মসজিদ-মন্দির-কবরস্থান কিছুই বাদ যায়নি বিএনপি-জামাতের লুটপাট থেকে!

গাইবান্ধায় মসজিদ মেরামতের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ টাকার মধ্যে মসজিদ কমিটির হাতে পৌঁছেছে মোটে চল্লিশ হাজার। কবরস্থান সংস্কারের পুরো দুই লাখ টাকা কোথায় গেছে, সেটা খোদ কবরস্থান দেখাশোনাকারীরাই জানেন না, বরাদ্দ হওয়ার খবরও তাদের কানে যায়নি। আর সাড়ে পাঁচ টন গম বরাদ্দ পাওয়া একটা “রাস্তা সংস্কার” প্রকল্প খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল, ওই নামে কোনো রাস্তাই নেই, আছে কয়েকটা পরিবারের বাড়ির উঠান।

একজন প্রকল্প পরিচালক তো ফোনেই বলে দিলেন, পিআইও অফিসে প্রকল্প কেনাবেচা হয়, তিনি কিনে নিয়েছেন। এত নির্লজ্জ স্বীকারোক্তি! মসজিদ-মন্দির-কবরস্থানের নামে আসা টাকাও যাদের কাছে নিরাপদ না, তারাই চালাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন, আর সেই প্রশাসনের দায়িত্ব এখন বিএনপি সরকারের কাঁধে। পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের আমলে একজন পিআইও কর্মকর্তা প্রকাশ্যে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ক্যামেরার সামনে আসতেও রাজি হন না, উল্টো দায় চাপান অধস্তনের ঘাড়ে।

আর সংসদে বসা জামায়াতে ইসলামী, যারা নিজেদের ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দাবিদার, মসজিদ-মন্দির-কবরস্থানের বরাদ্দ লুট হওয়া নিয়ে তাদের থেকে একটা টু শব্দও শোনা যায়নি। তাদের এই নীরবতা স্বভাবতই প্রশ্ন জাগায়, ধর্ম ভিত্তিক দল হিসেবে তাদের কাছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

২০০১-০৬, সেই সময়ের শাসন নিয়ে মানুষ যা বলত, ২০২৬ সালে এসেও একই কান্ড দেখতে হচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে, শুধু সময় বদলেছে, লুটপাটের ধরন বদলায়নি।

গাইবান্ধায় মসজিদ মেরামতের জন্য বরাদ্দ দুই লাখ টাকার মধ্যে মসজিদ কমিটির হাতে পৌঁছেছে মোটে চল্লিশ হাজার। কবরস্থান সংস্কারের পুরো দুই লাখ টাকা কোথায় গেছে, সেটা খোদ কবরস্থান দেখাশোনাকারীরাই জানেন না, বরাদ্দ হওয়ার খবরও তাদের কানে যায়নি। আর সাড়ে পাঁচ টন গম বরাদ্দ পাওয়া একটা “রাস্তা সংস্কার” প্রকল্প খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল, ওই নামে কোনো রাস্তাই নেই, আছে কয়েকটা পরিবারের বাড়ির উঠান।

একজন প্রকল্প পরিচালক তো ফোনেই বলে দিলেন, পিআইও অফিসে প্রকল্প কেনাবেচা হয়, তিনি কিনে নিয়েছেন। এত নির্লজ্জ স্বীকারোক্তি! মসজিদ-মন্দির-কবরস্থানের নামে আসা টাকাও যাদের কাছে নিরাপদ না, তারাই চালাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন, আর সেই প্রশাসনের দায়িত্ব এখন বিএনপি সরকারের কাঁধে। পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের আমলে একজন পিআইও কর্মকর্তা প্রকাশ্যে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ক্যামেরার সামনে আসতেও রাজি হন না, উল্টো দায় চাপান অধস্তনের ঘাড়ে।

আর সংসদে বসা জামায়াতে ইসলামী, যারা নিজেদের ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দাবিদার, মসজিদ-মন্দির-কবরস্থানের বরাদ্দ লুট হওয়া নিয়ে তাদের থেকে একটা টু শব্দও শোনা যায়নি। তাদের এই নীরবতা স্বভাবতই প্রশ্ন জাগায়, ধর্ম ভিত্তিক দল হিসেবে তাদের কাছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

২০০১-০৬, সেই সময়ের শাসন নিয়ে মানুষ যা বলত, ২০২৬ সালে এসেও একই কান্ড দেখতে হচ্ছে। বোঝাই যাচ্ছে, শুধু সময় বদলেছে, লুটপাটের ধরন বদলায়নি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ