বন্যাদুর্গত সাড়ে ৭ লাখ মানুষের জন্য বিএনপি-জামাত সরকারের বরাদ্দ মাত্র ৮৫ লাখ টাকা

সাড়ে ৭ লাখ ভুক্তভোগী, বরাদ্দ মাত্র ৮৫ লাখ টাকা। অথচ জনপ্রতি হিসাব করলে দাঁড়ায় ১১ টাকা ৬২ পয়সা। এই চিত্র ২০২৬ সালের জুলাইয়ের, বাংলাদেশের।

বন্যার পানি নামার লক্ষণও নেই কোনো এখনো, অথচ বিএনপি-জামাত জোট সরকারের নাক ডুবেছে ঘুমে। বাঁশখালীর ৮০ ভাগ মানুষ কোনো সরকারি সহায়তা পায়নি। সাতকানিয়ার সাড়ে চার লাখ মানুষ তাঁকিয়ে আছে আকাশের দিকে, অলৌকিক শক্তির সাহায্যের আশায়, কেননা সরকার তো কোনো খোঁজ নেই। ক্ষমতা দখলের আগে মুখে ছিল মানবিকতার ফুলঝুরি, এখন বাস্তবে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই অন্ধকার অধ্যায়ের স্টেজ রিপিট হচ্ছে।

ত্রাণের নামে ভিক্ষার চাল দিয়ে জনগণকে অপমান করা হচ্ছে। বন্যায় যখন চুলো জ্বলে না, তখন সরকার পাঠাচ্ছে চাল। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধের বদলে পাঠাচ্ছে উদাসীনতা আর বৈষম্য। সহজ এলাকায় ত্রাণ ফেলা হচ্ছে, দুর্গম এলাকা উপেক্ষিত। জবাবদিহিতা শূন্য, সমন্বয় লোপাট, প্রস্তুতি ছিল কেবল লুটপাটের। দুর্ভোগের এই মহোৎসবে বিএনপি-জামাত প্রমাণ করল, ক্ষমতা তাদের কাছে কেবল ভোগের উপকরণ, দায়িত্ব নয়।

সাড়ে ৭ লাখ ভুক্তভোগী, বরাদ্দ মাত্র ৮৫ লাখ টাকা। অথচ জনপ্রতি হিসাব করলে দাঁড়ায় ১১ টাকা ৬২ পয়সা। এই চিত্র ২০২৬ সালের জুলাইয়ের, বাংলাদেশের।

বন্যার পানি নামার লক্ষণও নেই কোনো এখনো, অথচ বিএনপি-জামাত জোট সরকারের নাক ডুবেছে ঘুমে। বাঁশখালীর ৮০ ভাগ মানুষ কোনো সরকারি সহায়তা পায়নি। সাতকানিয়ার সাড়ে চার লাখ মানুষ তাঁকিয়ে আছে আকাশের দিকে, অলৌকিক শক্তির সাহায্যের আশায়, কেননা সরকার তো কোনো খোঁজ নেই। ক্ষমতা দখলের আগে মুখে ছিল মানবিকতার ফুলঝুরি, এখন বাস্তবে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই অন্ধকার অধ্যায়ের স্টেজ রিপিট হচ্ছে।

ত্রাণের নামে ভিক্ষার চাল দিয়ে জনগণকে অপমান করা হচ্ছে। বন্যায় যখন চুলো জ্বলে না, তখন সরকার পাঠাচ্ছে চাল। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধের বদলে পাঠাচ্ছে উদাসীনতা আর বৈষম্য। সহজ এলাকায় ত্রাণ ফেলা হচ্ছে, দুর্গম এলাকা উপেক্ষিত। জবাবদিহিতা শূন্য, সমন্বয় লোপাট, প্রস্তুতি ছিল কেবল লুটপাটের। দুর্ভোগের এই মহোৎসবে বিএনপি-জামাত প্রমাণ করল, ক্ষমতা তাদের কাছে কেবল ভোগের উপকরণ, দায়িত্ব নয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ