আট গুণ বিল, টানা লোডশেডিং: খামারির লাশ টানছে বিএনপি-জামায়াতের অপশাসনের দায়

শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার মেগাওয়াট, সরবরাহ করতে পারেনি রাষ্ট্র প্রায় ২,৬৫৫ মেগাওয়াট। এটা এখন প্রতিদিনকার বাস্তবতা। আর এই ঘাটতির মাশুল গুনছে টাঙ্গাইলের আব্দুল মালেকের মতো মানুষ, যার তিনটা খামার টিকিয়ে রাখতে এখন মাসে ৯ লাখ টাকা লাগে, অথচ সেই টাকা উঠে আসে না।

বিদ্যুতের দাম বাড়ার আগে মালেকের মাসিক বিল ছিল বারো হাজার টাকা। এখন দুই মাসে বিল এসেছে দেড় লাখ টাকা, অর্থাৎ মাসে প্রায় আট গুণ বেশি। তার ওপর জেনারেটরের তেল বাবদ আরও মাসে পঁয়ষট্টি হাজার। যে খরচ একজন প্রান্তিক খামারির সাধ্যের বাইরে, সেই খরচ চাপিয়ে দিয়ে রাষ্ট্র বলছে উৎপাদন চালিয়ে যাও।

গত পাঁচ বছরে দেশে পোলট্রি খামারির সংখ্যা দুই লাখ থেকে এখন একলাফে নেমে এসেছে এক লাখ ছত্রিশ হাজারে, চৌষট্টি হাজার মানুষ পেশা ছেড়েছে। যশোরে এক রাতের লোডশেডিংয়ে চারশ মুরগি মরে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দুই ভাইয়ের, যারা ধারদেনা করে খামার দাঁড় করিয়েছিল। এই সংখ্যাগুলো নীতির ব্যর্থতার প্রমাণপত্র, কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনার না।

আর এই ব্যর্থতার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ বিএনপির নেই। ছয় মাস পূর্ণ ক্ষমতা হাতে থাকার পরও গ্রামের লাইনে বিদ্যুৎ থাকছে দিনে সাত-আট ঘণ্টা, এই ব্যর্থতা একান্তই তাদের নিজেদেরই।

শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার মেগাওয়াট, সরবরাহ করতে পারেনি রাষ্ট্র প্রায় ২,৬৫৫ মেগাওয়াট। এটা এখন প্রতিদিনকার বাস্তবতা। আর এই ঘাটতির মাশুল গুনছে টাঙ্গাইলের আব্দুল মালেকের মতো মানুষ, যার তিনটা খামার টিকিয়ে রাখতে এখন মাসে ৯ লাখ টাকা লাগে, অথচ সেই টাকা উঠে আসে না।

বিদ্যুতের দাম বাড়ার আগে মালেকের মাসিক বিল ছিল বারো হাজার টাকা। এখন দুই মাসে বিল এসেছে দেড় লাখ টাকা, অর্থাৎ মাসে প্রায় আট গুণ বেশি। তার ওপর জেনারেটরের তেল বাবদ আরও মাসে পঁয়ষট্টি হাজার। যে খরচ একজন প্রান্তিক খামারির সাধ্যের বাইরে, সেই খরচ চাপিয়ে দিয়ে রাষ্ট্র বলছে উৎপাদন চালিয়ে যাও।

গত পাঁচ বছরে দেশে পোলট্রি খামারির সংখ্যা দুই লাখ থেকে এখন একলাফে নেমে এসেছে এক লাখ ছত্রিশ হাজারে, চৌষট্টি হাজার মানুষ পেশা ছেড়েছে। যশোরে এক রাতের লোডশেডিংয়ে চারশ মুরগি মরে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে দুই ভাইয়ের, যারা ধারদেনা করে খামার দাঁড় করিয়েছিল। এই সংখ্যাগুলো নীতির ব্যর্থতার প্রমাণপত্র, কোনো আকস্মিক দুর্ঘটনার না।

আর এই ব্যর্থতার দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ বিএনপির নেই। ছয় মাস পূর্ণ ক্ষমতা হাতে থাকার পরও গ্রামের লাইনে বিদ্যুৎ থাকছে দিনে সাত-আট ঘণ্টা, এই ব্যর্থতা একান্তই তাদের নিজেদেরই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ