ধর্মীয় অনুষ্ঠানকেও মিথ্যাচারের রাজনীতিতে রূপ দিল বিএনপি!

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমীর মতো পবিত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিএনপির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ সম্পূর্ণ অসত্য ও তথ্য বিকৃত বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি নাকি আওয়ামী লীগ দখল করেছিল এবং আড়াই একর শ্মশান থাকায় পুরোটাই দখল করা সম্ভব হয়নি!

কিন্তু ঐতিহাসিক সত্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং যা বিএনপির রাজনৈতিক প্রতারণাকেই জনসমক্ষে নগ্ন করে দেয়:

আওয়ামী লীগের জমি উদ্ধার ২০১৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপে ও ১০ কোটি টাকা মূল্যের জমি উদ্ধারের বিশেষ উদ্যোগে আজম গংদের কবল থেকে ১.৫ বিঘা জমি উদ্ধার করে মন্দিরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অবৈধভাবে জমি আঁকড়ে রাখা সেই আজম গং আওয়ামী লীগের কেউ ছিল না, বরং তারা ছিল বিএনপির রাজনীতিতে পুষ্ট চক্রেরই অংশ!

শ্মশানের কাল্পনিক মিথ্যাচার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমিতে কোনো শ্মশান কোনোদিন ছিল না। ধর্মীয় পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়া শুধুই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল।

পাকিস্তানি আমল ও বুয়েটের জমি দখল: সিএস খতিয়ান অনুযায়ী মন্দিরের জমি ছিল ২০ বিঘা (৬.৬ একর)। ১৯৫৩ সালে তৎকালীন বিতর্কিত পাকিস্তানি সরকার “মমিন মোটরস”-এর নামে ২.৫৬ একর জমি জোরপূর্বক হুকুমদখল করে। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে এই জমির অংশ বুয়েটকে দেওয়া হয়। সেই সময়ে সুবিধাবাদী দখলদার কারা ছিল, তা বুঝতে কারও রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই।

বর্তমান দখলের চিত্র: বর্তমানে মন্দিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৮ বিঘা জমি ছাড়া বাকি ১২ বিঘা জমি আজও মমিন মোটরস, বুয়েট, নাভানা, ঘোষ এবং এডভোকেট মহসিনের অবৈধ দখলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাস টেনে যে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছেন, তা তাদের দিকেই ফিরে আসে। কারণ বিএনপির ভিত্তিই রচিত হয়েছে দুর্নীতি ও দখলদারিত্বের ওপর ভর করে।

ইতিহাস সাক্ষী, দুর্নীতি, ক্ষমতা দখল ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেসব বিতর্কিত মন্ত্রী ও এমপিদের সরকার ও দল থেকে ঝেঁটিয়ে বের করেছিলেন—সেই শাহ মোয়াজ্জেম, ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জু, ইউসুফ আলী এবং ক্যাপ্টেন হালিমদের কুড়িয়ে এনেই ১৯৭৮ সালে গঠিত হয়েছিল বিএনপি। ‘৭১-এর ইতিহাসবিরোধী এবং ‘৭৫-এর খুনি চক্রকে সাথে নিয়ে যে দলের জন্ম, তারা আজ ধর্মীয় সভায় এসে সততার বুলি ও মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে!

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমীর মতো পবিত্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে বিএনপির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ সম্পূর্ণ অসত্য ও তথ্য বিকৃত বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমি নাকি আওয়ামী লীগ দখল করেছিল এবং আড়াই একর শ্মশান থাকায় পুরোটাই দখল করা সম্ভব হয়নি!

কিন্তু ঐতিহাসিক সত্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং যা বিএনপির রাজনৈতিক প্রতারণাকেই জনসমক্ষে নগ্ন করে দেয়:

আওয়ামী লীগের জমি উদ্ধার ২০১৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপে ও ১০ কোটি টাকা মূল্যের জমি উদ্ধারের বিশেষ উদ্যোগে আজম গংদের কবল থেকে ১.৫ বিঘা জমি উদ্ধার করে মন্দিরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অবৈধভাবে জমি আঁকড়ে রাখা সেই আজম গং আওয়ামী লীগের কেউ ছিল না, বরং তারা ছিল বিএনপির রাজনীতিতে পুষ্ট চক্রেরই অংশ!

শ্মশানের কাল্পনিক মিথ্যাচার: ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জমিতে কোনো শ্মশান কোনোদিন ছিল না। ধর্মীয় পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়া শুধুই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল।

পাকিস্তানি আমল ও বুয়েটের জমি দখল: সিএস খতিয়ান অনুযায়ী মন্দিরের জমি ছিল ২০ বিঘা (৬.৬ একর)। ১৯৫৩ সালে তৎকালীন বিতর্কিত পাকিস্তানি সরকার “মমিন মোটরস”-এর নামে ২.৫৬ একর জমি জোরপূর্বক হুকুমদখল করে। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে এই জমির অংশ বুয়েটকে দেওয়া হয়। সেই সময়ে সুবিধাবাদী দখলদার কারা ছিল, তা বুঝতে কারও রকেট সায়েন্টিস্ট হওয়ার প্রয়োজন নেই।

বর্তমান দখলের চিত্র: বর্তমানে মন্দিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা ৮ বিঘা জমি ছাড়া বাকি ১২ বিঘা জমি আজও মমিন মোটরস, বুয়েট, নাভানা, ঘোষ এবং এডভোকেট মহসিনের অবৈধ দখলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিহাস টেনে যে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চেয়েছেন, তা তাদের দিকেই ফিরে আসে। কারণ বিএনপির ভিত্তিই রচিত হয়েছে দুর্নীতি ও দখলদারিত্বের ওপর ভর করে।

ইতিহাস সাক্ষী, দুর্নীতি, ক্ষমতা দখল ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেসব বিতর্কিত মন্ত্রী ও এমপিদের সরকার ও দল থেকে ঝেঁটিয়ে বের করেছিলেন—সেই শাহ মোয়াজ্জেম, ওবায়দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মঞ্জু, ইউসুফ আলী এবং ক্যাপ্টেন হালিমদের কুড়িয়ে এনেই ১৯৭৮ সালে গঠিত হয়েছিল বিএনপি। ‘৭১-এর ইতিহাসবিরোধী এবং ‘৭৫-এর খুনি চক্রকে সাথে নিয়ে যে দলের জন্ম, তারা আজ ধর্মীয় সভায় এসে সততার বুলি ও মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ