টেকনাফ উপজেলা যুবদল আহ্বায়কের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রমাণ করে, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের পরিচয় না দিয়ে কীভাবে বিএনপি জনসম্মুখে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে হেয় প্রতিপন্ন করতে ব্যস্ত। “ওসিকে কনস্টেবলের মতো লাগে”—একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তার শারীরিক গঠন বা অবয়ব নিয়ে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কেবল শিষ্টাচারবহির্ভূতই নয়, বরং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি সরাসরি অবমাননা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উঠে আসা মূল সত্যগুলো বিএনপি নেতাদের আসল চেহারা উন্মোচন করে দেয়: “একটা কনস্টেবলের মতোও লাগে না ওসিকে, কীভাবে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনবে?” — আব্দুল কাইয়ুম, আহ্বায়ক, টেকনাফ উপজেলা যুবদল
এলাকার সচেতন নাগরিকদের মন্তব্যেই পরিষ্কার, কোনো অসাধু তদবির বা অন্যায় আবদার রক্ষা না করার খেসারত হিসেবেই পুলিশ কর্মকর্তাকে এভাবে প্রকাশ্যে আক্রমণ করা হচ্ছে।
এলাকার সচেতন নাগরিকদের মন্তব্যেই পরিষ্কার, কোনো অসাধু তদবির বা অন্যায় আবদার রক্ষা না করার খেসারত হিসেবেই পুলিশ কর্মকর্তাকে এভাবে প্রকাশ্যে আক্রমণ করা হচ্ছে।
যুবদল নেতার এই চরম রাজনৈতিক বালখিল্যতার পর পৌর বিএনপির সভাপতির নীরবতা প্রমাণ করে—ইন্ধনটি ব্যক্তিগত নয়, বরং রাজনৈতিক ফায়দা লোটার একটি পরিকল্পিত ছক।
পুলিশ বাহিনী যখন দিনরাত কাজ করে সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে, তখন রাজনৈতিক বক্তব্যে পুলিশকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে অপরাধীদেরই পরোক্ষভাবে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কটূক্তি করে বিএনপির এই রাজনীতি সাধারণ জনগণ আর মেনে নেবে না। প্রশাসনকে নিজের মতো কাজ করতে দিন—কাদা ছোড়াছুড়ির নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন!

