রংপুরের চার খুন: ইয়াবা, জমি, ডাকাতি সব ফেল, আসল সত্য কবে বলবে প্রশাসন?

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চারজনকে যেভাবে হত্যা করা হলো, তা কোনো সাধারণ খুনের ঘটনা নয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড, যেখানে একটি সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে তাদের নিজের বাসায় ঢুকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। অথচ এই ঘটনাকে প্রথমে মাদকসেবনের জের, পরে ডাকাতি, তারপর জমি সংক্রান্ত বিরোধ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে প্রশাসন।

সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ যে জবানবন্দি উপস্থাপন করেছিল, তার কোনো ভিত্তি এখন আর দাঁড়ায় না। ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি, অথচ প্রথম দাবিই ছিল ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই খুন। এরপর বলা হলো জমি নিয়ে বিরোধ, আবার বলা হলো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা। কোনো তত্ত্বই টেকেনি। পুলিশের তদন্তে অসংলগ্নতা এতটাই স্পষ্ট যে মনে হয় তারা ঘটনার প্রকৃত কারণ চাপা দেওয়ার জন্য বারবার গল্প বদলেছে।

গণপতি চক্রবর্তী যে মৃত্যুর আগে আতঙ্কে ছিলেন, তা তাঁর নিজের আত্মীয়স্বজন ও কাছের মানুষজন স্পষ্ট বলেছেন। শেষ দেড় মাস ধরে তিনি ঘর বন্ধ করে ঘুমাতেন, নিজের জীবননাশের আশঙ্কার কথা বলতেন। এরপরও যখন তাঁর পরিবারকে খুন করা হলো, তখন প্রশাসন বললো মাদকসেবী দুই তরুণের কাজ। অথচ যে দুই তরুণকে অভিযুক্ত করা হলো, তাদের শরীরে মাদকের চিহ্ন নেই।

পুলিশ এখন বলছে, আট দিন পরে পরীক্ষা করায় মাদক পাওয়া যায়নি, দুই তিন দিন আগে করলে পাওয়া যেত। কিন্তু ঘটনার পরেই তো পুলিশের হাতে তারা ছিল। কেন তখন ডোপ টেস্ট করা হলো না? কেন প্রথমে মাদকের জের বললো, পরে সেই গল্প ফেলে দিলো? কারণটা স্পষ্ট, ঘটনার প্রকৃত রূপটি ভিন্ন।

গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ পোল থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সেদিন ওই নির্দিষ্ট ফিডারে লোডশেডিং ছিল মাত্র এক ঘণ্টা তেরো মিনিট। তারপরও পোল থেকে সংযোগ কেটে দেওয়া হয়। এই কাজটি কোনো মাদকসেবী তরুণের পক্ষে করা সম্ভব নয়। এটি করতে হলে জানতে হয় কোন লাইন কোন বাড়িতে যায়, কখন বিদ্যুৎ আসবে না, কতক্ষণ অন্ধকার থাকবে। এমন পরিকল্পনা একজন সাধারণ মানুষ করে না। কিন্তু পুলিশ বা নেসকো কেউ এই বিষয়টি নিয়ে কোনো তদন্তই করেনি।

সিসিটিভি ফুটেজে কোনো অস্বাভাবিক মোটরসাইকেলও দেখা যায়নি। অথচ ঘটনার পরে পুলিশ বলেছিলো অভিযুক্তরা ছাদে উঠে ইয়াবা সেবন করছিল। ছাদে ওঠার পথেই তো মাদক সেবনের উপযুক্ত জায়গা ছিল, তাহলে কেন একে একে চারজনকে খুন করা হলো, কোনো প্রতিবেশী টেরও পেল না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পুলিশ দিতে পারেনি।

এর চেয়েও ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের একজন ডোম জানিয়েছেন, নিহত দুই নারীর শরীরে শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই তথ্য যদি সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু খুন নয়, এটি ধর্ষণের পর হত্যা। আর সেটি ঘটেছে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের দুই নারীর সঙ্গে। যে ঘটনায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে, সেখানে পুলিশ প্রথমে বললো মাদকসেবনের জেরে খুন, পরে বললো জমি নিয়ে বিরোধ। কোনো সময়ই বলা হলো না যে নারীদের উপর যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছে কি না। প্রশ্ন হলো, কেন এই তথ্য গোপন রাখা হলো? কেন ময়নাতদন্তের এই অংশটি প্রকাশ করা হলো না? কারা এই তথ্য চেপে রাখার নির্দেশ দিলো?

এতগুলো অসংলগ্নতা সত্ত্বেও রংপুর মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ তাড়াহুড়া করে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু যে কারণে তিনি প্রথমে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, পরে নিজেই তা থেকে সরে গেছেন। এখন নতুন করে জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সিদ্ধার্থর পরিবারের সঙ্গে গণপতি চক্রবর্তীর জমি কেনাবেচা নিয়ে কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। বরং গণপতি চক্রবর্তীর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলা হয়নি, পেনশনের টাকাও পাওয়ার সুযোগ ছিল না। অর্থাৎ অর্থনৈতিক কারণেও খুনের তত্ত্বটি দাঁড়ায় না। তাহলে আসল কারণ কী? কেন একটি পুরো পরিবারকে এভাবে শেষ করে দেওয়া হলো? কেন নারীদের শরীরে শুক্রাণুর অস্তিত্ব পাওয়া গেল? কেন পুলিশ এই তথ্য গোপন রাখলো?

যে পরিবারটি সংখ্যালঘু, তাদের উপর এমন নৃশংস হামলা বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়কালে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্বিচার সহিংসতা, ঘরবাড়ি পোড়ানো, নারী নির্যাতন ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তখনো প্রশাসন অনেক ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এখন ২০২৬ সালে এসে আবার সেই চিত্র দেখা যাচ্ছে। রংপুরে এক শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন করা হলো, ধর্ষণের প্রমাণ মিললো, অথচ প্রশাসন বলছে মাদক, জমি, ডাকাতি।

প্রতিটি গল্প বদলানো হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। এটি শুধু একটি পরিবারের বিচার প্রার্থনার বিষয় নয়, এটি দেশের প্রতিটি সংখ্যালঘু নাগরিকের নিরাপত্তার প্রশ্ন। যারা মনে করে তাদের জীবনের কোনো মূল্য নেই, তারা এখন আরও আতঙ্কিত। প্রশাসনের এমন আচরণে বোঝা যায়, প্রকৃত দোষীদের বাঁচাতেই এই তৎপরতা। নয়তো ডোপ টেস্টে মাদক পাওয়া যায়নি বলে যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনো কী প্রমাণ রইলো? শুধু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি? সেই জবানবন্দিও কি চাপ দিয়ে আদায় করা হয়নি, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলার শুরুতে যে তাড়াহুড়া করেছে, তাতে বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়েছে। এই অবস্থায় গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের স্বজনদের মতো সাধারণ মানুষের মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক যে, প্রকৃত খুনিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর নির্দোষদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। রংপুরের এই চার খুনের বিচার যদি না হয় (মানে আদৌ যদি কখনো হয় আরকি!), তাহলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না।

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চারজনকে যেভাবে হত্যা করা হলো, তা কোনো সাধারণ খুনের ঘটনা নয়। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড, যেখানে একটি সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে তাদের নিজের বাসায় ঢুকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। অথচ এই ঘটনাকে প্রথমে মাদকসেবনের জের, পরে ডাকাতি, তারপর জমি সংক্রান্ত বিরোধ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে প্রশাসন।

সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ যে জবানবন্দি উপস্থাপন করেছিল, তার কোনো ভিত্তি এখন আর দাঁড়ায় না। ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে কোনো মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি, অথচ প্রথম দাবিই ছিল ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই খুন। এরপর বলা হলো জমি নিয়ে বিরোধ, আবার বলা হলো প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা। কোনো তত্ত্বই টেকেনি। পুলিশের তদন্তে অসংলগ্নতা এতটাই স্পষ্ট যে মনে হয় তারা ঘটনার প্রকৃত কারণ চাপা দেওয়ার জন্য বারবার গল্প বদলেছে।

গণপতি চক্রবর্তী যে মৃত্যুর আগে আতঙ্কে ছিলেন, তা তাঁর নিজের আত্মীয়স্বজন ও কাছের মানুষজন স্পষ্ট বলেছেন। শেষ দেড় মাস ধরে তিনি ঘর বন্ধ করে ঘুমাতেন, নিজের জীবননাশের আশঙ্কার কথা বলতেন। এরপরও যখন তাঁর পরিবারকে খুন করা হলো, তখন প্রশাসন বললো মাদকসেবী দুই তরুণের কাজ। অথচ যে দুই তরুণকে অভিযুক্ত করা হলো, তাদের শরীরে মাদকের চিহ্ন নেই।

পুলিশ এখন বলছে, আট দিন পরে পরীক্ষা করায় মাদক পাওয়া যায়নি, দুই তিন দিন আগে করলে পাওয়া যেত। কিন্তু ঘটনার পরেই তো পুলিশের হাতে তারা ছিল। কেন তখন ডোপ টেস্ট করা হলো না? কেন প্রথমে মাদকের জের বললো, পরে সেই গল্প ফেলে দিলো? কারণটা স্পষ্ট, ঘটনার প্রকৃত রূপটি ভিন্ন।

গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ পোল থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। সেদিন ওই নির্দিষ্ট ফিডারে লোডশেডিং ছিল মাত্র এক ঘণ্টা তেরো মিনিট। তারপরও পোল থেকে সংযোগ কেটে দেওয়া হয়। এই কাজটি কোনো মাদকসেবী তরুণের পক্ষে করা সম্ভব নয়। এটি করতে হলে জানতে হয় কোন লাইন কোন বাড়িতে যায়, কখন বিদ্যুৎ আসবে না, কতক্ষণ অন্ধকার থাকবে। এমন পরিকল্পনা একজন সাধারণ মানুষ করে না। কিন্তু পুলিশ বা নেসকো কেউ এই বিষয়টি নিয়ে কোনো তদন্তই করেনি।

সিসিটিভি ফুটেজে কোনো অস্বাভাবিক মোটরসাইকেলও দেখা যায়নি। অথচ ঘটনার পরে পুলিশ বলেছিলো অভিযুক্তরা ছাদে উঠে ইয়াবা সেবন করছিল। ছাদে ওঠার পথেই তো মাদক সেবনের উপযুক্ত জায়গা ছিল, তাহলে কেন একে একে চারজনকে খুন করা হলো, কোনো প্রতিবেশী টেরও পেল না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পুলিশ দিতে পারেনি।

এর চেয়েও ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গের একজন ডোম জানিয়েছেন, নিহত দুই নারীর শরীরে শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং তা সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই তথ্য যদি সত্য হয়, তাহলে এটি শুধু খুন নয়, এটি ধর্ষণের পর হত্যা। আর সেটি ঘটেছে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের দুই নারীর সঙ্গে। যে ঘটনায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে, সেখানে পুলিশ প্রথমে বললো মাদকসেবনের জেরে খুন, পরে বললো জমি নিয়ে বিরোধ। কোনো সময়ই বলা হলো না যে নারীদের উপর যৌন সহিংসতা চালানো হয়েছে কি না। প্রশ্ন হলো, কেন এই তথ্য গোপন রাখা হলো? কেন ময়নাতদন্তের এই অংশটি প্রকাশ করা হলো না? কারা এই তথ্য চেপে রাখার নির্দেশ দিলো?

এতগুলো অসংলগ্নতা সত্ত্বেও রংপুর মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ তাড়াহুড়া করে দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু যে কারণে তিনি প্রথমে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, পরে নিজেই তা থেকে সরে গেছেন। এখন নতুন করে জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু সিদ্ধার্থর পরিবারের সঙ্গে গণপতি চক্রবর্তীর জমি কেনাবেচা নিয়ে কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ ছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। বরং গণপতি চক্রবর্তীর প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলা হয়নি, পেনশনের টাকাও পাওয়ার সুযোগ ছিল না। অর্থাৎ অর্থনৈতিক কারণেও খুনের তত্ত্বটি দাঁড়ায় না। তাহলে আসল কারণ কী? কেন একটি পুরো পরিবারকে এভাবে শেষ করে দেওয়া হলো? কেন নারীদের শরীরে শুক্রাণুর অস্তিত্ব পাওয়া গেল? কেন পুলিশ এই তথ্য গোপন রাখলো?

যে পরিবারটি সংখ্যালঘু, তাদের উপর এমন নৃশংস হামলা বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়কালে দেশে সংখ্যালঘুদের উপর নির্বিচার সহিংসতা, ঘরবাড়ি পোড়ানো, নারী নির্যাতন ও মন্দির ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। তখনো প্রশাসন অনেক ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এখন ২০২৬ সালে এসে আবার সেই চিত্র দেখা যাচ্ছে। রংপুরে এক শিক্ষক পরিবারের চারজনকে খুন করা হলো, ধর্ষণের প্রমাণ মিললো, অথচ প্রশাসন বলছে মাদক, জমি, ডাকাতি।

প্রতিটি গল্প বদলানো হচ্ছে, কিন্তু প্রকৃত সত্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। এটি শুধু একটি পরিবারের বিচার প্রার্থনার বিষয় নয়, এটি দেশের প্রতিটি সংখ্যালঘু নাগরিকের নিরাপত্তার প্রশ্ন। যারা মনে করে তাদের জীবনের কোনো মূল্য নেই, তারা এখন আরও আতঙ্কিত। প্রশাসনের এমন আচরণে বোঝা যায়, প্রকৃত দোষীদের বাঁচাতেই এই তৎপরতা। নয়তো ডোপ টেস্টে মাদক পাওয়া যায়নি বলে যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনো কী প্রমাণ রইলো? শুধু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি? সেই জবানবন্দিও কি চাপ দিয়ে আদায় করা হয়নি, সেই প্রশ্নও উঠেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মামলার শুরুতে যে তাড়াহুড়া করেছে, তাতে বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা নষ্ট হয়েছে। এই অবস্থায় গণপতি চক্রবর্তীর পরিবারের স্বজনদের মতো সাধারণ মানুষের মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক যে, প্রকৃত খুনিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর নির্দোষদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। রংপুরের এই চার খুনের বিচার যদি না হয় (মানে আদৌ যদি কখনো হয় আরকি!), তাহলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ