চট্টগ্রামকে গণকবর বানিয়েছে বিএনপি-জামাত জোট!

জীবিত অবস্থায় মাটিচাপা দেওয়া ২৮ রোহিঙ্গাসহ ৫১ জনের মৃত্যুকে বিএনপি-জামাত জোট বলছে ‘প্রাকৃতিক বন্যা’। এটা বন্যা না, এটা পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। ২০০১-০৬ এর মতো আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রামকে গণকবর বানিয়েছে। ১৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প শেষ করেও শহর ডোবানোর পেছনে আছে জামাতের ঠিকাদার সিন্ডিকেট আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সিডিএ।

সিটি করপোরেশন আছে জামাতের মেয়রের হাতে, আর সিডিএ বিএনপির লুটেরা আমলাদের দখলে। কাটা পাহাড়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প বসিয়ে ইচ্ছাকৃত গণহত্যা চালানো হয়েছে। পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির টাকা গেছে জামাতের অঙ্গসংগঠনগুলোর পকেটে। নিজেদের গড়া জলাবদ্ধতাকে ‘আল্লাহর গজব’ বলার আগে মুখ দেখার সাহস আছে?

২০০৭ সালে খালেদা জিয়ার আমলে পাহাড়ধসে ১২৭ জন মরার পরও কোনো শিক্ষা হয়নি, ২০২৬ এসেও একই খুনের নাটক মঞ্চস্থ করল এই জোট। আসলে এটা চক্রান্ত, টেকনাফ থেকে টেকনাফ করে চট্টগ্রামের পাহাড়েও সংখ্যালঘু বানানোর নীলনকশা। ত্রাণের নামে জামাতের ক্যাডাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিস্ট করছে কে কোন দলের। দুর্গত এলাকায় মাইকিং করে বলছে বিএনপির শাসনেই মিলবে ত্রাণ, অন্যথায় নয়। ৫১টা লাশ ফেলে রেখে এখন মন্ত্রীরা ছবি তুলছে বন্যার্তদের সাথে, ঠিক ২০০২ সালে গাজী শাহাবুদ্দিনের মতো।

জেগে ওঠো চট্টগ্রাম, প্রতিটা মৃত্যুর দায় বিএনপি-জামাতের। যে জোট মানুষের জান বাঁচানোর খালগুলো বন্ধ করে দখলদারদের ছেড়ে দিয়েছে, সেই জোটের বিচার রাস্তায় নামতেই হবে। বৃষ্টি থামুক আর না থামুক, লড়াইটা এখন জামাত-বিএনপির বিরুদ্ধে।

জীবিত অবস্থায় মাটিচাপা দেওয়া ২৮ রোহিঙ্গাসহ ৫১ জনের মৃত্যুকে বিএনপি-জামাত জোট বলছে ‘প্রাকৃতিক বন্যা’। এটা বন্যা না, এটা পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। ২০০১-০৬ এর মতো আবারও বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রামকে গণকবর বানিয়েছে। ১৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প শেষ করেও শহর ডোবানোর পেছনে আছে জামাতের ঠিকাদার সিন্ডিকেট আর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সিডিএ।

সিটি করপোরেশন আছে জামাতের মেয়রের হাতে, আর সিডিএ বিএনপির লুটেরা আমলাদের দখলে। কাটা পাহাড়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প বসিয়ে ইচ্ছাকৃত গণহত্যা চালানো হয়েছে। পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির টাকা গেছে জামাতের অঙ্গসংগঠনগুলোর পকেটে। নিজেদের গড়া জলাবদ্ধতাকে ‘আল্লাহর গজব’ বলার আগে মুখ দেখার সাহস আছে?

২০০৭ সালে খালেদা জিয়ার আমলে পাহাড়ধসে ১২৭ জন মরার পরও কোনো শিক্ষা হয়নি, ২০২৬ এসেও একই খুনের নাটক মঞ্চস্থ করল এই জোট। আসলে এটা চক্রান্ত, টেকনাফ থেকে টেকনাফ করে চট্টগ্রামের পাহাড়েও সংখ্যালঘু বানানোর নীলনকশা। ত্রাণের নামে জামাতের ক্যাডাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিস্ট করছে কে কোন দলের। দুর্গত এলাকায় মাইকিং করে বলছে বিএনপির শাসনেই মিলবে ত্রাণ, অন্যথায় নয়। ৫১টা লাশ ফেলে রেখে এখন মন্ত্রীরা ছবি তুলছে বন্যার্তদের সাথে, ঠিক ২০০২ সালে গাজী শাহাবুদ্দিনের মতো।

জেগে ওঠো চট্টগ্রাম, প্রতিটা মৃত্যুর দায় বিএনপি-জামাতের। যে জোট মানুষের জান বাঁচানোর খালগুলো বন্ধ করে দখলদারদের ছেড়ে দিয়েছে, সেই জোটের বিচার রাস্তায় নামতেই হবে। বৃষ্টি থামুক আর না থামুক, লড়াইটা এখন জামাত-বিএনপির বিরুদ্ধে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ