বিএনপির সংবিধান অবজ্ঞা: দলীয় স্বার্থ হাসিলে সাবেক বিচারপতিকে অবৈধভাবে দুদক প্রধান নিয়োগ!

দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ সাড়ে পাঁচ মাস খালি রাখার পর সেখানে বিএনপির দলীয় ক্যাডার নিয়োগ দেওয়ার খবর দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি এক চরম আঘাত। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের প্রধান নিয়োগ দিয়ে বিএনপি স্পষ্টতই দেশের সর্বোচ্চ আইন—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানকে অবজ্ঞা করেছে।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৯(১) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে: “অতিরিক্ত বিচারক ব্যতীত সুপ্রিম কোর্টের কোন বিচারক অবসর গ্রহণের বা অপসারিত হইবার পর কোন আদালতে বা কর্তৃপক্ষের নিকট আইন-ব্যবসা করিতে বা কোন কার্য করিতে পারিবেন না এবং বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।”

দুদক কোনো বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি তদন্তকারী সংস্থা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মতে, দুদক চেয়ারম্যানের পদটি স্পষ্টতই প্রজাতন্ত্রের একটি ‘লাভজনক পদ’। ফলে সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এই পদে বসানো সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও বেআইনি।

কেন এই অসাংবিধানিক নিয়োগ?

বিএনপি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো এই বেআইনি নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা। দলীয় উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একতরফাভাবে হয়রানি ও দোষী সাব্যস্ত করতে বিএনপি সংবিধানের নীতি ও আদর্শকে পদদলিত করছে।

আইন বিশেষজ্ঞ ও টিআইবি-র পর্যালোচনায়ও উঠে এসেছে যে, সাবেক বিচারপতির এই পদ গ্রহণ ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of Interest) তৈরি করবে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করবে।

দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদ সাড়ে পাঁচ মাস খালি রাখার পর সেখানে বিএনপির দলীয় ক্যাডার নিয়োগ দেওয়ার খবর দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি এক চরম আঘাত। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের প্রধান নিয়োগ দিয়ে বিএনপি স্পষ্টতই দেশের সর্বোচ্চ আইন—গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানকে অবজ্ঞা করেছে।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৯(১) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে: “অতিরিক্ত বিচারক ব্যতীত সুপ্রিম কোর্টের কোন বিচারক অবসর গ্রহণের বা অপসারিত হইবার পর কোন আদালতে বা কর্তৃপক্ষের নিকট আইন-ব্যবসা করিতে বা কোন কার্য করিতে পারিবেন না এবং বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।”

দুদক কোনো বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি তদন্তকারী সংস্থা। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মতে, দুদক চেয়ারম্যানের পদটি স্পষ্টতই প্রজাতন্ত্রের একটি ‘লাভজনক পদ’। ফলে সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে এই পদে বসানো সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক ও বেআইনি।

কেন এই অসাংবিধানিক নিয়োগ?

বিএনপি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো এই বেআইনি নিয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি দমন কমিশনকে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিশোধ নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা। দলীয় উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একতরফাভাবে হয়রানি ও দোষী সাব্যস্ত করতে বিএনপি সংবিধানের নীতি ও আদর্শকে পদদলিত করছে।

আইন বিশেষজ্ঞ ও টিআইবি-র পর্যালোচনায়ও উঠে এসেছে যে, সাবেক বিচারপতির এই পদ গ্রহণ ‘স্বার্থের সংঘাত’ (Conflict of Interest) তৈরি করবে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করবে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ