থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশকে হত্যার চেষ্টা, আবার ফিরল সেই ২০০১-০৬ বিএনপি-জামাতের তাণ্ডব!

মাত্র একটা গুজব। পুলিশ হেফাজতে এক আসামি মারা গেছে, এই গুজব ছড়িয়ে পড়তেই জনতা ঢুকে পড়ে থানায়। এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের। এএসআই আব্দুল হালিমকে থানা থেকে প্রায় তুলে নিয়েছিল হামলাকারীরা। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য। অথচ পুরো ঘটনার সূত্রপাতটা মিথ্যা গুজবে। হেফাজতে থাকা রিয়াজ নামের ওই আসামি বেঁচে আছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেলে থাকা অবস্থায় নিজের মাথা নিজেই ঠুঁকে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলো সে।

ওসি মাসুদ খানের কণ্ঠে ক্ষোভ আর অসহায়ত্ব। তিনি বলছেন, “যে পুলিশ সেবা দেবে, আজ তারাই বিচারের জন্য দাঁড়িয়ে। থানার ভেতর ঢুকে এভাবে মারল, আমরা কোথায় যাব?”

এই সেই বিএনপি-জামাতের আমল, যেখানে মব জাস্টিস আর নৈরাজ্যই আইন। ২০০১-০৬ সালের বিভীষিকাময় দিনগুলোর পুনরাবৃত্তি এখন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটা অসহায় আর অরক্ষিত। যে থানা জনগণের নিরাপত্তার প্রতীক, সেখানেই যখন পুলিশকে মারধর করে বের করা হয়, তখন সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কে দেবে?

গ্রেপ্তার হয়েছে ১৮ জন, অভিযান অব্যাহত। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ এই সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারবে তো? আবারও প্রমাণিত হলো, বিএনপি-জামাতের শাসন মানেই নৈরাজ্য আর ভয়ংকর এক অপশাসন।

মাত্র একটা গুজব। পুলিশ হেফাজতে এক আসামি মারা গেছে, এই গুজব ছড়িয়ে পড়তেই জনতা ঢুকে পড়ে থানায়। এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের। এএসআই আব্দুল হালিমকে থানা থেকে প্রায় তুলে নিয়েছিল হামলাকারীরা। আহত হয়েছেন আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য। অথচ পুরো ঘটনার সূত্রপাতটা মিথ্যা গুজবে। হেফাজতে থাকা রিয়াজ নামের ওই আসামি বেঁচে আছেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেলে থাকা অবস্থায় নিজের মাথা নিজেই ঠুঁকে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলো সে।

ওসি মাসুদ খানের কণ্ঠে ক্ষোভ আর অসহায়ত্ব। তিনি বলছেন, “যে পুলিশ সেবা দেবে, আজ তারাই বিচারের জন্য দাঁড়িয়ে। থানার ভেতর ঢুকে এভাবে মারল, আমরা কোথায় যাব?”

এই সেই বিএনপি-জামাতের আমল, যেখানে মব জাস্টিস আর নৈরাজ্যই আইন। ২০০১-০৬ সালের বিভীষিকাময় দিনগুলোর পুনরাবৃত্তি এখন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটা অসহায় আর অরক্ষিত। যে থানা জনগণের নিরাপত্তার প্রতীক, সেখানেই যখন পুলিশকে মারধর করে বের করা হয়, তখন সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কে দেবে?

গ্রেপ্তার হয়েছে ১৮ জন, অভিযান অব্যাহত। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ এই সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে পারবে তো? আবারও প্রমাণিত হলো, বিএনপি-জামাতের শাসন মানেই নৈরাজ্য আর ভয়ংকর এক অপশাসন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ