ধর্মীয় সংখ্যালঘু গণপতি পরিবার বাঁচতে চেয়েছিল, প্রশাসন বাঁচতে দেয়নি, এখন সত্য বাঁচবে কি?

রংপুরের মাছুয়াপাড়ার বাড়িটায় ঢুকলে এখনো যেন চারটে প্রাণের নিঃশ্বাস বাতাসে ভাসে। গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী আর ছেলে প্রিয়ম। এক রাতে চারজনকে শেষ করে দেওয়া হলো। খুনের পর প্রথম যে গল্পটা শোনানো হলো, সেটা ছিল ইয়াবা সেবন নিয়ে ঝগড়া, তারপর খুন। সাধারণ মানুষও ভাবল, আচ্ছা, মাদকাসক্তদের বর্বরতা। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, এই গল্প তত ফিকে হয়ে আসছে। কারণ এবার সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যাতে পুলিশের পুরো তত্ত্বই ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায়।

আটক আসামিদের ডোপ টেস্টে কোনো মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সিদ্ধার্থ দাস আর মুগ্ধ দাস, যাদের ঘিরে ইয়াবা তত্ত্ব সাজানো হয়েছিল, তাদের শরীরে মাদকের কোনো চিহ্নই নেই। তাহলে যে গল্প বলা হচ্ছিল, সেটা আসলে কী? ডোপ টেস্টে মাদক না পাওয়া মানে এই নয় যে ওরা খুন করেনি, কিন্তু ইয়াবাকে কেন্দ্র করে হত্যার যে তাৎক্ষণিক কারণ দেখানো হচ্ছিল, সেটার ভিতটাই এখন প্রশ্নের মুখে। প্রমাণ ছাড়া ইয়াবা তত্ত্ব এখন কেবলই একটি বানানো গল্প, যা দিয়ে প্রকৃত ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে পরিবারটির ওপর আগে থেকেই চাপ ছিল। আগামী চক্রবর্তীকে হুমকি দিচ্ছিল মেরিল সুমন, পারভেজ, পাভেল, মোমিন মিয়া ও আবু হুমায়রারা। এই তালিকায় জামায়াত নেতা মাহবুবুর রহমানের ছেলে আশফাক সিফাতের নামও এসেছে। আগামী তার বন্ধু প্রথা মণ্ডলকে জানিয়েছিল, পুলিশের সহায়তা নেওয়ার কথা ভাবছিল। অর্থাৎ হুমকির বিষয়টা একেবারে অজানা ছিল না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পুলিশ কি তখন কিছু করেছিল? নাকি শুধু কথার কথা শুনে এড়িয়ে গিয়েছিল? আর এখানেই আসে সেই রহস্যময়ী নাম, ইভা রহমান। চক্রবর্তী পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, প্রিয়মের গৃহশিক্ষিকা, যাকে ঘিরে এখন জমাট বেঁধে আছে সবচেয়ে বেশি রহস্যের কুয়াশা।

ইভা রহমান এবং প্রীতিলতা চক্রবর্তী গোয়েন্দা কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বিষয়টি পরে পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদের কানে পৌঁছায়। ইভা রহমানের সঙ্গে আব্দুল মাবুদের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। পরিবারটি আগে থেকে হুমকির কথা পুলিশকে জানিয়েও কোনো কার্যকর নিরাপত্তা পেল না কেন? হত্যার আগে ইভা রহমান, পুলিশ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কী যোগাযোগ হয়েছিল, তা কি কেউ খতিয়ে দেখছে? নাকি দেখার ভান করেও চোখ বন্ধ রাখা হচ্ছে?

২২ আগস্টের পর থেকে ইভা রহমান কোথায়, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন হয়ে ঝুলে আছে। যে মানুষটা পরিবারের এত ঘনিষ্ঠ ছিল, সেই মানুষটার অবস্থান নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা নেই। অথচ তদন্তে এই ইভা রহমানই কি কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠছেন? নাকি উঠতে দেওয়া হচ্ছে না?

শুধু ইভা রহমান নয়, চাঁদাবাজির অভিযোগে উঠে এসেছে স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্বের নাম। গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি সংশ্লিষ্টরা জড়িত বলে আলোচনা রয়েছে। রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামুর প্রভাব ও চাপের অভিযোগও সামনে এসেছে। আবার ধীমান ঠাকুর ও তার ছেলে প্রাণ ভট্টাচার্য পরাণ, যারা স্থানীয়ভাবে সামুর লোক বলে পরিচিত, তাদের বিরুদ্ধেও অর্থ দাবির অভিযোগ আছে। আগামীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঘটনাও বিরোধের আরেক সূত্র হিসেবে আলোচনায় এসেছে। অর্থাৎ চক্রবর্তী পরিবারকে ঘিরে হুমকি ছিল, রাজনৈতিক চাপ ছিল, চাঁদাবাজি ছিল, ব্যক্তিগত বিরোধও ছিল। কিন্তু তার পরেও পুলিশ কিছু করেনি। এত অভিযোগের মধ্যেও পরিবারটাকে একা ফেলে রাখা হলো কেন? এটাই এখন সবচেয়ে ভয়ংকর প্রশ্ন।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসঙ্গতির শেষ নেই। হত্যার সময় নিয়ে একেক সময় একেক বয়ান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা, ঘটনাস্থলে পানি পড়ে আলামত নষ্ট হওয়ার অভিযোগ। ফোনের তথ্য, সিসিটিভি, মোবাইল লোকেশন, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, ময়নাতদন্ত এই সব বৈজ্ঞানিক তথ্য কি পুলিশের বলা ঘটনাক্রমের সঙ্গে মেলে? নাকি মিলিয়ে বলা হচ্ছে না? স্বাধীন তদন্ত না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে না।

আর সবশেষে সেই প্রশ্ন, যা কেউ উচ্চারণ করতে চায় না। একটি সংখ্যালঘু পরিবারের চার সদস্যকে একই বাড়িতে হত্যা, তার আগে হুমকি, রাজনৈতিক চাপ, চাঁদাবাজির অভিযোগ, আর তার পরে পুলিশি বয়ানে অসঙ্গতি। এই পুরো চিত্রটা কি শুধুই বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা? নাকি এর পেছনে পরিকল্পিত কোনো ছক আছে? জঙ্গি বা সংগঠিত কোনো গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা কি তদন্তে খতিয়ে দেখা হয়েছে? নাকি শুরুতেই সেই সম্ভাবনা বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে আসল সূত্রে কেউ পৌঁছাতে না পারে?

রংপুরের চার খুন এখন আর শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়। এটা হয়ে উঠেছে পুলিশের দায়িত্বহীনতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার এক জীবন্ত দলিল। যে তদন্তে একটি বয়ানকেই সত্য ধরে নেওয়া হয়, যে তদন্তে ডোপ টেস্টের ফলাফল উপেক্ষা করে ইয়াবা গল্প বানানো হয়, যে তদন্তে ইভা রহমানের মতো চরিত্রের অবস্থান নিয়ে কোনো স্বচ্ছতা নেই, সেই তদন্ত থেকে সত্য বের হওয়া সম্ভব নয়।

চারটি প্রাণের সত্য অনুমানে নয়, প্রমাণেই বের হতে হবে। কিন্তু সেই প্রমাণের পথে দাঁড়িয়ে আছে কারা? কারা চায় না এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসুক? যত দিন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না মিলছে, তত দিন রংপুরের মাছুয়াপাড়ার সেই বাড়িটার নীরবতা আরও ভারী হয়ে উঠবে। আর সেই নীরবতা ভাঙার দায়িত্ব এখন তদন্তকারীদেরই, কিন্তু তাঁরা কি আদৌ ভাঙতে চান?

রংপুরের মাছুয়াপাড়ার বাড়িটায় ঢুকলে এখনো যেন চারটে প্রাণের নিঃশ্বাস বাতাসে ভাসে। গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে আগামী আর ছেলে প্রিয়ম। এক রাতে চারজনকে শেষ করে দেওয়া হলো। খুনের পর প্রথম যে গল্পটা শোনানো হলো, সেটা ছিল ইয়াবা সেবন নিয়ে ঝগড়া, তারপর খুন। সাধারণ মানুষও ভাবল, আচ্ছা, মাদকাসক্তদের বর্বরতা। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, এই গল্প তত ফিকে হয়ে আসছে। কারণ এবার সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যাতে পুলিশের পুরো তত্ত্বই ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায়।

আটক আসামিদের ডোপ টেস্টে কোনো মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। সিদ্ধার্থ দাস আর মুগ্ধ দাস, যাদের ঘিরে ইয়াবা তত্ত্ব সাজানো হয়েছিল, তাদের শরীরে মাদকের কোনো চিহ্নই নেই। তাহলে যে গল্প বলা হচ্ছিল, সেটা আসলে কী? ডোপ টেস্টে মাদক না পাওয়া মানে এই নয় যে ওরা খুন করেনি, কিন্তু ইয়াবাকে কেন্দ্র করে হত্যার যে তাৎক্ষণিক কারণ দেখানো হচ্ছিল, সেটার ভিতটাই এখন প্রশ্নের মুখে। প্রমাণ ছাড়া ইয়াবা তত্ত্ব এখন কেবলই একটি বানানো গল্প, যা দিয়ে প্রকৃত ঘটনা চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে পরিবারটির ওপর আগে থেকেই চাপ ছিল। আগামী চক্রবর্তীকে হুমকি দিচ্ছিল মেরিল সুমন, পারভেজ, পাভেল, মোমিন মিয়া ও আবু হুমায়রারা। এই তালিকায় জামায়াত নেতা মাহবুবুর রহমানের ছেলে আশফাক সিফাতের নামও এসেছে। আগামী তার বন্ধু প্রথা মণ্ডলকে জানিয়েছিল, পুলিশের সহায়তা নেওয়ার কথা ভাবছিল। অর্থাৎ হুমকির বিষয়টা একেবারে অজানা ছিল না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পুলিশ কি তখন কিছু করেছিল? নাকি শুধু কথার কথা শুনে এড়িয়ে গিয়েছিল? আর এখানেই আসে সেই রহস্যময়ী নাম, ইভা রহমান। চক্রবর্তী পরিবারের ঘনিষ্ঠজন, প্রিয়মের গৃহশিক্ষিকা, যাকে ঘিরে এখন জমাট বেঁধে আছে সবচেয়ে বেশি রহস্যের কুয়াশা।

ইভা রহমান এবং প্রীতিলতা চক্রবর্তী গোয়েন্দা কর্মকর্তা সনাতন চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বিষয়টি পরে পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদের কানে পৌঁছায়। ইভা রহমানের সঙ্গে আব্দুল মাবুদের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। পরিবারটি আগে থেকে হুমকির কথা পুলিশকে জানিয়েও কোনো কার্যকর নিরাপত্তা পেল না কেন? হত্যার আগে ইভা রহমান, পুলিশ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে কী যোগাযোগ হয়েছিল, তা কি কেউ খতিয়ে দেখছে? নাকি দেখার ভান করেও চোখ বন্ধ রাখা হচ্ছে?

২২ আগস্টের পর থেকে ইভা রহমান কোথায়, সেটাও একটা বড় প্রশ্ন হয়ে ঝুলে আছে। যে মানুষটা পরিবারের এত ঘনিষ্ঠ ছিল, সেই মানুষটার অবস্থান নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা নেই। অথচ তদন্তে এই ইভা রহমানই কি কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে উঠছেন? নাকি উঠতে দেওয়া হচ্ছে না?

শুধু ইভা রহমান নয়, চাঁদাবাজির অভিযোগে উঠে এসেছে স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্বের নাম। গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবির অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি সংশ্লিষ্টরা জড়িত বলে আলোচনা রয়েছে। রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামুর প্রভাব ও চাপের অভিযোগও সামনে এসেছে। আবার ধীমান ঠাকুর ও তার ছেলে প্রাণ ভট্টাচার্য পরাণ, যারা স্থানীয়ভাবে সামুর লোক বলে পরিচিত, তাদের বিরুদ্ধেও অর্থ দাবির অভিযোগ আছে। আগামীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার ঘটনাও বিরোধের আরেক সূত্র হিসেবে আলোচনায় এসেছে। অর্থাৎ চক্রবর্তী পরিবারকে ঘিরে হুমকি ছিল, রাজনৈতিক চাপ ছিল, চাঁদাবাজি ছিল, ব্যক্তিগত বিরোধও ছিল। কিন্তু তার পরেও পুলিশ কিছু করেনি। এত অভিযোগের মধ্যেও পরিবারটাকে একা ফেলে রাখা হলো কেন? এটাই এখন সবচেয়ে ভয়ংকর প্রশ্ন।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসঙ্গতির শেষ নেই। হত্যার সময় নিয়ে একেক সময় একেক বয়ান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা, ঘটনাস্থলে পানি পড়ে আলামত নষ্ট হওয়ার অভিযোগ। ফোনের তথ্য, সিসিটিভি, মোবাইল লোকেশন, ডিএনএ, আঙুলের ছাপ, ময়নাতদন্ত এই সব বৈজ্ঞানিক তথ্য কি পুলিশের বলা ঘটনাক্রমের সঙ্গে মেলে? নাকি মিলিয়ে বলা হচ্ছে না? স্বাধীন তদন্ত না হলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর মিলবে না।

আর সবশেষে সেই প্রশ্ন, যা কেউ উচ্চারণ করতে চায় না। একটি সংখ্যালঘু পরিবারের চার সদস্যকে একই বাড়িতে হত্যা, তার আগে হুমকি, রাজনৈতিক চাপ, চাঁদাবাজির অভিযোগ, আর তার পরে পুলিশি বয়ানে অসঙ্গতি। এই পুরো চিত্রটা কি শুধুই বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা? নাকি এর পেছনে পরিকল্পিত কোনো ছক আছে? জঙ্গি বা সংগঠিত কোনো গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা কি তদন্তে খতিয়ে দেখা হয়েছে? নাকি শুরুতেই সেই সম্ভাবনা বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে আসল সূত্রে কেউ পৌঁছাতে না পারে?

রংপুরের চার খুন এখন আর শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়। এটা হয়ে উঠেছে পুলিশের দায়িত্বহীনতা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তাহীনতার এক জীবন্ত দলিল। যে তদন্তে একটি বয়ানকেই সত্য ধরে নেওয়া হয়, যে তদন্তে ডোপ টেস্টের ফলাফল উপেক্ষা করে ইয়াবা গল্প বানানো হয়, যে তদন্তে ইভা রহমানের মতো চরিত্রের অবস্থান নিয়ে কোনো স্বচ্ছতা নেই, সেই তদন্ত থেকে সত্য বের হওয়া সম্ভব নয়।

চারটি প্রাণের সত্য অনুমানে নয়, প্রমাণেই বের হতে হবে। কিন্তু সেই প্রমাণের পথে দাঁড়িয়ে আছে কারা? কারা চায় না এই হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য বেরিয়ে আসুক? যত দিন এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না মিলছে, তত দিন রংপুরের মাছুয়াপাড়ার সেই বাড়িটার নীরবতা আরও ভারী হয়ে উঠবে। আর সেই নীরবতা ভাঙার দায়িত্ব এখন তদন্তকারীদেরই, কিন্তু তাঁরা কি আদৌ ভাঙতে চান?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ