রেমিট্যান্স কমার পেছনে বিএনপি-জামাতের অপশাসনই দায়ী

জুনের প্রথম তিন দিনেই রেমিট্যান্স কমল ২০ শতাংশ। গত বছর এই সময়ে এসেছিল ৬০৩ মিলিয়ন ডলার, এবার মাত্র ৪৮৩। অথচ বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার আগে পুরো অর্থবছরজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ শতাংশের বেশি। বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ছিল স্থিতিশীল, রিজার্ভ ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

মাত্র চার মাসে সব উল্টে গেল।

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখ জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসী দল আর যুদ্ধাপরাধীদের দল মিলে যেভাবে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করল, তারপর থেকেই একের পর এক দুঃসংবাদ। রেমিট্যান্স কমা শুধু শুরু, এরপর আসবে রপ্তানি আয়ে সম্পূর্ণ ধস, ডলার সংকটে আমদানি বন্ধ, অবশিষ্ট রিজার্ভ লোপাট। ২০০১-০৬ মেয়াদের হুবহু রিপিট টেলিকাস্ট চলছে এখন।

পার্থক্যটা প্রকাশ্য দিবালোকের মতো স্পষ্ট। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার কিনে রিজার্ভ মজবুত করছিল। এখন অবস্থা এমন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিমশিম খাচ্ছে সরবরাহ ধরে রাখতে। প্রবাসীরা টাকা পাঠাতে ভরসা পাচ্ছেন না, কারণ তাদের টাকায় দেশে কী হচ্ছে সেটা তারা দেখতে পাচ্ছেন নিজেরাই। সুবিধাবাদী এই সরকারের অধীনে আবারও দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর লুটপাটের যে ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে, তাতে আস্থা তলানিতে।

মাত্র চার মাসেই জনগণ বুঝে গেছে এই বিএনপি-জামাত জোট দেশ চালাতে আসেনি, দেশ লুটতে এসেছে। ২০০১-০৬ মেয়াদ শেষে দেশ ছেড়ে পালানোর দৃশ্য কি আবারও দেখতে হবে নাকি তার আগেই জেগে উঠবে জাতি, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

জুনের প্রথম তিন দিনেই রেমিট্যান্স কমল ২০ শতাংশ। গত বছর এই সময়ে এসেছিল ৬০৩ মিলিয়ন ডলার, এবার মাত্র ৪৮৩। অথচ বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার আগে পুরো অর্থবছরজুড়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ শতাংশের বেশি। বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ছিল স্থিতিশীল, রিজার্ভ ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

মাত্র চার মাসে সব উল্টে গেল।

ফেব্রুয়ারির ১৭ তারিখ জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসী দল আর যুদ্ধাপরাধীদের দল মিলে যেভাবে পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করল, তারপর থেকেই একের পর এক দুঃসংবাদ। রেমিট্যান্স কমা শুধু শুরু, এরপর আসবে রপ্তানি আয়ে সম্পূর্ণ ধস, ডলার সংকটে আমদানি বন্ধ, অবশিষ্ট রিজার্ভ লোপাট। ২০০১-০৬ মেয়াদের হুবহু রিপিট টেলিকাস্ট চলছে এখন।

পার্থক্যটা প্রকাশ্য দিবালোকের মতো স্পষ্ট। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার কিনে রিজার্ভ মজবুত করছিল। এখন অবস্থা এমন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিমশিম খাচ্ছে সরবরাহ ধরে রাখতে। প্রবাসীরা টাকা পাঠাতে ভরসা পাচ্ছেন না, কারণ তাদের টাকায় দেশে কী হচ্ছে সেটা তারা দেখতে পাচ্ছেন নিজেরাই। সুবিধাবাদী এই সরকারের অধীনে আবারও দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি আর লুটপাটের যে ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে, তাতে আস্থা তলানিতে।

মাত্র চার মাসেই জনগণ বুঝে গেছে এই বিএনপি-জামাত জোট দেশ চালাতে আসেনি, দেশ লুটতে এসেছে। ২০০১-০৬ মেয়াদ শেষে দেশ ছেড়ে পালানোর দৃশ্য কি আবারও দেখতে হবে নাকি তার আগেই জেগে উঠবে জাতি, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ