মন্ত্রী এলেন, ১০০ প্যাকেট দিলেন, মরিয়মরা ফিরলেন খালি হাতে

বন্যার পানি নামার পর কক্সবাজারের চাঁদেরপাড়ায় ত্রাণ বিতরণে এলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। জনসমুদ্রের মধ্যে মাত্র ১০০ প্যাকেট খাবার বিলিয়ে কাফেলা গুটিয়ে নিলেন তিনি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম বেগমের আর্তি, “আমারটা কই?” কোনো উত্তর পেল না।

চাঁদেরপাড়ায় নয়, পুরো কক্সবাজার জুড়েই এক ছবি। চকরিয়ার হাজিরপাড়া এলাকায় এখনো সরকারি ত্রাণের মুখ দেখেনি ক্ষতিগ্রস্তরা। নুরুল আলম নামের এক ভুক্তভোগীর ভাষায়, “যে সহায়তা পেয়েছি, তা দিয়ে কোনোভাবেই সংসার চলে না।” অথচ ইউএনও বলছেন যাচাই-বাছাই করে ১০০ জনকে দেওয়া হয়েছে, পরে আরও বরাদ্দ এলে আবার দেওয়া হবে। অথচ এই “পরে”র অপেক্ষায় খালি পেটে রাত কাটাচ্ছেন সাড়ে ৪৮ হাজার পানিবন্দি পরিবার।

মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করলেন, শুরুতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বোঝা যায়নি। এঁরা কবে বোঝেন? যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী হাসি নিয়ে কয়েক প্যাকেট ত্রাণ বিলানো যায়, তখন? নাকি যখন গ্রামের ভেতরের মানুষগুলো ধারদেনা করে না খেয়ে থাকে, তখন? ৪ হাজার ২১১ হেক্টর কৃষিজমি নিমজ্জিত, ৩১ জনের প্রাণহানি, প্রায় দুই লাখ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ আর বিএনপি-জামাত জোট ব্যস্ত ফটোসেশন আর খানিকটা চিড়ামুড়ি বিতরণে।

এটা ঠিক সেই ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের প্রতিচ্ছবি। তখনও ছিলো ত্রাণের নামে দুর্নীতি, ক্ষমতার দম্ভ, আর জনগণের কান্না। আজও তাই।

বন্যার পানি নামার পর কক্সবাজারের চাঁদেরপাড়ায় ত্রাণ বিতরণে এলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। জনসমুদ্রের মধ্যে মাত্র ১০০ প্যাকেট খাবার বিলিয়ে কাফেলা গুটিয়ে নিলেন তিনি। লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মরিয়ম বেগমের আর্তি, “আমারটা কই?” কোনো উত্তর পেল না।

চাঁদেরপাড়ায় নয়, পুরো কক্সবাজার জুড়েই এক ছবি। চকরিয়ার হাজিরপাড়া এলাকায় এখনো সরকারি ত্রাণের মুখ দেখেনি ক্ষতিগ্রস্তরা। নুরুল আলম নামের এক ভুক্তভোগীর ভাষায়, “যে সহায়তা পেয়েছি, তা দিয়ে কোনোভাবেই সংসার চলে না।” অথচ ইউএনও বলছেন যাচাই-বাছাই করে ১০০ জনকে দেওয়া হয়েছে, পরে আরও বরাদ্দ এলে আবার দেওয়া হবে। অথচ এই “পরে”র অপেক্ষায় খালি পেটে রাত কাটাচ্ছেন সাড়ে ৪৮ হাজার পানিবন্দি পরিবার।

মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করলেন, শুরুতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বোঝা যায়নি। এঁরা কবে বোঝেন? যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী হাসি নিয়ে কয়েক প্যাকেট ত্রাণ বিলানো যায়, তখন? নাকি যখন গ্রামের ভেতরের মানুষগুলো ধারদেনা করে না খেয়ে থাকে, তখন? ৪ হাজার ২১১ হেক্টর কৃষিজমি নিমজ্জিত, ৩১ জনের প্রাণহানি, প্রায় দুই লাখ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ আর বিএনপি-জামাত জোট ব্যস্ত ফটোসেশন আর খানিকটা চিড়ামুড়ি বিতরণে।

এটা ঠিক সেই ২০০১-০৬ সালের অপশাসনের প্রতিচ্ছবি। তখনও ছিলো ত্রাণের নামে দুর্নীতি, ক্ষমতার দম্ভ, আর জনগণের কান্না। আজও তাই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ