জ্বালানি নেই, পানি নেই, কৃষক আছেন শুধু দিশেহারা হয়ে

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কৃষক তারা শেখ সতেরো বছর পর ধান লাগিয়েছেন। সতেরো বছরের স্বপ্ন, সতেরো বছরের অপেক্ষা। আর এখন জমিতে পানি দিতে পারছেন না কারণ ডিজেল নেই। কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরছেন, খালি হাতে ফিরছেন। একদিন সামান্য কিছু পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটুকু দিয়ে সেচ হয়নি। ফসল নষ্ট হওয়ার দিন গুনছেন তিনি।

এই মানুষটার কথা কি বিএনপি সরকার একবারও ভেবেছে? ফেব্রুয়ারির বারো তারিখে যে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল সেই ভোটে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি, পুরো ব্যাপারটা ছিল নিজেদের মধ্যে একটা পাতানো খেলা। সেই খেলায় জিতে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি। আর তাদের তথাকথিত মন্ত্রীরা এখন দেশ চালাচ্ছেন। দেশ চালানো মানে কী সেটা তারা শেখ বুঝিয়ে দিতে পারবেন। দেশ চালানো মানে এপ্রিল মাসে কৃষক যখন মাঠে ধান নিয়ে বসে আছেন, তখন তাকে জ্বালানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা। সেটা এই সরকার পারছে না।

জেলার পেট্রল পাম্প মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিজেই বলছেন ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল আসছে না। পাম্পগুলো চাহিদা মেটাতে পারছে না। টোকেন দিয়ে তেল দেওয়া হচ্ছে, ট্রাক্টর চালকরা পাচ্ছেন মাত্র দশ লিটার করে। দশ লিটার দিয়ে কতটুকু জমিতে সেচ দেওয়া যায় সেটা কি মন্ত্রীরা জানেন? জানার কথাও না। সেনানিবাসের আরামে জন্ম নেওয়া দলের নেতারা মাঠের হিসাব কতটুকু বোঝেন সেটা নিয়ে সন্দেহ থাকার যথেষ্ট কারণ আছে।

বিএনপির ইতিহাস নতুন কিছু না। দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের সাথে এই দলের সম্পর্ক দশকের পর দশক ধরে প্রমাণিত। কিন্তু এবার ক্ষমতায় এসেছে একটা প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে, যে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। এই বৈধতাহীন সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা রাখাটাই আসলে বোকামি। তারপরও মানুষ আশায় থাকে, কারণ থাকাটাই মানুষের স্বভাব।

তারা শেখের মতো কৃষকরা রাজনীতি বোঝেন কি বোঝেন না সেটা বড় কথা না। তারা বোঝেন জমিতে সময়মতো পানি না দিলে ধান মরে যায়। তারা বোঝেন পাটের চারা শুকিয়ে গেলে পুরো মৌসুম শেষ। এই সহজ কথাটুকু যে সরকার বুঝতে পারে না বা বুঝলেও ব্যবস্থা নিতে পারে না, সেই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শুধু নামেই মন্ত্রী পরিষদ। ফরিদপুরের কৃষকের কাছে এই মন্ত্রীদের কোনো মূল্য নেই, থাকার কথাও না।

জ্বালানি সংকট হঠাৎ হয়নি। এটা পরিকল্পনাহীনতার ফল, অব্যবস্থাপনার ফল। আর অব্যবস্থাপনা বিএনপির পুরনো অভ্যাস। যে দলের জন্ম হয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে, যে দল বারবার পাতানো নির্বাচনের পথ বেছে নিয়েছে, সেই দলের কাছ থেকে সুশাসন আশা করাটা হয়তো ঠিক নয়। কিন্তু মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়েন, যখন একজন বৃদ্ধ কৃষক বলেন “ফসল বাঁচাতে পারব কি-না জানি না”, তখন এই প্রশ্নটা আসেই যে এই সরকার আসলে কার জন্য।

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কৃষক তারা শেখ সতেরো বছর পর ধান লাগিয়েছেন। সতেরো বছরের স্বপ্ন, সতেরো বছরের অপেক্ষা। আর এখন জমিতে পানি দিতে পারছেন না কারণ ডিজেল নেই। কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরছেন, খালি হাতে ফিরছেন। একদিন সামান্য কিছু পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটুকু দিয়ে সেচ হয়নি। ফসল নষ্ট হওয়ার দিন গুনছেন তিনি।

এই মানুষটার কথা কি বিএনপি সরকার একবারও ভেবেছে? ফেব্রুয়ারির বারো তারিখে যে ভোটের নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল সেই ভোটে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো ছিল না, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে যায়নি, পুরো ব্যাপারটা ছিল নিজেদের মধ্যে একটা পাতানো খেলা। সেই খেলায় জিতে ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি। আর তাদের তথাকথিত মন্ত্রীরা এখন দেশ চালাচ্ছেন। দেশ চালানো মানে কী সেটা তারা শেখ বুঝিয়ে দিতে পারবেন। দেশ চালানো মানে এপ্রিল মাসে কৃষক যখন মাঠে ধান নিয়ে বসে আছেন, তখন তাকে জ্বালানি দেওয়ার ব্যবস্থা করা। সেটা এই সরকার পারছে না।

জেলার পেট্রল পাম্প মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিজেই বলছেন ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল আসছে না। পাম্পগুলো চাহিদা মেটাতে পারছে না। টোকেন দিয়ে তেল দেওয়া হচ্ছে, ট্রাক্টর চালকরা পাচ্ছেন মাত্র দশ লিটার করে। দশ লিটার দিয়ে কতটুকু জমিতে সেচ দেওয়া যায় সেটা কি মন্ত্রীরা জানেন? জানার কথাও না। সেনানিবাসের আরামে জন্ম নেওয়া দলের নেতারা মাঠের হিসাব কতটুকু বোঝেন সেটা নিয়ে সন্দেহ থাকার যথেষ্ট কারণ আছে।

বিএনপির ইতিহাস নতুন কিছু না। দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের সাথে এই দলের সম্পর্ক দশকের পর দশক ধরে প্রমাণিত। কিন্তু এবার ক্ষমতায় এসেছে একটা প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে, যে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। এই বৈধতাহীন সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা রাখাটাই আসলে বোকামি। তারপরও মানুষ আশায় থাকে, কারণ থাকাটাই মানুষের স্বভাব।

তারা শেখের মতো কৃষকরা রাজনীতি বোঝেন কি বোঝেন না সেটা বড় কথা না। তারা বোঝেন জমিতে সময়মতো পানি না দিলে ধান মরে যায়। তারা বোঝেন পাটের চারা শুকিয়ে গেলে পুরো মৌসুম শেষ। এই সহজ কথাটুকু যে সরকার বুঝতে পারে না বা বুঝলেও ব্যবস্থা নিতে পারে না, সেই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শুধু নামেই মন্ত্রী পরিষদ। ফরিদপুরের কৃষকের কাছে এই মন্ত্রীদের কোনো মূল্য নেই, থাকার কথাও না।

জ্বালানি সংকট হঠাৎ হয়নি। এটা পরিকল্পনাহীনতার ফল, অব্যবস্থাপনার ফল। আর অব্যবস্থাপনা বিএনপির পুরনো অভ্যাস। যে দলের জন্ম হয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রকে পাশ কাটিয়ে, যে দল বারবার পাতানো নির্বাচনের পথ বেছে নিয়েছে, সেই দলের কাছ থেকে সুশাসন আশা করাটা হয়তো ঠিক নয়। কিন্তু মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়েন, যখন একজন বৃদ্ধ কৃষক বলেন “ফসল বাঁচাতে পারব কি-না জানি না”, তখন এই প্রশ্নটা আসেই যে এই সরকার আসলে কার জন্য।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ