ব্যাংক লুটের নতুন ইতিহাস লিখলো বিএনপি-জামাত!

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বর খেলাপি ঋণের দেশ। ব্যাংক থেকে বের হওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৩৩ টাকাই ফেরত আসছে না। অথচ দায়িত্বে যারা, তাদের চোখে-মুখে কেবলই শুধু ক্ষমতার নেশা।

২০২৬ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। তিন মাসে বেড়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি। পুরো ব্যাংক খাত এখন অক্সিজেন ছাড়া রোগীর মতো তড়পাচ্ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনও খেলাপি ঋণ কমিয়ে তালিকা থেকে বের হয়ে গেছে। আর আমরা? আমরা উল্টো পথে হাঁটছি। ২০২৪ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি। দুই বছরে তা তিন গুণ। এত দ্রুত আগুন ছড়ায় না, যত দ্রুত ছড়িয়েছে এই মহামারি।

বিএনপি-জামাতের পুরনো চেনা চেহারা আবার প্রকট। ২০০১-০৬ মেয়াদের স্টাইলে ব্যাংক মানে নিজেদের পারিবারিক তহবিল, ঋণ মানে উপহার, খেলাপি মানে আড়াল। হিসাবগত কৌশল, পুনঃ তফসিল, বিশেষ ছাড়, বেনামি ঋণ, সব মিলিয়ে ব্যাংক খাতকে ময়দান বানিয়ে ফেলেছে।

প্রশ্ন একটাই, যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে ব্যাংক লুটেছেন, তারা কি কোনোদিন মুখ খুলবেন? নাকি আবারও সব দোষ চাপিয়ে দেবেন আগের সরকারের ঘাড়ে? অ্যাজ ইউজ্যাল?

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের এক নম্বর খেলাপি ঋণের দেশ। ব্যাংক থেকে বের হওয়া প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৩৩ টাকাই ফেরত আসছে না। অথচ দায়িত্বে যারা, তাদের চোখে-মুখে কেবলই শুধু ক্ষমতার নেশা।

২০২৬ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ ছাড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। তিন মাসে বেড়েছে প্রায় ১৮ হাজার কোটি। পুরো ব্যাংক খাত এখন অক্সিজেন ছাড়া রোগীর মতো তড়পাচ্ছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনও খেলাপি ঋণ কমিয়ে তালিকা থেকে বের হয়ে গেছে। আর আমরা? আমরা উল্টো পথে হাঁটছি। ২০২৪ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি। দুই বছরে তা তিন গুণ। এত দ্রুত আগুন ছড়ায় না, যত দ্রুত ছড়িয়েছে এই মহামারি।

বিএনপি-জামাতের পুরনো চেনা চেহারা আবার প্রকট। ২০০১-০৬ মেয়াদের স্টাইলে ব্যাংক মানে নিজেদের পারিবারিক তহবিল, ঋণ মানে উপহার, খেলাপি মানে আড়াল। হিসাবগত কৌশল, পুনঃ তফসিল, বিশেষ ছাড়, বেনামি ঋণ, সব মিলিয়ে ব্যাংক খাতকে ময়দান বানিয়ে ফেলেছে।

প্রশ্ন একটাই, যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে ব্যাংক লুটেছেন, তারা কি কোনোদিন মুখ খুলবেন? নাকি আবারও সব দোষ চাপিয়ে দেবেন আগের সরকারের ঘাড়ে? অ্যাজ ইউজ্যাল?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ