বাসে-লঞ্চে-ট্রেনে চলতি পথে দেখা যায় কিছু লোক বই ফেরি করে বেঁচছে। বইগুলার অনুমোদন নেই, প্রকাশনা নেই, কোনো হিসাব নেই। বইয়ের ভেতরে শিশুকে শেখানো হচ্ছে গান বাজনা খারাপ, ছবি আঁকা পাপ। এই বই ছড়িয়ে পড়ছে গ্রামে গ্রামে, নদীপথে, হাটে-বাজারে।
এটা কিন্তু হঠাৎ করে হয়নি।
যে দলটা ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ভোটের মাঠে কাউকে না রেখে, জনগণকে বাইরে রেখে নিজেরা নিজেরা কুর্সিতে বসেছে, সেই বিএনপির জন্মই হয়েছিল সেনানিবাসের ভেতরে। জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যে জামায়াতকে পুনর্বাসিত করেছিলেন, সেই যুদ্ধাপরাধীদের দল আজও এই দেশে রাজনীতি করছে। আর এই দুইয়ের মিলিত ছায়ায় বড় হয়েছে একটা নেটওয়ার্ক, যেটা শিশুর মাথায় ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিচ্ছে তালেবানি পাঠ্যক্রম।
আফগানিস্তান একদিনে আফগানিস্তান হয়নি। পাকিস্তানও না। আগে বইয়ে ঢুকেছে, তারপর মাথায়, তারপর রাস্তায়। এই বইগুলো কোথা থেকে আসছে, কে ছাপাচ্ছে, কে টাকা দিচ্ছে, রাষ্ট্র কি আদৌ জানতে চাইছে?

