ড. ইউনূসের শাসনামলে সাংবাদিক দমননীতি: সমালোচনার বদলে মামলা, মব, জেল ও হয়রানি

দখলদার ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ যা সারা বিশ্বব্যাপী এখন আলোচিত। বিভিন্ন মানবাধিকার ও পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে শত শত সাংবাদিক হয়রানি, মামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন, হয়েছেন মবের শিকার এমনকি আদালতেও হতে হয়েছে শারিরিক হেনস্তার শিকার।

টিআইবি ও আসকের মতো সংস্থার তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, বিপুল সংখ্যক সাংবাদিককে বিভিন্ন হত্যা ও সহিংসতার মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন এবং একাধিকবার জামিন আবেদন করেও মুক্তি পাননি। কারাগারেও তাদের উপর চালানো হচ্ছে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন।

অন্যদিকে, স্বয়ং দখলদার ড. ইউনূস তার কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে সকল কে উৎসাহিত করে। কিন্তু বাস্তবে তার শাসনামলে সরকারের সমালোচক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এমনকি তার প্রেস সচিব কে দিয়েও বিভিন্ন সাংবাদিক, সরকারি আমলাদেরও ভয় ভীতি দেখিয়েছে।

মুক্ত মতপ্রকাশের প্রতিশ্রুতি” থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে—যেখানে সমালোচনা মানেই মামলা, আর ভিন্নমত মানেই কারাবাস। ফলে সাংবাদিক স্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।স্বৈরাচার কাকে বলে? যখন মুখ খুললেই মামলা, প্রশ্ন তুললেই জেল—ইউনূস শাসন সেই বাস্তবতা বাংলাদেশে দেখিয়ে দিয়েছে।

দখলদার ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরে সাংবাদিকদের ওপর দমন-পীড়ন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ যা সারা বিশ্বব্যাপী এখন আলোচিত। বিভিন্ন মানবাধিকার ও পর্যবেক্ষণ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে শত শত সাংবাদিক হয়রানি, মামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন, হয়েছেন মবের শিকার এমনকি আদালতেও হতে হয়েছে শারিরিক হেনস্তার শিকার।

টিআইবি ও আসকের মতো সংস্থার তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, বিপুল সংখ্যক সাংবাদিককে বিভিন্ন হত্যা ও সহিংসতার মামলায় আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন এবং একাধিকবার জামিন আবেদন করেও মুক্তি পাননি। কারাগারেও তাদের উপর চালানো হচ্ছে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন।

অন্যদিকে, স্বয়ং দখলদার ড. ইউনূস তার কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সমালোচনা করতে সকল কে উৎসাহিত করে। কিন্তু বাস্তবে তার শাসনামলে সরকারের সমালোচক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এমনকি তার প্রেস সচিব কে দিয়েও বিভিন্ন সাংবাদিক, সরকারি আমলাদেরও ভয় ভীতি দেখিয়েছে।

মুক্ত মতপ্রকাশের প্রতিশ্রুতি” থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে—যেখানে সমালোচনা মানেই মামলা, আর ভিন্নমত মানেই কারাবাস। ফলে সাংবাদিক স্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।স্বৈরাচার কাকে বলে? যখন মুখ খুললেই মামলা, প্রশ্ন তুললেই জেল—ইউনূস শাসন সেই বাস্তবতা বাংলাদেশে দেখিয়ে দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ