খোদ ব্যাংক লুটেরাই যখন নীতিনির্ধারক হয় তখন খেলাপিরা থাকে নিশ্চিন্তে আর আমানতকারীরা হয় দিশেহারা

২০২৬ সালের জুনে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়িয়ে গেছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। মোট ঋণের প্রায় ৩৩ শতাংশই এখন খেলাপি। অথচ মাত্র দুই বছর আগেও এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি। মানে গত দুই বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১৯০ শতাংশ। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে যত খেলাপি ঋণ জমেছিল, গত দুই বছরে তা প্রায় তিনগুণ হয়ে গেছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই নতুন খেলাপি বেড়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ঋণ পুনঃতফসিল, সুদ মওকুফ, ১৫ বছর মেয়াদি পুনর্গঠনের মতো ছাড় দিয়েও কিছু করতে পারেনি। ২০২৪ সালে ৮৫ হাজার কোটি আর ২০২৫ সালে ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বাছবিচার ছাড়াই পুনঃতফসিল করা হয়েছে। ফলাফল, খেলাপিরা আরও বেপরোয়া।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বারবার ছাড় দেওয়ার মানে হলো অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া। ইচ্ছাকৃত খেলাপিরা জানে কোনো শাস্তি হবে না, তাই ঋণ ফেরত দেওয়ার সংস্কৃতিই শেষ হয়ে গেছে। শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার পর তাদের ৮০ শতাংশ ঋণই খেলাপি। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রায় অর্ধেক ঋণ আটকে আছে। এটা ব্যবসায়িক ব্যর্থতা না, এটা সুপরিকল্পিত লুটপাট।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় ব্যাংক খাতে যে লুটপাটের সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, ২০২৬ সালে এসে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তখনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ব্যাংক থেকে টাকা বের করে নেওয়া হয়েছিল, এখনো তাই হচ্ছে। পার্থক্য শুধু একটাই, তখন সংখ্যাটা ছোট ছিল, এখন সংখ্যাটা এতটাই বড় যে পুরো অর্থনীতি ধসে পড়ার মুখে।

সরকারি ব্যাংকে বছরের পর বছর জনগণের করের টাকা ঢেলে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। দুর্বল ব্যাংকের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সুশাসন নেই, জবাবদিহি নেই। খেলাপিরা নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ সাধারণ মানুষের আমানত নিয়ে টানাটানি চলছে ব্যাংকে ব্যাংকে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস চলছে। খেলাপি ঋণের এই পাহাড় কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা না। এটা বিএনপি-জামাতের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ফসল। ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন না হলে, কাঠামোগত সংস্কার না হলে এই ধ্বংস ঠেকানো যাবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যারা নিজেরাই এই ব্যবস্থার অংশ, তাদের কাছে কি এসব সংস্কার আশা করা যায়?

২০২৬ সালের জুনে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছাড়িয়ে গেছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা। মোট ঋণের প্রায় ৩৩ শতাংশই এখন খেলাপি। অথচ মাত্র দুই বছর আগেও এই সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি। মানে গত দুই বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১৯০ শতাংশ। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে যত খেলাপি ঋণ জমেছিল, গত দুই বছরে তা প্রায় তিনগুণ হয়ে গেছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেই নতুন খেলাপি বেড়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ঋণ পুনঃতফসিল, সুদ মওকুফ, ১৫ বছর মেয়াদি পুনর্গঠনের মতো ছাড় দিয়েও কিছু করতে পারেনি। ২০২৪ সালে ৮৫ হাজার কোটি আর ২০২৫ সালে ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বাছবিচার ছাড়াই পুনঃতফসিল করা হয়েছে। ফলাফল, খেলাপিরা আরও বেপরোয়া।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বারবার ছাড় দেওয়ার মানে হলো অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া। ইচ্ছাকৃত খেলাপিরা জানে কোনো শাস্তি হবে না, তাই ঋণ ফেরত দেওয়ার সংস্কৃতিই শেষ হয়ে গেছে। শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার পর তাদের ৮০ শতাংশ ঋণই খেলাপি। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর প্রায় অর্ধেক ঋণ আটকে আছে। এটা ব্যবসায়িক ব্যর্থতা না, এটা সুপরিকল্পিত লুটপাট।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় ব্যাংক খাতে যে লুটপাটের সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, ২০২৬ সালে এসে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটছে। তখনো রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ব্যাংক থেকে টাকা বের করে নেওয়া হয়েছিল, এখনো তাই হচ্ছে। পার্থক্য শুধু একটাই, তখন সংখ্যাটা ছোট ছিল, এখন সংখ্যাটা এতটাই বড় যে পুরো অর্থনীতি ধসে পড়ার মুখে।

সরকারি ব্যাংকে বছরের পর বছর জনগণের করের টাকা ঢেলে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। দুর্বল ব্যাংকের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। সুশাসন নেই, জবাবদিহি নেই। খেলাপিরা নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ সাধারণ মানুষের আমানত নিয়ে টানাটানি চলছে ব্যাংকে ব্যাংকে।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস চলছে। খেলাপি ঋণের এই পাহাড় কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনা না। এটা বিএনপি-জামাতের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার ফসল। ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন না হলে, কাঠামোগত সংস্কার না হলে এই ধ্বংস ঠেকানো যাবে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যারা নিজেরাই এই ব্যবস্থার অংশ, তাদের কাছে কি এসব সংস্কার আশা করা যায়?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ