বিদেশিদের কাছে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বাংলাদেশ: কানাডার সতর্কতায় উন্মোচিত কঠিন বাস্তবতা

কানাডা তাদের নাগরিকদের বলছে, বাংলাদেশে এখনো উচ্চ ঝুঁকি। পার্বত্য অঞ্চলে তো ভ্রমণই নিষেধ। পরিস্থিতি বিচার করলে বোঝা যায়, ২০২৬ সালের আগস্টে দাঁড়িয়ে বিএনপি-জামাত জোটের শাসনামল আন্তর্জাতিক মহলে আবারও সেই পুরনো তকমাই এনে দিয়েছে, যেটা ২০০১-০৬ মেয়াদে বিশ্ব দেখেছিল।

এই সতর্কতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। কানাডা গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে দুই দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল। এবার তৃতীয় দফায় তারা অবস্থান আরও কঠোর করল। অর্থাৎ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে পরিস্থিতির উন্নতি তো দূরের কথা, বরং ক্রমাগত নাজুক হয়েছে।

কানাডার পর্যবেক্ষণ স্পষ্ট। রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিচারিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক কর্মসূচি এই তিন জায়গা থেকে যেকোনো সময় বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, জনঅস্থিরতা তৈরি হতে পারে। হঠাৎ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, এমনকি সহিংসতার আশঙ্কার কথাও তারা বলেছে। অর্থাৎ দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলার যে মৌলিক গ্যারান্টি থাকার কথা, কানাডা সেটার ওপরই আস্থা রাখতে পারছে না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে কানাডার অবস্থান আরও কঠোর। রাজনৈতিক সহিংসতা, অপহরণ, সংঘর্ষের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। এখানে প্রশ্নটা সরাসরি প্রশাসনিক ব্যর্থতার। রাষ্ট্র যদি একটি ভূখণ্ডে নাগরিক নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে সেটা শুধু একটি আঞ্চলিক সংকট থাকে না, পুরো রাষ্ট্রের সক্ষমতার ওপর আস্থার সংকট হয়ে দাঁড়ায়।

বিএনপি-জামাত জোটের শাসনামলে ২০০১-০৬ সময়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জঙ্গিবাদ, সহিংসতা আর আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির জন্য পরিচিত ছিল। বিদেশি কূটনীতিকদের রিপোর্ট, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নথি, এমনকি সেই সময়ের সংবাদপত্রের পাতা ঘাঁটলেই চিত্রটা স্পষ্ট। সেই সময়কার মিত্ররা আবারও ক্ষমতায় বসেছে ২০২৬ সালে। আর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মূল্যায়নও সেই পুরনো খাতা খুলে বসেছে।

এখানে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা বসে, দেশের চিত্রটা তাদের আমলেই বিশ্ব দেখে। কানাডার মতো একটি দেশ, যারা সাধারণত মেপে কথা বলে, তারা যদি বারবার সতর্কতা জারি করে, তবে সেটাকে ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বরং এটা ধরে নিতে হয়, মাটিতে বাস্তবতাই এমন। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টের ভাষা শুকনো, কিন্তু তার মানে প্রতিদিনের জীবনে মানুষ যে অনিশ্চয়তার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, সেটাই প্রতিফলিত হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় কথা, এই সতর্কতার খেসারত দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিদেশি বিনিয়োগ আসা কমে যায়, পর্যটন শিল্পে ধস নামে, প্রবাসীদের পরিবার আসা বন্ধ হয়ে যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশি প্রোগ্রাম সীমিত হয়ে পড়ে। একটা দেশের অর্থনীতি আর মানুষের জীবনযাত্রা এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। অথচ শাসকদের ভুল সিদ্ধান্ত, দলীয় স্বার্থ আর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনীতির দাম গুনতে হয় গোটা জনগোষ্ঠীকে।

কানাডা তাদের নাগরিকদের বলছে, বাংলাদেশে এখনো উচ্চ ঝুঁকি। পার্বত্য অঞ্চলে তো ভ্রমণই নিষেধ। পরিস্থিতি বিচার করলে বোঝা যায়, ২০২৬ সালের আগস্টে দাঁড়িয়ে বিএনপি-জামাত জোটের শাসনামল আন্তর্জাতিক মহলে আবারও সেই পুরনো তকমাই এনে দিয়েছে, যেটা ২০০১-০৬ মেয়াদে বিশ্ব দেখেছিল।

এই সতর্কতা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। কানাডা গত বছরের সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে দুই দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল। এবার তৃতীয় দফায় তারা অবস্থান আরও কঠোর করল। অর্থাৎ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে পরিস্থিতির উন্নতি তো দূরের কথা, বরং ক্রমাগত নাজুক হয়েছে।

কানাডার পর্যবেক্ষণ স্পষ্ট। রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিচারিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক কর্মসূচি এই তিন জায়গা থেকে যেকোনো সময় বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, জনঅস্থিরতা তৈরি হতে পারে। হঠাৎ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, এমনকি সহিংসতার আশঙ্কার কথাও তারা বলেছে। অর্থাৎ দেশের ভেতরে আইনশৃঙ্খলার যে মৌলিক গ্যারান্টি থাকার কথা, কানাডা সেটার ওপরই আস্থা রাখতে পারছে না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রসঙ্গে কানাডার অবস্থান আরও কঠোর। রাজনৈতিক সহিংসতা, অপহরণ, সংঘর্ষের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে সব ধরনের ভ্রমণ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। এখানে প্রশ্নটা সরাসরি প্রশাসনিক ব্যর্থতার। রাষ্ট্র যদি একটি ভূখণ্ডে নাগরিক নিরাপত্তা দিতে না পারে, তবে সেটা শুধু একটি আঞ্চলিক সংকট থাকে না, পুরো রাষ্ট্রের সক্ষমতার ওপর আস্থার সংকট হয়ে দাঁড়ায়।

বিএনপি-জামাত জোটের শাসনামলে ২০০১-০৬ সময়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জঙ্গিবাদ, সহিংসতা আর আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতির জন্য পরিচিত ছিল। বিদেশি কূটনীতিকদের রিপোর্ট, মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নথি, এমনকি সেই সময়ের সংবাদপত্রের পাতা ঘাঁটলেই চিত্রটা স্পষ্ট। সেই সময়কার মিত্ররা আবারও ক্ষমতায় বসেছে ২০২৬ সালে। আর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মূল্যায়নও সেই পুরনো খাতা খুলে বসেছে।

এখানে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। রাষ্ট্রক্ষমতায় যারা বসে, দেশের চিত্রটা তাদের আমলেই বিশ্ব দেখে। কানাডার মতো একটি দেশ, যারা সাধারণত মেপে কথা বলে, তারা যদি বারবার সতর্কতা জারি করে, তবে সেটাকে ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বরং এটা ধরে নিতে হয়, মাটিতে বাস্তবতাই এমন। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টের ভাষা শুকনো, কিন্তু তার মানে প্রতিদিনের জীবনে মানুষ যে অনিশ্চয়তার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, সেটাই প্রতিফলিত হচ্ছে।

সবচেয়ে বড় কথা, এই সতর্কতার খেসারত দিতে হয় সাধারণ মানুষকে। বিদেশি বিনিয়োগ আসা কমে যায়, পর্যটন শিল্পে ধস নামে, প্রবাসীদের পরিবার আসা বন্ধ হয়ে যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশি প্রোগ্রাম সীমিত হয়ে পড়ে। একটা দেশের অর্থনীতি আর মানুষের জীবনযাত্রা এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। অথচ শাসকদের ভুল সিদ্ধান্ত, দলীয় স্বার্থ আর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার রাজনীতির দাম গুনতে হয় গোটা জনগোষ্ঠীকে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ