়ী পরিবার এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে। মীর শাহে আলম নামের এই মানুষটি একদিকে যেমন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, অন্যদিকে তার আর তার ছেলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার সরকারি কাজ। সংঘবদ্ধ এই স্বজনপ্রীতির চিত্র যেন হুবহু ফিরিয়ে আনছে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই অন্ধকার অধ্যায়কে, যখন বিএনপি জোট সরকারের আমলে দুর্নীতি ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আর লুটপাট ছিল ক্ষমতার একমাত্র ভাষা।

২০২৬ সালের এপ্রিলে বিসিকের পক্ষ থেকে রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডকে ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার কাজ দেওয়া হয়। কোম্পানিটির শতভাগ মালিকানা প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম আর তার ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্তের। ব্যাপারটা আরও প্রকট হয় যখন দেখা যায়, শাহে আলম নিজে তখন বিসিকের পরিচালক ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে, সেই শাহে আলমই কিনা বসে বসে নিজের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে সরকারি চুক্তি এনে দিচ্ছেন। এটা শুধু স্বার্থের সংঘর্ষ নয়, এটা দিনদুপুরে ডাকাতি।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস আর মীর সীমান্ত ইঞ্জিনিয়ারিং মিলে অন্তত ১২টি সরকারি কাজ পেয়েছে, যার মোট মূল্য ৭১ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শাহে আলম বিসিক পরিচালক থাকাকালীন প্রায় ৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার ছয়টি চুক্তি হয়। আর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে আরও ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ছয়টি চুক্তি দেওয়া হয়। অর্থাৎ যত দায়িত্ব বেড়েছে, ততই বেড়েছে পারিবারিক ব্যবসার প্রসার। এ যেন ক্ষমতার মই বেয়ে উপরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নিজের পকেট ভরার প্রতিযোগিতা।

শাহে আলম অবশ্য দাবি করেন, তিনি কোনো ক্রয় কর্মকর্তা ছিলেন না, দরপত্র আহ্বান করেননি, অনুমোদনও দেননি। এই অজুহাত সেই চিরাচরিত পালিয়ে যাওয়ার কৌশল, যা প্রতিটি দুর্নীতিবাজ নেতার মুখে শোনা যায়। প্রশ্ন হলো, তিনি যদি কিছুই না করে থাকেন, তাহলে তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানগুলো বারবার সরকারি কাজ পাচ্ছে কীভাবে? এত বড় কাকতালীয় ঘটনা কি সম্ভব? নাকি এটা সেই পুরনো চেনা ছক, যেখানে মুখে অস্বীকার আর ভেতরে ভেতরে পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ?

ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগের ঘটনায়। গত ২৪ মার্চ আব্দুর রশীদ মিয়াকে এক বছরের চুক্তিতে এলজিইডি প্রধান করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, তৎকালীন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কিছু না জানিয়েই এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন।

বগুড়ার এক ব্যবসায়ী পরিবার এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে। মীর শাহে আলম নামের এই মানুষটি একদিকে যেমন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, অন্যদিকে তার আর তার ছেলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার সরকারি কাজ। সংঘবদ্ধ এই স্বজনপ্রীতির চিত্র যেন হুবহু ফিরিয়ে আনছে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই অন্ধকার অধ্যায়কে, যখন বিএনপি জোট সরকারের আমলে দুর্নীতি ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি আর লুটপাট ছিল ক্ষমতার একমাত্র ভাষা।

২০২৬ সালের এপ্রিলে বিসিকের পক্ষ থেকে রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস লিমিটেডকে ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকার কাজ দেওয়া হয়। কোম্পানিটির শতভাগ মালিকানা প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম আর তার ছেলে মীর শাকরুল আলম সীমান্তের। ব্যাপারটা আরও প্রকট হয় যখন দেখা যায়, শাহে আলম নিজে তখন বিসিকের পরিচালক ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে, সেই শাহে আলমই কিনা বসে বসে নিজের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে সরকারি চুক্তি এনে দিচ্ছেন। এটা শুধু স্বার্থের সংঘর্ষ নয়, এটা দিনদুপুরে ডাকাতি।

গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রূপসী রাইস অ্যান্ড পুষ্টি মিলস আর মীর সীমান্ত ইঞ্জিনিয়ারিং মিলে অন্তত ১২টি সরকারি কাজ পেয়েছে, যার মোট মূল্য ৭১ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে শাহে আলম বিসিক পরিচালক থাকাকালীন প্রায় ৫৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার ছয়টি চুক্তি হয়। আর প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে আরও ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার ছয়টি চুক্তি দেওয়া হয়। অর্থাৎ যত দায়িত্ব বেড়েছে, ততই বেড়েছে পারিবারিক ব্যবসার প্রসার। এ যেন ক্ষমতার মই বেয়ে উপরে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে নিজের পকেট ভরার প্রতিযোগিতা।

শাহে আলম অবশ্য দাবি করেন, তিনি কোনো ক্রয় কর্মকর্তা ছিলেন না, দরপত্র আহ্বান করেননি, অনুমোদনও দেননি। এই অজুহাত সেই চিরাচরিত পালিয়ে যাওয়ার কৌশল, যা প্রতিটি দুর্নীতিবাজ নেতার মুখে শোনা যায়। প্রশ্ন হলো, তিনি যদি কিছুই না করে থাকেন, তাহলে তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠানগুলো বারবার সরকারি কাজ পাচ্ছে কীভাবে? এত বড় কাকতালীয় ঘটনা কি সম্ভব? নাকি এটা সেই পুরনো চেনা ছক, যেখানে মুখে অস্বীকার আর ভেতরে ভেতরে পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ?

ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগের ঘটনায়। গত ২৪ মার্চ আব্দুর রশীদ মিয়াকে এক বছরের চুক্তিতে এলজিইডি প্রধান করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, তৎকালীন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কিছু না জানিয়েই এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ