মসজিদ বানান কাগজে, টাকা তোলেন নগদে

পুকুরঘাটে গোসল সেরে মাচায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েন মানুষ। সেই জায়গার নাম দেওয়া হলো “নুরনবী চৌধুরী জামে মসজিদ” অর্থাৎ নিজের বাবার নামে। আর সেই কাগুজে মসজিদের বিপরীতে চলে এলো ৩ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দ।

এটা লক্ষ্মীপুরের চররুহিতা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরজুর কীর্তি। একই কাজ করেছেন ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিকও, বাবার নামে আরেকটা অস্তিত্বহীন মসজিদ, আরেক দফা বরাদ্দ।

বমাল ধরা পড়েছেন। তদন্তে সত্যতা মিলেছে। তবু আরজু বলছেন মসজিদ আছে, ইমাম আছে, বেতনও দেন। মানে ধরা খেয়েও লজ্জা নেই।

ফেব্রুয়ারিতে বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বিশাল একটা অংশের বয়কটের মুখে ক্ষমতায় আসার মাত্র কয়েক মাসের মাথায় এই দশা। ধর্মের নামে, আল্লাহর ঘরের নামে টাকা মারা – এর চেয়ে নিচে আর কোথায় নামা যায়?

২০০১ থেকে ২০০৬, সেই হাওয়া ভবনের দিনগুলোতে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, সেটা বিএনপির রক্তে এখনো একইরকম আছে। দল বদলায় না, শুধু সুযোগ বদলায়।

পুকুরঘাটে গোসল সেরে মাচায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েন মানুষ। সেই জায়গার নাম দেওয়া হলো “নুরনবী চৌধুরী জামে মসজিদ” অর্থাৎ নিজের বাবার নামে। আর সেই কাগুজে মসজিদের বিপরীতে চলে এলো ৩ লাখ টাকার সরকারি বরাদ্দ।

এটা লক্ষ্মীপুরের চররুহিতা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আরজুর কীর্তি। একই কাজ করেছেন ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিকও, বাবার নামে আরেকটা অস্তিত্বহীন মসজিদ, আরেক দফা বরাদ্দ।

বমাল ধরা পড়েছেন। তদন্তে সত্যতা মিলেছে। তবু আরজু বলছেন মসজিদ আছে, ইমাম আছে, বেতনও দেন। মানে ধরা খেয়েও লজ্জা নেই।

ফেব্রুয়ারিতে বড় দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বিশাল একটা অংশের বয়কটের মুখে ক্ষমতায় আসার মাত্র কয়েক মাসের মাথায় এই দশা। ধর্মের নামে, আল্লাহর ঘরের নামে টাকা মারা – এর চেয়ে নিচে আর কোথায় নামা যায়?

২০০১ থেকে ২০০৬, সেই হাওয়া ভবনের দিনগুলোতে যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, সেটা বিএনপির রক্তে এখনো একইরকম আছে। দল বদলায় না, শুধু সুযোগ বদলায়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ