লাখ লাখ শিক্ষার্থী গেলো কোথায়?

একাদশে ভর্তি হয়েও পরীক্ষায় বসেনি প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী। সংখ্যাটা এত বড় যে চোখ এড়ানোর উপায় নেই, তবু এতদিন কারো টনক নড়েনি। কারিগরি বোর্ডে অর্ধেকের বেশি, মাদ্রাসায় প্রায় অর্ধেক, সাধারণ শিক্ষায় প্রতি তিনজনে একজন হারিয়ে গেছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন, আগে এই হার ছিল ১০-১৫ শতাংশ, এখন সেটা তিন-চার গুণ বেড়েছে। স্বীকারোক্তি আছে, কিন্তু জবাবদিহি নেই।

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ ভয়াবহ। ২০২৪ সালের জুলাই দাঙ্গার পর শিক্ষাঙ্গনে যে মব-সংস্কৃতি আর অস্থিরতা ঢুকেছে, তার মাশুল এখন দিচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা তটস্থ, ক্লাসরুমে কর্তৃত্ব নেই। মবের মুখে অটোপাসের নজির তৈরি হওয়ায় একটা প্রজন্ম শিখে গেছে, পড়াশোনা না করেও দাবি আদায় করে ফল বাগানো যায়। এই মানসিকতা শুধু শিখন-ক্ষতি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষকের কথায়ও একই সুর, দাঙ্গার পর অনেক শিক্ষার্থী আর নিয়মিত স্কুলে ফেরেনি, সংযোগ ভেঙে গেছে, টেস্ট পরীক্ষার সময় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ঝরে পড়েছে। অথচ রাষ্ট্রের হাতে থাকা হাতিয়ার, ব্যাক টু স্কুল কর্মসূচি, উপবৃত্তি, এসব যথেষ্ট জোরালো হয়নি।

মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক এখনও বেতনমুক্ত নয়, অথচ এসডিজি প্রতিশ্রুতি সেই কথাই বলে। কোচিং খরচ, ফরম ফির চাপ সইতে না পেরে দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা নীরবে ঝরে পড়ছে, আর নীতিনির্ধারকদের টেবিলে এটা এখনও জরুরি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠেনি। ব্যাপারটা জোশ না?

একাদশে ভর্তি হয়েও পরীক্ষায় বসেনি প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী। সংখ্যাটা এত বড় যে চোখ এড়ানোর উপায় নেই, তবু এতদিন কারো টনক নড়েনি। কারিগরি বোর্ডে অর্ধেকের বেশি, মাদ্রাসায় প্রায় অর্ধেক, সাধারণ শিক্ষায় প্রতি তিনজনে একজন হারিয়ে গেছে। শিক্ষামন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন, আগে এই হার ছিল ১০-১৫ শতাংশ, এখন সেটা তিন-চার গুণ বেড়েছে। স্বীকারোক্তি আছে, কিন্তু জবাবদিহি নেই।

শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ ভয়াবহ। ২০২৪ সালের জুলাই দাঙ্গার পর শিক্ষাঙ্গনে যে মব-সংস্কৃতি আর অস্থিরতা ঢুকেছে, তার মাশুল এখন দিচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকরা তটস্থ, ক্লাসরুমে কর্তৃত্ব নেই। মবের মুখে অটোপাসের নজির তৈরি হওয়ায় একটা প্রজন্ম শিখে গেছে, পড়াশোনা না করেও দাবি আদায় করে ফল বাগানো যায়। এই মানসিকতা শুধু শিখন-ক্ষতি নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষকের কথায়ও একই সুর, দাঙ্গার পর অনেক শিক্ষার্থী আর নিয়মিত স্কুলে ফেরেনি, সংযোগ ভেঙে গেছে, টেস্ট পরীক্ষার সময় আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ঝরে পড়েছে। অথচ রাষ্ট্রের হাতে থাকা হাতিয়ার, ব্যাক টু স্কুল কর্মসূচি, উপবৃত্তি, এসব যথেষ্ট জোরালো হয়নি।

মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক এখনও বেতনমুক্ত নয়, অথচ এসডিজি প্রতিশ্রুতি সেই কথাই বলে। কোচিং খরচ, ফরম ফির চাপ সইতে না পেরে দরিদ্র পরিবারের সন্তানরা নীরবে ঝরে পড়ছে, আর নীতিনির্ধারকদের টেবিলে এটা এখনও জরুরি আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠেনি। ব্যাপারটা জোশ না?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ