মে মাসে ৬৯টি গণপিটুনি, ৩২ জন নিহত, ৫৩টি অজ্ঞাত লাশ। এটা কি ২০২৬ সালের বাংলাদেশ, নাকি ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের পুনরাবৃত্তি?
ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে, জনগণের বয়কটের মুখে, নিজেরা নিজেরা ভোটের নাটক সাজিয়ে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি এবং জামায়াত। একটি দলের জন্ম সেনানিবাসে, স্বৈরশাসকের হাতে। অন্যটি একাত্তরের ঘাতক, যুদ্ধাপরাধের দায়মুক্তি যাদের রাজনৈতিক পুনর্জন্মের সোপান হয়েছে।
এমএসএফের প্রতিবেদন বলছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও এখন গণপিটুনির শিকার। মানুষ আদালতে যাচ্ছে না, রাস্তায় পিটিয়ে মারছে। রাষ্ট্র দুর্বল কারণ রাষ্ট্রের মাথায় যারা বসেছে, তারা রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করতে আসেনি, খন্ড-বিখন্ড করতে এসেছে।
২০০১ সালে হিন্দু পরিবারে আগুন দেওয়া হয়েছিল। ২০২৬ সালে লাশের পাহাড় জমছে নদীতে, রেললাইনে, মাঠে। শুধু পদ্ধতিটা বদলেছে, দুই সময়ের শাসকরা বদলায়নি। একই দল, একই সরকার।

