সংসদে বাঁধন ইস্যুতে যে প্রতিবাদ উঠেছে সেটা দেখে হাসি পাচ্ছে। দেশের মানুষ যেখানে বিদ্যুৎ গ্যাস সার ভ্যাকসিন কিছুই পাচ্ছে না সেখানে সংসদে বসে ফিল্ম আর্টিস্টের জন্য টিয়ার শেডিং চলছে। অথচ গণহত্যা, মবক্র্যাসি, হাজারো মানুষ খুন, কারখানা বন্ধ, লক্ষ লক্ষ বেকার এসব নিয়ে সংসদে একদিনের জন্যও জবাবদিহি চাননি স্পিকার।
বাঁধনকে নিয়ে স্পিকারের এই হঠাৎ মানবতা জাগরণের পেছনে আসল কারণটা পরিষ্কার। হিন্দু হত্যার বিচার নেই, লংমার্চ ফ্লপ, পার্বত্য চট্টগ্রাম হাতছাড়া, ডেঙ্গুতে মৃত্যুর মিছিল, গ্যাস বিদ্যুৎ সারের চরম সংকট, বিমান কেনার দুর্নীতি, জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন আতঙ্ক সব মিলিয়ে সরকারের চাপ সামলাতে একটা ডাইভারশন দরকার ছিল। বাঁধন স্টোরি সেটাই দিল।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো যারা আজ বাঁধনের জন্য কাঁদছেন তারাই ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত সারা দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন, বোমাবাজি আর জঙ্গি উত্থান দেখেও চোখ বন্ধ রেখেছিলেন। তখন তো সংসদে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে কেউ প্রতিবাদ করেননি।
জনগণ বুঝে গেছে এটা আরেকটা চটকদার ডাইভারশন। বাঁধন ইস্যু যতদিন চলবে ততদিন আসল প্রশ্নগুলো চাপা থাকবে। কিন্তু রান্নাঘরের চুলা তো আর নাটক দেখে জ্বলবে না!

