ক্ষমতায় বসা মাত্র ৭০% বিনিয়োগ গায়েব, বিএনপি-জামাত সরকারের লজ্জার রেকর্ডও ভেঙে গেছে!

দেশ যেন আবারও হাঁটছে সেই পুরোনো অন্ধকার গলিতে। ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ নেমে এসেছে তলানিতে, কমেছে বিরাট ৭০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব বলছে, মাত্র ৭ কোটি ৮২ লাখ ডলারের নতুন পুঁজি এসেছে, যা গত চার প্রান্তিকের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থনীতিবিদরা সরাসরি আঙুল তুলছেন বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্বল শাসন ও কাঠামোগত ব্যর্থতার দিকে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন কোনো প্রকল্পে টাকা ঢালতে চাইছেন না। তাদের কাছে বাংলাদেশ এখন অনিশ্চয়তার সাগর। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা তাদের আস্থা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। একটা সময় পর্যন্ত ব্যবসা সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখা কোম্পানিগুলো এখন শুধু টিকে থাকার লড়াই করছে। অথচ এই সরকারই তো বলেছিল আস্থার বাংলাদেশ গড়বে।

শুধু তাই নয়, একের পর এক আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে দিচ্ছে। এই রেটিং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে লাল কার্ডের মতো। তার ওপর ব্যাংকিং খাতে লাগামহীন খেলাপি ঋণ আর পুঁজি ফেরত নেওয়ার জটিলতা তো রয়েছেই। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির নামে শুধু মন্ত্রীর মুখে বুলি আওড়ানো হচ্ছে, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

পুনর্বিনিয়োগকৃত লভ্যাংশের অঙ্ক দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। অর্থনীতিবিদরা পরিষ্কার বলছেন, পুরোনো কোম্পানির লাভের টাকা ব্যবসায় থাকাটা প্রকৃত অগ্রগতি নয়। আসল চালিকাশক্তি হলো একদম নতুন পুঁজি। সেটাই যখন শূন্যের কোঠায়, তখন সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার কোনো সুযোগ নেই।

বিশ্ব বিনিয়োগ তালিকায় আফ্রিকার দেশগুলোও সংস্কার করে আমাদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমাদের কর্তাব্যক্তিরা নব্বই দশকের পুরোনো দলীয় কায়দায় দেশ চালাচ্ছেন। মনে পড়ে যাচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই আঁধার সময়ের কথা, যখন অপশাসন আর লুটপাটে বিদেশি বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ঠিক সেই একই চিত্রনাট্য আজ আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে।

দেশ যেন আবারও হাঁটছে সেই পুরোনো অন্ধকার গলিতে। ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে নতুন বিদেশি বিনিয়োগ নেমে এসেছে তলানিতে, কমেছে বিরাট ৭০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব বলছে, মাত্র ৭ কোটি ৮২ লাখ ডলারের নতুন পুঁজি এসেছে, যা গত চার প্রান্তিকের মধ্যে সর্বনিম্ন। অর্থনীতিবিদরা সরাসরি আঙুল তুলছেন বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্বল শাসন ও কাঠামোগত ব্যর্থতার দিকে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নতুন কোনো প্রকল্পে টাকা ঢালতে চাইছেন না। তাদের কাছে বাংলাদেশ এখন অনিশ্চয়তার সাগর। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা তাদের আস্থা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। একটা সময় পর্যন্ত ব্যবসা সম্প্রসারণের স্বপ্ন দেখা কোম্পানিগুলো এখন শুধু টিকে থাকার লড়াই করছে। অথচ এই সরকারই তো বলেছিল আস্থার বাংলাদেশ গড়বে।

শুধু তাই নয়, একের পর এক আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থা বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়ে দিচ্ছে। এই রেটিং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে লাল কার্ডের মতো। তার ওপর ব্যাংকিং খাতে লাগামহীন খেলাপি ঋণ আর পুঁজি ফেরত নেওয়ার জটিলতা তো রয়েছেই। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির নামে শুধু মন্ত্রীর মুখে বুলি আওড়ানো হচ্ছে, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

পুনর্বিনিয়োগকৃত লভ্যাংশের অঙ্ক দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। অর্থনীতিবিদরা পরিষ্কার বলছেন, পুরোনো কোম্পানির লাভের টাকা ব্যবসায় থাকাটা প্রকৃত অগ্রগতি নয়। আসল চালিকাশক্তি হলো একদম নতুন পুঁজি। সেটাই যখন শূন্যের কোঠায়, তখন সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার কোনো সুযোগ নেই।

বিশ্ব বিনিয়োগ তালিকায় আফ্রিকার দেশগুলোও সংস্কার করে আমাদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমাদের কর্তাব্যক্তিরা নব্বই দশকের পুরোনো দলীয় কায়দায় দেশ চালাচ্ছেন। মনে পড়ে যাচ্ছে ২০০১-০৬ সালের সেই আঁধার সময়ের কথা, যখন অপশাসন আর লুটপাটে বিদেশি বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়েছিল। ঠিক সেই একই চিত্রনাট্য আজ আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ