৫২% খুনি খালাস, খুন বেড়েছে ১২৯%, ৬ মাসে ৪৭ খুন, ১৮টি পরিবার নিশ্চিহ্ন

বাংলাদেশে গত ছয় মাসে ১৮টি ঘটনায় একই পরিবারের ৪৭ জন খুন হয়েছেন। রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবার শেষ হয়ে গেছে একরাতেই। লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়েছে এক যুবক, যে নিজেও গণপিটুনিতে মারা গেছে অথচ কেন খুন করল সেটা আজও কেউ জানে না।

সিলেটে নব্বই বছরের বৃদ্ধ, তাঁর স্ত্রী আর গৃহপরিচারিকাকে খুনের পর পুলিশ যে গল্প ফেঁদেছিলো, খোদ এলাকাবাসীই সেটা বিশ্বাস করে না। প্রতিশোধের রাজনীতি বাংলাদেশে নতুন কিছু না, কিন্তু যে হারে পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে সেটা এই বিএনপি-জামাতের অবৈধ দখলদার সরকারেরই শাসনামলেরই “স্বর্ণালি স্বাক্ষর”, সে তো বলাই বাহুল্য!

২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোটের আমলে খুন, গুম আর সন্ত্রাস রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেত। সেই জোটই ২০২৬ সালে আবার ক্ষমতায়। আর ফলাফল চোখের সামনে। হত্যা মামলার হিসাব বলছে এ বছরের প্রথম সাত মাসেই আগের বছরের চেয়ে ১২৯টি বেশি খুন হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র মুখে নিরাপত্তার কথা বলেন, কিন্তু পিবিআইয়ের নিজস্ব গবেষণা বলছে ৫২ শতাংশ হত্যা মামলায় আসামি খালাস পেয়ে যায়। অর্থাৎ খুন করলে শাস্তির ভয় নেই। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি মানুষকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে শেখাচ্ছে। মানিকগঞ্জে সাত বছরের শিশু খুনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা গেছে এক কিশোরের বাবা আর চাচা। এটাই এখন বাংলাদেশের ন্যায়বিচারের চেহারা।

প্রশ্নটা শুধু নিরাপত্তা নিয়ে না, প্রশ্নটা জবাবদিহিতা নিয়েও। যে তথাকথিত সরকারের আমলে মানুষ নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করেও নিরাপদ না, সেই সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। ১৮টি ঘটনার ১৪টিই ঘটেছে নিজের বাড়িতে। ঘর মানে শেষ আশ্রয়, সেটাও এখন খুনের মঞ্চ হয়ে গেছে। অথচ ক্ষমতাসীনদের কারও মুখে ক্ষোভ নেই, দায় স্বীকার নেই, শুধু পরিসংখ্যান ঘুরিয়ে কথা বলার চেষ্টা। এটাই ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের ছায়া আবার ঘনিয়ে এসেছে।

বাংলাদেশে গত ছয় মাসে ১৮টি ঘটনায় একই পরিবারের ৪৭ জন খুন হয়েছেন। রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর পুরো পরিবার শেষ হয়ে গেছে একরাতেই। লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়েছে এক যুবক, যে নিজেও গণপিটুনিতে মারা গেছে অথচ কেন খুন করল সেটা আজও কেউ জানে না।

সিলেটে নব্বই বছরের বৃদ্ধ, তাঁর স্ত্রী আর গৃহপরিচারিকাকে খুনের পর পুলিশ যে গল্প ফেঁদেছিলো, খোদ এলাকাবাসীই সেটা বিশ্বাস করে না। প্রতিশোধের রাজনীতি বাংলাদেশে নতুন কিছু না, কিন্তু যে হারে পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে সেটা এই বিএনপি-জামাতের অবৈধ দখলদার সরকারেরই শাসনামলেরই “স্বর্ণালি স্বাক্ষর”, সে তো বলাই বাহুল্য!

২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোটের আমলে খুন, গুম আর সন্ত্রাস রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেত। সেই জোটই ২০২৬ সালে আবার ক্ষমতায়। আর ফলাফল চোখের সামনে। হত্যা মামলার হিসাব বলছে এ বছরের প্রথম সাত মাসেই আগের বছরের চেয়ে ১২৯টি বেশি খুন হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র মুখে নিরাপত্তার কথা বলেন, কিন্তু পিবিআইয়ের নিজস্ব গবেষণা বলছে ৫২ শতাংশ হত্যা মামলায় আসামি খালাস পেয়ে যায়। অর্থাৎ খুন করলে শাস্তির ভয় নেই। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি মানুষকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে শেখাচ্ছে। মানিকগঞ্জে সাত বছরের শিশু খুনের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা গেছে এক কিশোরের বাবা আর চাচা। এটাই এখন বাংলাদেশের ন্যায়বিচারের চেহারা।

প্রশ্নটা শুধু নিরাপত্তা নিয়ে না, প্রশ্নটা জবাবদিহিতা নিয়েও। যে তথাকথিত সরকারের আমলে মানুষ নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করেও নিরাপদ না, সেই সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই। ১৮টি ঘটনার ১৪টিই ঘটেছে নিজের বাড়িতে। ঘর মানে শেষ আশ্রয়, সেটাও এখন খুনের মঞ্চ হয়ে গেছে। অথচ ক্ষমতাসীনদের কারও মুখে ক্ষোভ নেই, দায় স্বীকার নেই, শুধু পরিসংখ্যান ঘুরিয়ে কথা বলার চেষ্টা। এটাই ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, যেখানে ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের ছায়া আবার ঘনিয়ে এসেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ