তদন্ত কমিটি বসলো শাড়ির জন্য, ব্লেডের জন্য বসলো না কেন?

বিউটি রাণী পাল নামের একজন শিক্ষিকা শাড়ি পরে হাঁটলেন, ব্যস, রাষ্ট্রের কাছে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট। অথচ বরিশালের একটা স্কুলের বনরুটির ভেতর ব্লেড পাওয়া গেলো, একটা বাচ্চা মরতে মরতে বেঁচে গেলো, সেটা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই।

এই যে অগ্রাধিকারের অদলবদল, এটাই তো আসল রোগ এই অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকারের। বিএনপি ক্ষমতায় এসে কয়েক মাস পার হতে না হতেই বোঝা যাচ্ছে, রাষ্ট্রযন্ত্র আসলে কাদের চোখ দিয়ে দুনিয়া দেখে। একজন নারীর হাসি, তার শাড়ি, তার রিলস, এসব নিয়ে তদন্ত কমিটি বসাতে যত উৎসাহ, শিশুদের খাবারে ব্লেড মেশানো লোক খুঁজে বের করতে তার সিকিভাগও নেই।

সংসদে দ্বিতীয় শক্তি জামায়াতে ইসলামী তো তাদের জন্ম থেকেই একই সুরে গান গায়। নারীর স্বাভাবিক প্রকাশকে অপরাধ বানানো, ব্যক্তিগত জীবনে মোরাল পুলিশিং চালানো, এই রাজনীতি তাদের কাছে নতুন কিছু না। ২০০১-০৬ সালে যা দেখেছিলাম, নারীবিদ্বেষ, ধর্মকে ঢাল বানিয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া, সেই চিত্রনাট্যই যেন আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে ২০২৬ সালে।

শিক্ষা প্রশাসনে বসে যারা এই তদন্ত কমিটি গঠন করলেন, তারা আসলে কার নির্দেশে চলেন? প্রশ্নটা তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি। কারণ একটা রাষ্ট্র যখন একজন নারীর শাড়ি নিয়ে ব্যস্ত থাকে আর শিশুর জীবন নিয়ে উদাসীন থাকে, তখন বুঝতে হয় শাসনটা আসলে কাদের স্বার্থে চলছে!

বিউটি রাণী পাল নামের একজন শিক্ষিকা শাড়ি পরে হাঁটলেন, ব্যস, রাষ্ট্রের কাছে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট। অথচ বরিশালের একটা স্কুলের বনরুটির ভেতর ব্লেড পাওয়া গেলো, একটা বাচ্চা মরতে মরতে বেঁচে গেলো, সেটা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই।

এই যে অগ্রাধিকারের অদলবদল, এটাই তো আসল রোগ এই অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকারের। বিএনপি ক্ষমতায় এসে কয়েক মাস পার হতে না হতেই বোঝা যাচ্ছে, রাষ্ট্রযন্ত্র আসলে কাদের চোখ দিয়ে দুনিয়া দেখে। একজন নারীর হাসি, তার শাড়ি, তার রিলস, এসব নিয়ে তদন্ত কমিটি বসাতে যত উৎসাহ, শিশুদের খাবারে ব্লেড মেশানো লোক খুঁজে বের করতে তার সিকিভাগও নেই।

সংসদে দ্বিতীয় শক্তি জামায়াতে ইসলামী তো তাদের জন্ম থেকেই একই সুরে গান গায়। নারীর স্বাভাবিক প্রকাশকে অপরাধ বানানো, ব্যক্তিগত জীবনে মোরাল পুলিশিং চালানো, এই রাজনীতি তাদের কাছে নতুন কিছু না। ২০০১-০৬ সালে যা দেখেছিলাম, নারীবিদ্বেষ, ধর্মকে ঢাল বানিয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া, সেই চিত্রনাট্যই যেন আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে ২০২৬ সালে।

শিক্ষা প্রশাসনে বসে যারা এই তদন্ত কমিটি গঠন করলেন, তারা আসলে কার নির্দেশে চলেন? প্রশ্নটা তোলাই এখন সবচেয়ে জরুরি। কারণ একটা রাষ্ট্র যখন একজন নারীর শাড়ি নিয়ে ব্যস্ত থাকে আর শিশুর জীবন নিয়ে উদাসীন থাকে, তখন বুঝতে হয় শাসনটা আসলে কাদের স্বার্থে চলছে!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ