জীবন দিয়েছিলেন দেশের জন্য, বিএনপির কাছে পুরস্কার মিলল মেলার খুঁটি হয়ে

টাঙ্গাইলে বীরশ্রেষ্ঠদের গলায় দড়ি বেঁধেছে বিসিকের মেলার আয়োজকেরা। কিন্তু এই দড়িটা আসলে কে বাঁধল, সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার। বিসিক একটা সরকারি সংস্থা। সরকার এখন বিএনপির। মেলার উদ্বোধন করেছেন সরকারের মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মানে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে, সরকারি জমিতে, সরকারি সংস্থার আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সম্মানিত মানুষদের ভাস্কর্যের গলায় দড়ি উঠেছে। ঘটনাটা নয় দিন ধরে চলেছে। কেউ দেখেনি, কেউ থামায়নি। বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক বলছেন কে করেছে জানেন না। এই “জানেন না” কথাটাই সব বলে দেয়।

বিএনপি সবসময় মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের রাজনৈতিক সম্পত্তি বানাতে চেয়েছে, একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে গলা টিপে ধরেছে। এটা নতুন না। যে দলের জন্ম সেনানিবাসে, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিজে একটা প্রহসনের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিলেন, সেই দলের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের বীরদের প্রতি সম্মান আশা করাটাই হয়তো বোকামি। চলতি বছর ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনটার কথা মনে করুন। দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলো বাইরে, মানুষ ভোট কেন্দ্রে নেই, আর বিএনপি সেই শূন্য মাঠে একা খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মন্ত্রিসভা সাজিয়েছে। এই যে ক্ষমতায় বসার ধরন, এই যে রাষ্ট্রকে নিজের ব্যক্তিগত সুবিধার জায়গা মনে করার মানসিকতা, সেই একই মানসিকতা থেকেই বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যকে স্টলের খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

যে সাত জন মানুষ এই দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে। সেই স্বীকৃতির প্রতীক ভাস্কর্যের গলায় কাপড়ের দোকানের দড়ি ঝুলছে, পাশে ময়লার স্তূপ। আর যে সরকারের আমলে এটা হলো, সেই সরকারের মন্ত্রী মেলার ফিতা কেটে হাসিমুখে ছবি তুলেছেন।

এই ঘটনাকে শুধু অব্যবস্থাপনা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। অব্যবস্থাপনা হয় অজ্ঞতা থেকে, অসতর্কতা থেকে। কিন্তু নয় দিন ধরে একটা সরকারি মেলা চলে, সরকারি কর্মকর্তারা আসেন যান, মন্ত্রী উদ্বোধন করেন, আর বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যের গলায় বাঁধা দড়ি কেউ একবারও চোখে পড়ে না, এটা অজ্ঞতা না। এটা উদাসীনতা। আর এই উদাসীনতাই বলে দেয় মুক্তিযুদ্ধ আর তার শহীদেরা এই সরকারের কাছে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাপার না। এটাই তো দেশ স্বাধীন করার পুরস্কার!

টাঙ্গাইলে বীরশ্রেষ্ঠদের গলায় দড়ি বেঁধেছে বিসিকের মেলার আয়োজকেরা। কিন্তু এই দড়িটা আসলে কে বাঁধল, সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার। বিসিক একটা সরকারি সংস্থা। সরকার এখন বিএনপির। মেলার উদ্বোধন করেছেন সরকারের মন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মানে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে, সরকারি জমিতে, সরকারি সংস্থার আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ সম্মানিত মানুষদের ভাস্কর্যের গলায় দড়ি উঠেছে। ঘটনাটা নয় দিন ধরে চলেছে। কেউ দেখেনি, কেউ থামায়নি। বিসিকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক বলছেন কে করেছে জানেন না। এই “জানেন না” কথাটাই সব বলে দেয়।

বিএনপি সবসময় মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের রাজনৈতিক সম্পত্তি বানাতে চেয়েছে, একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে গলা টিপে ধরেছে। এটা নতুন না। যে দলের জন্ম সেনানিবাসে, যে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিজে একটা প্রহসনের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করেছিলেন, সেই দলের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের বীরদের প্রতি সম্মান আশা করাটাই হয়তো বোকামি। চলতি বছর ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের নির্বাচনটার কথা মনে করুন। দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলো বাইরে, মানুষ ভোট কেন্দ্রে নেই, আর বিএনপি সেই শূন্য মাঠে একা খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মন্ত্রিসভা সাজিয়েছে। এই যে ক্ষমতায় বসার ধরন, এই যে রাষ্ট্রকে নিজের ব্যক্তিগত সুবিধার জায়গা মনে করার মানসিকতা, সেই একই মানসিকতা থেকেই বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যকে স্টলের খুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়।

যে সাত জন মানুষ এই দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে। সেই স্বীকৃতির প্রতীক ভাস্কর্যের গলায় কাপড়ের দোকানের দড়ি ঝুলছে, পাশে ময়লার স্তূপ। আর যে সরকারের আমলে এটা হলো, সেই সরকারের মন্ত্রী মেলার ফিতা কেটে হাসিমুখে ছবি তুলেছেন।

এই ঘটনাকে শুধু অব্যবস্থাপনা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। অব্যবস্থাপনা হয় অজ্ঞতা থেকে, অসতর্কতা থেকে। কিন্তু নয় দিন ধরে একটা সরকারি মেলা চলে, সরকারি কর্মকর্তারা আসেন যান, মন্ত্রী উদ্বোধন করেন, আর বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যের গলায় বাঁধা দড়ি কেউ একবারও চোখে পড়ে না, এটা অজ্ঞতা না। এটা উদাসীনতা। আর এই উদাসীনতাই বলে দেয় মুক্তিযুদ্ধ আর তার শহীদেরা এই সরকারের কাছে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাপার না। এটাই তো দেশ স্বাধীন করার পুরস্কার!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ