সালাহউদ্দিন আম্মার, ছাত্র নয় সন্ত্রাসী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও রাকসু সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবারই জানা। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে আম্মার আলোচনায় আসে। কিন্তু নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা হত্যার ঘটনা এতদিন ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল বিএনপি-জামায়াত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া। কিন্তু এলাকাবাসী ঠিকই জানে আম্মারের কুকর্মের কথা।

রাবি’র সন্ত্রাসী আম্মারের বাড়ি কয়রা উপজেলায়। ৫ আগস্ট কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম মোহসিন রেজাকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখ সারাদেশের অরাজক পরিস্থিতির কারণে সত্যা সামনে না আসলেও সালাহউদ্দিন আম্মারের সন্ত্রাসবাদী কীর্তিকলাপের কারণে সত্য চাপা থাকেনি।

ওইদিন মোহসিন রেজার বাড়িতে ঢুকে তারই লাইসেন্সকৃত বন্দুক দিয়ে তাকে গুলি করে আম্মার। কিন্তু তাতেও মোহসিন রেজা বেঁচে ছিলেন। এরপরই তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে এবং হত্যাকান্ডের আলামত নষ্ট করতে সেই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। মোহসিন রেজা গুলিবিদ্ধ হয়ে আগুনে পুড়ে মারা যান।

হত্যার পর সালাহউদ্দিন আম্মার বুক ফুলিয়ে এলাকার বাজারে যান এবং মোহসিন রেজার বন্দুক হাতে একটি ছবিও তোলেন।
এই হলো তথাকথিত ‘মেধাবী’ নামধারী মনুষ্যত্বহীন শিবিরের সন্ত্রাসীদের আসল চেহারা। এদের কাছে প্রতিটি মানুষ জবাইযোগ্য পশু ছাড়া আর কিছু নয়। যারা বুঝে বা না বুঝে এই সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায়ন করেছে, তাদের প্রতি আমাদের করুণা। দেশের এই অরাজক পরিস্থিতির জন্য আপনারাও সমানভাবে দায়ী।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও রাকসু সংসদের সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সবারই জানা। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদকে পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে আম্মার আলোচনায় আসে। কিন্তু নিজ এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা হত্যার ঘটনা এতদিন ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল বিএনপি-জামায়াত নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া। কিন্তু এলাকাবাসী ঠিকই জানে আম্মারের কুকর্মের কথা।

রাবি’র সন্ত্রাসী আম্মারের বাড়ি কয়রা উপজেলায়। ৫ আগস্ট কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম মোহসিন রেজাকে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তখ সারাদেশের অরাজক পরিস্থিতির কারণে সত্যা সামনে না আসলেও সালাহউদ্দিন আম্মারের সন্ত্রাসবাদী কীর্তিকলাপের কারণে সত্য চাপা থাকেনি।

ওইদিন মোহসিন রেজার বাড়িতে ঢুকে তারই লাইসেন্সকৃত বন্দুক দিয়ে তাকে গুলি করে আম্মার। কিন্তু তাতেও মোহসিন রেজা বেঁচে ছিলেন। এরপরই তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে এবং হত্যাকান্ডের আলামত নষ্ট করতে সেই বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। মোহসিন রেজা গুলিবিদ্ধ হয়ে আগুনে পুড়ে মারা যান।

হত্যার পর সালাহউদ্দিন আম্মার বুক ফুলিয়ে এলাকার বাজারে যান এবং মোহসিন রেজার বন্দুক হাতে একটি ছবিও তোলেন।
এই হলো তথাকথিত ‘মেধাবী’ নামধারী মনুষ্যত্বহীন শিবিরের সন্ত্রাসীদের আসল চেহারা। এদের কাছে প্রতিটি মানুষ জবাইযোগ্য পশু ছাড়া আর কিছু নয়। যারা বুঝে বা না বুঝে এই সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায়ন করেছে, তাদের প্রতি আমাদের করুণা। দেশের এই অরাজক পরিস্থিতির জন্য আপনারাও সমানভাবে দায়ী।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ