বিএনপি সরকারের মানবাধিকার: হত্যা-ধর্ষণ-নির্যাতনে আতঙ্কের বাংলাদেশ!

হত্যা, ধর্ষণ, নারী-শিশু নির্যাতন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মব ও রাজনৈতিক সহিংসতা এবং কারাগারে মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় দেশের মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রথম সাত মাসের সরকারি ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্য নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে।

হত্যা-খুন: নিরাপত্তাহীনতার বড় সংকেত — জানুয়ারি–জুলাইয়ে ২ হাজার ৭৬টি হত্যা মামলা। ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৯৪৭টি—বৃদ্ধি ১২৯টি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে।

নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র: HRSS-এর জানুয়ারি–জুন হিসাবে ১ হাজার ৬২১ নারী ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার। ৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, এর মধ্যে ২৩৮ শিশু-কিশোরী। ৮৮ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এবং ১৭ জন ধর্ষণের পর নিহত। ASK-এর জানুয়ারি–জুলাই হিসাবে ৪০০ নারী ধর্ষণের শিকার, ৩৭ জন ধর্ষণের পর নিহত। পারিবারিক সহিংসতায় ৩২০ নারী নিহত, ২১১ আহত; যৌতুক সহিংসতায় ১৯ নারী নিহত।

শিশুরাও নিরাপদ নয়: বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতনের শিকার। ৩০৫ শিশু নিহত। শিশু নির্যাতনের এই চিত্র পরিবারগুলোর নিরাপত্তাবোধেও বড় আঘাত করছে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক: বিএনপির প্রথম ছয় মাসে ২৫৭টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা। ২৬১ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৪৪ জন নিহত। ৬২ উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট। ৪৭ বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। ১৫ উপাসনালয়ের জমি দখলের অভিযোগ। এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে।

মব সহিংসতা ও আইনের শাসনের সংকট: জানুয়ারি–জুলাইয়ে মব সহিংসতায় ১৩৪ জন নিহত। HRSS-এর হিসাবে প্রথম ছয় মাসে ২৬১টি মব সহিংসতার ঘটনা, নিহত ১৩৩, আহত ২৫৬। বিচারিক প্রক্রিয়ার বদলে জনতার হাতে শাস্তির প্রবণতা আইনের শাসনের জন্য বড় সতর্কসংকেত।

বিরোধী মত ও রাজনৈতিক অধিকার: জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৪০০ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা। নিহত ৭৭, আহত ২ হাজার ৯৭৪ জন। বিরোধী মত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘিরে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয়েছে। সাংবাদিক হয়রানি ও সাইবার আইনে মামলা-গ্রেপ্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

কারাগার ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু: ASK-এর হিসাবে জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৭১ জন কারাগারে মারা গেছেন। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এসব মৃত্যুর কারণ ও কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি রয়েছে।

সাধারণ মানুষের মনে বাড়ছে আতঙ্ক: হত্যা-মব সহিংসতার পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজনৈতিক সংঘাত ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ দুর্বল করছে।

নারী ও শিশু ঘরে কতটা নিরাপদ? সাধারণ মানুষ রাস্তায় কতটা নিরাপদ? সংখ্যালঘু পরিবার বাড়ি ও উপাসনালয়ে কতটা নিরাপদ?—এসব প্রশ্নই এখন জনমনে বড় হয়ে উঠছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন: প্রথম সাত মাসের চিত্র— ২ হাজার ৭৬ হত্যা মামলা; ৪০০ ধর্ষণ; ধর্ষণের পর ৩৭ মৃত্যু; মব সহিংসতায় ১৩৪ নিহত; রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৭ নিহত ও ২ হাজার ৯৭৪ আহত; কারাগারে ৭১ মৃত্যু।

এর সঙ্গে প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ নারী-কিশোরী নির্যাতন, ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতন ও ৩০৫ শিশু নিহত, এবং ২৫৭ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় ৪৪ মৃত্যু—সব মিলিয়ে নাগরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে।

জীবন, নিরাপত্তা, নারী-শিশুর সুরক্ষা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক অধিকার—এসব মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কতটা সফল, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

হত্যা, ধর্ষণ, নারী-শিশু নির্যাতন, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মব ও রাজনৈতিক সহিংসতা এবং কারাগারে মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় দেশের মানবাধিকার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রথম সাত মাসের সরকারি ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্য নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে।

হত্যা-খুন: নিরাপত্তাহীনতার বড় সংকেত — জানুয়ারি–জুলাইয়ে ২ হাজার ৭৬টি হত্যা মামলা। ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৯৪৭টি—বৃদ্ধি ১২৯টি। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে।

নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র: HRSS-এর জানুয়ারি–জুন হিসাবে ১ হাজার ৬২১ নারী ও কিশোরী নির্যাতনের শিকার। ৪০৪ জন ধর্ষণের শিকার, এর মধ্যে ২৩৮ শিশু-কিশোরী। ৮৮ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এবং ১৭ জন ধর্ষণের পর নিহত। ASK-এর জানুয়ারি–জুলাই হিসাবে ৪০০ নারী ধর্ষণের শিকার, ৩৭ জন ধর্ষণের পর নিহত। পারিবারিক সহিংসতায় ৩২০ নারী নিহত, ২১১ আহত; যৌতুক সহিংসতায় ১৯ নারী নিহত।

শিশুরাও নিরাপদ নয়: বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতনের শিকার। ৩০৫ শিশু নিহত। শিশু নির্যাতনের এই চিত্র পরিবারগুলোর নিরাপত্তাবোধেও বড় আঘাত করছে।

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্ক: বিএনপির প্রথম ছয় মাসে ২৫৭টি সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা। ২৬১ জন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৪৪ জন নিহত। ৬২ উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট। ৪৭ বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। ১৫ উপাসনালয়ের জমি দখলের অভিযোগ। এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক বাড়ছে।

মব সহিংসতা ও আইনের শাসনের সংকট: জানুয়ারি–জুলাইয়ে মব সহিংসতায় ১৩৪ জন নিহত। HRSS-এর হিসাবে প্রথম ছয় মাসে ২৬১টি মব সহিংসতার ঘটনা, নিহত ১৩৩, আহত ২৫৬। বিচারিক প্রক্রিয়ার বদলে জনতার হাতে শাস্তির প্রবণতা আইনের শাসনের জন্য বড় সতর্কসংকেত।

বিরোধী মত ও রাজনৈতিক অধিকার: জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৪০০ রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা। নিহত ৭৭, আহত ২ হাজার ৯৭৪ জন। বিরোধী মত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘিরে মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগের লক্ষাধিক নেতা-কর্মীকে মিথ্যা মামলায় আটক করা হয়েছে। সাংবাদিক হয়রানি ও সাইবার আইনে মামলা-গ্রেপ্তার নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

কারাগার ও নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যু: ASK-এর হিসাবে জানুয়ারি–জুলাইয়ে ৭১ জন কারাগারে মারা গেছেন। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। এসব মৃত্যুর কারণ ও কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি রয়েছে।

সাধারণ মানুষের মনে বাড়ছে আতঙ্ক: হত্যা-মব সহিংসতার পাশাপাশি ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। শিশু এবং সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজনৈতিক সংঘাত ও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধ দুর্বল করছে।

নারী ও শিশু ঘরে কতটা নিরাপদ? সাধারণ মানুষ রাস্তায় কতটা নিরাপদ? সংখ্যালঘু পরিবার বাড়ি ও উপাসনালয়ে কতটা নিরাপদ?—এসব প্রশ্নই এখন জনমনে বড় হয়ে উঠছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন: প্রথম সাত মাসের চিত্র— ২ হাজার ৭৬ হত্যা মামলা; ৪০০ ধর্ষণ; ধর্ষণের পর ৩৭ মৃত্যু; মব সহিংসতায় ১৩৪ নিহত; রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৭ নিহত ও ২ হাজার ৯৭৪ আহত; কারাগারে ৭১ মৃত্যু।

এর সঙ্গে প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ নারী-কিশোরী নির্যাতন, ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতন ও ৩০৫ শিশু নিহত, এবং ২৫৭ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় ৪৪ মৃত্যু—সব মিলিয়ে নাগরিক নিরাপত্তা ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে।

জীবন, নিরাপত্তা, নারী-শিশুর সুরক্ষা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক অধিকার—এসব মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কতটা সফল, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ